ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তেকে বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫
  • / 382

ছবি সংগৃহীত

 

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তেকে ম্যানিলা বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর তিনি দেশে ফিরলে পুলিশ তাকে আটক করে। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। প্রেসিডেন্ট অফিস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

হংকং থেকে দেশে ফেরার পরই দুতার্তেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা চলমান রয়েছে। রাষ্ট্রপতি ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, দুতার্তে তার ক্ষমতা গ্রহণের সময় মাদক পাচারের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর নামে গণহত্যার মতো অপরাধ করেছেন। বিচার বিভাগের এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করবে।

আরও পড়ুন  আরসা প্রধান আতাউল্লাহ গ্রেপ্তার, স্বস্তিতে রোহিঙ্গারা - কক্সবাজারে বাড়তি নিরাপত্তা জারি

আইসিসি ২০১১ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ১৬ মার্চ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে দুতার্তের হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেয়। এই সময়কালে তিনি ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর ডাভাওয়ের মেয়র ও পরে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অভিযোগ উঠেছে, তার নেতৃত্বে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডগুলো সম্ভবত মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে, যা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে।

ফিলিপাইন সরকার, বিশেষত বর্তমান প্রেসিডেন্টের কার্যালয়, এ তদন্তের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে এবং বলেছেন যে, তারা আইনের শাসন অনুসরণ করবে। তবে আন্তর্জাতিক মহলে এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কার্যকরের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে, এবং বিষয়টি আরও জটিল হতে পারে, যেহেতু দুতার্তে নিজেকে কঠোরভাবে মাদকবিরোধী যুদ্ধের প্রতীক হিসেবে প্রচার করেছিলেন।

এখন দেখা যাবে, আন্তর্জাতিক আদালত কিভাবে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন করে এবং তার ভবিষ্যৎ শাস্তির বিষয়টি কিভাবে নির্ধারণ হয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তেকে বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৩:২৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

 

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তেকে ম্যানিলা বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর তিনি দেশে ফিরলে পুলিশ তাকে আটক করে। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। প্রেসিডেন্ট অফিস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

হংকং থেকে দেশে ফেরার পরই দুতার্তেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা চলমান রয়েছে। রাষ্ট্রপতি ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, দুতার্তে তার ক্ষমতা গ্রহণের সময় মাদক পাচারের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর নামে গণহত্যার মতো অপরাধ করেছেন। বিচার বিভাগের এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করবে।

আরও পড়ুন  আরসা প্রধান আতাউল্লাহ গ্রেপ্তার, স্বস্তিতে রোহিঙ্গারা - কক্সবাজারে বাড়তি নিরাপত্তা জারি

আইসিসি ২০১১ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ১৬ মার্চ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে দুতার্তের হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেয়। এই সময়কালে তিনি ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর ডাভাওয়ের মেয়র ও পরে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অভিযোগ উঠেছে, তার নেতৃত্বে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডগুলো সম্ভবত মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে, যা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে।

ফিলিপাইন সরকার, বিশেষত বর্তমান প্রেসিডেন্টের কার্যালয়, এ তদন্তের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে এবং বলেছেন যে, তারা আইনের শাসন অনুসরণ করবে। তবে আন্তর্জাতিক মহলে এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কার্যকরের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে, এবং বিষয়টি আরও জটিল হতে পারে, যেহেতু দুতার্তে নিজেকে কঠোরভাবে মাদকবিরোধী যুদ্ধের প্রতীক হিসেবে প্রচার করেছিলেন।

এখন দেখা যাবে, আন্তর্জাতিক আদালত কিভাবে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন করে এবং তার ভবিষ্যৎ শাস্তির বিষয়টি কিভাবে নির্ধারণ হয়।