ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ

সাত বছর পর আজ বিএনপির বর্ধিত সভা: তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে গঠন হবে নির্বাচনী পরিকল্পনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩১:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 386

ছবি: সংগৃহীত

 

আজ (২৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দীর্ঘ সাত বছর পর তার বর্ধিত সভা আয়োজন করছে। জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এই সভা রাতে দুই অধিবেশনে সম্পন্ন হবে।

বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, সভায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে। সভায় বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি দলের নির্বাচনী কৌশল ও আন্দোলন সম্পর্কে তৃণমূল নেতাদের মতামত নেওয়া হবে। এই সভা থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা, তাদের কর্মপরিসর এবং দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে একটি চিত্র উঠে আসবে।

আরও পড়ুন  বিএনপি উদারপন্থী দল, রেজিমেন্টভিত্তিক নয়: ফখরুল

জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা ও পৌরসভা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক এবং সদস্যসচিবরা এই সভায় বক্তব্য দেবেন। তারা দলের শক্তি ও দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা করবেন, যার মাধ্যমে বিএনপির ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নির্ধারণ হবে।

সভায় বিএনপি পরিবার ‘আস্থা’ নামক একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করবে। তারেক রহমানের উদ্বোধনী বক্তব্যের পর দুপুরের পর শুরু হবে রুদ্ধদ্বার অধিবেশন, যেখানে তৃণমূল নেতারা নিজেদের মতামত পেশ করবেন। সভার সমাপনীতে তারেক রহমান আবারও বক্তৃতা দেবেন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, সভায় যেসব নেতা অংশ নেবেন, তাদের বক্তব্যের ভিত্তিতেই দেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে মূল্যায়ন এবং পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে। তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে নির্বাচনী প্রস্তুতির পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা পাওয়া যাবে।

এছাড়াও, সভায় বিএনপির ১১টি সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা অংশ নেবেন। এটি বিএনপির জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যেখানে দলের ভবিষ্যৎ নির্বাচন এবং আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সাত বছর পর আজ বিএনপির বর্ধিত সভা: তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে গঠন হবে নির্বাচনী পরিকল্পনা

আপডেট সময় ১১:৩১:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

আজ (২৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দীর্ঘ সাত বছর পর তার বর্ধিত সভা আয়োজন করছে। জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এই সভা রাতে দুই অধিবেশনে সম্পন্ন হবে।

বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, সভায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে। সভায় বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি দলের নির্বাচনী কৌশল ও আন্দোলন সম্পর্কে তৃণমূল নেতাদের মতামত নেওয়া হবে। এই সভা থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা, তাদের কর্মপরিসর এবং দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে একটি চিত্র উঠে আসবে।

আরও পড়ুন  সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে 'জুলাই ঘোষণাপত্র', বিএনপির সংশোধনী প্রস্তাব

জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা ও পৌরসভা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক এবং সদস্যসচিবরা এই সভায় বক্তব্য দেবেন। তারা দলের শক্তি ও দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা করবেন, যার মাধ্যমে বিএনপির ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নির্ধারণ হবে।

সভায় বিএনপি পরিবার ‘আস্থা’ নামক একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করবে। তারেক রহমানের উদ্বোধনী বক্তব্যের পর দুপুরের পর শুরু হবে রুদ্ধদ্বার অধিবেশন, যেখানে তৃণমূল নেতারা নিজেদের মতামত পেশ করবেন। সভার সমাপনীতে তারেক রহমান আবারও বক্তৃতা দেবেন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, সভায় যেসব নেতা অংশ নেবেন, তাদের বক্তব্যের ভিত্তিতেই দেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে মূল্যায়ন এবং পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে। তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে নির্বাচনী প্রস্তুতির পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা পাওয়া যাবে।

এছাড়াও, সভায় বিএনপির ১১টি সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা অংশ নেবেন। এটি বিএনপির জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যেখানে দলের ভবিষ্যৎ নির্বাচন এবং আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।