০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কঠোর ট্রাম্প: বিরোধী দেশে শুল্ক আরোপের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে গাজা প্রশাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে নতুন বেসামরিক কমিটি গঠন গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন বিবেচনা করছে জার্মানি চীনা বৈদ্যুতিক গাড়ির উপর শুল্ক কমালো কানাডা খালে পড়ে ট্রাক, পাকিস্তানে একই পরিবারের ১৪ জনের মৃত্যু সিলেটে তিন বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১০ ঢাকায় আংশিক মেঘলা ও কুয়াশার সম্ভাবনা
ডিবি পরিচয়ে ডাকাতি :

ধানমন্ডি থানা পুলিশের অভিযানে ১২ ডাকাত গ্রেফতার, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২১:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 105

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ভয়ঙ্কর ডাকাতির ঘটনায় ধানমন্ডি থানা পুলিশের অভিযানে ১২ সদস্যের সংঘবদ্ধ ডাকাত দল গ্রেফতার হয়েছে। অভিযানে লুণ্ঠিত মালামালসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত গাড়ি ও মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।

গত ৩ জানুয়ারি গভীর রাতে মিরপুর রোডের হোটেল আড্ডার সামনে একটি ট্রাককে গতিরোধ করে ৭-৮ জনের একটি দল। নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ট্রাক চালক ও সহকারীকে। পরে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে হাত-পা বেঁধে কেরানীগঞ্জে ফেলে রেখে ট্রাকসহ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন

এরই ধারাবাহিকতায়, ২২ জানুয়ারি একই কৌশলে মোহাম্মদপুর থেকে ৭৫ ড্রাম সয়াবিন তেলবাহী একটি ট্রাক লুট করে ডাকাত দল।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- ১। মোঃ মঞ্জু (৪০), ২। সাইফুল ইসলাম (৪০), ৩। মোঃ রাসেল (২৮), ৪। মোঃ জাহিদ (২৪), ৫। মোঃ জাকির প্রকাশ তৌহিদ (৪০), ৬। মোঃ ইসমাইল হোসেন (৩৩), ৭। মোঃ হিরা শেখ (৩৫), ৮। মো: রফিক (৩৫), ৯। মোঃ বাধন (৩০), ১০। চাঁন মিয়া (৫৪), ১১। বেল্লাল চাকলাদার (৪৫) ও ১২। মোঃ আসলাম খাঁন (৪৫)।

ধানমন্ডি থানার বিশেষ অভিযানে প্রথম দফায় রাজধানীর মগবাজার এলাকা থেকে মোঃ মঞ্জু, সাইফুল ইসলাম, রাসেল ও জাহিদকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কেরানীগঞ্জ, মহাখালী, শনির আখড়া ও মুন্সিগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আরও আটজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ডাকাত চক্রের মূলহোতা মোঃ জাকির ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতি মামলা রয়েছে। তাদের হেফাজত থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সাদা নোহা গাড়ি, লুট হওয়া ১০টি তেলের ড্রাম (বাজারমূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা) এবং একটি লুণ্ঠিত ট্রাক উদ্ধার করা হয়েছে।

তারা সাধারণত ডিবি পুলিশ পরিচয়ে নির্দিষ্ট স্থানে ওঁত পেতে থাকে, বাটন ফোন ব্যবহার করে যোগাযোগ করে, এবং ডাকাতির পরপরই সিমসহ ফোন ফেলে দিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যায়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ডিবি পরিচয়ে ডাকাতি :

ধানমন্ডি থানা পুলিশের অভিযানে ১২ ডাকাত গ্রেফতার, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার

আপডেট সময় ১০:২১:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

রাজধানীতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ভয়ঙ্কর ডাকাতির ঘটনায় ধানমন্ডি থানা পুলিশের অভিযানে ১২ সদস্যের সংঘবদ্ধ ডাকাত দল গ্রেফতার হয়েছে। অভিযানে লুণ্ঠিত মালামালসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত গাড়ি ও মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।

গত ৩ জানুয়ারি গভীর রাতে মিরপুর রোডের হোটেল আড্ডার সামনে একটি ট্রাককে গতিরোধ করে ৭-৮ জনের একটি দল। নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ট্রাক চালক ও সহকারীকে। পরে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে হাত-পা বেঁধে কেরানীগঞ্জে ফেলে রেখে ট্রাকসহ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন

এরই ধারাবাহিকতায়, ২২ জানুয়ারি একই কৌশলে মোহাম্মদপুর থেকে ৭৫ ড্রাম সয়াবিন তেলবাহী একটি ট্রাক লুট করে ডাকাত দল।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- ১। মোঃ মঞ্জু (৪০), ২। সাইফুল ইসলাম (৪০), ৩। মোঃ রাসেল (২৮), ৪। মোঃ জাহিদ (২৪), ৫। মোঃ জাকির প্রকাশ তৌহিদ (৪০), ৬। মোঃ ইসমাইল হোসেন (৩৩), ৭। মোঃ হিরা শেখ (৩৫), ৮। মো: রফিক (৩৫), ৯। মোঃ বাধন (৩০), ১০। চাঁন মিয়া (৫৪), ১১। বেল্লাল চাকলাদার (৪৫) ও ১২। মোঃ আসলাম খাঁন (৪৫)।

ধানমন্ডি থানার বিশেষ অভিযানে প্রথম দফায় রাজধানীর মগবাজার এলাকা থেকে মোঃ মঞ্জু, সাইফুল ইসলাম, রাসেল ও জাহিদকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কেরানীগঞ্জ, মহাখালী, শনির আখড়া ও মুন্সিগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আরও আটজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ডাকাত চক্রের মূলহোতা মোঃ জাকির ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতি মামলা রয়েছে। তাদের হেফাজত থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সাদা নোহা গাড়ি, লুট হওয়া ১০টি তেলের ড্রাম (বাজারমূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা) এবং একটি লুণ্ঠিত ট্রাক উদ্ধার করা হয়েছে।

তারা সাধারণত ডিবি পুলিশ পরিচয়ে নির্দিষ্ট স্থানে ওঁত পেতে থাকে, বাটন ফোন ব্যবহার করে যোগাযোগ করে, এবং ডাকাতির পরপরই সিমসহ ফোন ফেলে দিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যায়।