ভারতে গাড়িতে আটকে সেনাসদস্যকে আগুন, ৮ দিন পর মৃত্যু
- আপডেট সময় ০৩:৩৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 30
ভারতের বিহারে আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে গাড়ির ভেতর আটকে এক সেনাসদস্যের গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার আট দিন পর গত বুধবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খবর এনডিটিভির।
নিহত সেনাসদস্যের নাম শত্রুঘ্ন যাদব। তিনি বিহারের কাইমুর জেলার রামগড় থানার সাহুকা গ্রামের বাসিন্দা।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধ মেটানোর কথা বলে শত্রুঘ্নকে রামগড়ে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে একটি স্করপিও গাড়ির ভেতর আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ। পরে তার গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
গুরুতর দগ্ধ শত্রুঘ্নকে প্রথমে বারাণসীর ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে লক্ষ্ণৌর একটি সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
শত্রুঘ্নের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সাহুকা গ্রামে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। গত বৃহস্পতিবার স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা রামগড় পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা দুর্গা চকে সড়ক অবরোধ করেন। এতে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।
বিক্ষোভকারীরা রামগড় থানা ঘেরাওয়েরও হুমকি দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
পরে কাইমুরের পুলিশ সুপার (এসপি) শিখর চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (এসএইচও) ভূমিকা তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হলে অবরোধ তুলে নেন বিক্ষোভকারীরা।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাতজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক বাকি চার আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।























