সায়েদাবাদে তুচ্ছ ঘটনায় মারামারি, প্রাণ গেল বাসের হেলপারের
- আপডেট সময় ০৭:২৬:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 3
রাজধানীর সায়েদাবাদে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারিতে ফকির আলমগীর (৫২) নামে এক বাসের হেলপার নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে বাস মালিক সমিতির কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের ছেলে রবিউল আওয়ালের দাবি, তাঁর বাবাকে ঘুষি মারার পর তিনি রাস্তায় পড়ে যান। এ সময় রাস্তার পাশে থাকা ভাঙা ইটের একটি অংশ তাঁর মাথায় ঢুকে যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
রবিউল আওয়াল জানান, তাঁদের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার আলীগঞ্জে। বর্তমানে তাঁরা সায়েদাবাদের করাতিটোলায় থাকেন। ফকির আলমগীর বাসের হেলপার হিসেবে কাজ করতেন। পাশাপাশি দিনের বেলায় ভ্যানে করে শরবত বিক্রি করতেন।
নিহতের ছেলে জানান, তাঁর মা টুনি আক্তার সায়েদাবাদ বাস মালিক সমিতির কার্যালয়ের সামনে খিচুড়ি বিক্রি করেন। মঙ্গলবার সকালে ওই কার্যালয়ের সামনে এক নারী ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। এ সময় টুনি আক্তারের সঙ্গে তাঁর তর্কাতর্কি হয়।
রবিউল আওয়ালের ভাষ্য, তর্কাতর্কির সময় তিনি ও তাঁর বাবা ঘটনাস্থলের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। একপর্যায়ে ঝাড়ু দিতে আসা ওই নারীর ছেলে শুক্কুর আলী সেখানে এসে ফকির আলমগীরের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।
রবিউল অভিযোগ করেন, একপর্যায়ে শুক্কুর আলী তাঁর বাবার বুকে এলোপাতাড়ি ঘুষি মারেন। এতে ফকির আলমগীর রাস্তায় পড়ে যান। তখন রাস্তার পাশে থাকা ভাঙা ইটের একটি অংশ তাঁর মাথায় ঢুকে যায়।
পরে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ফকির আলমগীরকে মৃত ঘোষণা করেন।
যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিব বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই নারীর মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে মারামারির মধ্যে রাস্তায় পড়ে গিয়ে ওই ব্যক্তি মারা যান বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান ওসি।

























