ঢাকা ০১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :

ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের ধোঁয়ায় মালয়েশিয়ায় ভয়াবহ বায়ুদূষণ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৪:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 12

ছবি সংগৃহীত

 

ইন্দোনেশিয়ার জঙ্গল ও পিটল্যান্ডে ছড়িয়ে পড়া দাবানলের বিষাক্ত ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মালয়েশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের বিভিন্ন এলাকা। ভয়াবহ বায়ুদূষণে শ্বাসযন্ত্রের রোগ বাড়ার পাশাপাশি বাতিল করা হয়েছে স্বাধীনতা দিবসের বেশ কিছু বহিরাঙ্গন আয়োজন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সারাওয়াকের ছয়টি এলাকায় বায়ুর মান বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।

মালয়েশিয়ার এয়ার পলিউট্যান্ট ইনডেক্সে ১০০-এর বেশি স্কোরকে অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেখানে সারাওয়াকের রাজধানী কুচিংয়ে সূচক ৪০৭ এবং কালিমানতান সীমান্তবর্তী সেরিয়ানে ৪০৮-এ পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে ভয়াবহরূপে ছড়িয়ে পড়েছে দাবানল

ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের অংশটি কালিমানতান নামে পরিচিত। সেখানকার দাবানল থেকে উৎপন্ন ধোঁয়া আগস্টজুড়ে মালয়েশিয়ার সারাওয়াক রাজ্যের আকাশে ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রভাব মালয়েশিয়ার উপদ্বীপীয় অঞ্চল ছাড়িয়ে ব্রুনেই ও সিঙ্গাপুরেও পৌঁছেছে।

২০১৫ সালের পর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এটিকে সবচেয়ে ভয়াবহ ধোঁয়াশা পরিস্থিতিগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০১৫ সালের দাবানলের বিষাক্ত ধোঁয়ায় ইন্দোনেশিয়াসহ আশপাশের অঞ্চলে কয়েক কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং পাঁচ লাখের বেশি মানুষ শ্বাসযন্ত্রের সমস্যায় ভুগেছিলেন।

কুচিংয়ের ৩৩ বছর বয়সী বাসিন্দা মিয়া এমিলিয়া হাসান জানান, এক মাসের বেশি সময় ধরে তিনি নীল আকাশ দেখতে পাননি। চারদিকে ধোঁয়ার গন্ধ এবং ঘন কুয়াশার মতো পরিবেশ বিরাজ করছে।

তার ১০ মাস বয়সী মেয়ে সম্প্রতি ফুসফুসের সংক্রমণের চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে। তবে ধোঁয়ার কারণে শিশুটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না বলে জানান তিনি। শিশুটিকে নিয়মিত ওষুধ খাওয়াতে হচ্ছে এবং সে কাশি ও বমিতে ভুগছে। শ্বাস নিতে না পারায় তাকে দুইবার জরুরি বিভাগে নিতে হয়েছে বলেও জানান মিয়া।

মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৩ থেকে ২৯ আগস্টের সপ্তাহে দেশটিতে হাঁপানির রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৮১১ জনে দাঁড়িয়েছে। এর আগের সপ্তাহে এ সংখ্যা ছিল ২১৯।

একই সময়ে চোখের প্রদাহ বা কনজাংটিভাইটিসের ঘটনাও বেড়েছে। আগের সপ্তাহের ১৪৬টি ঘটনা থেকে তা বেড়ে ৭২০টিতে পৌঁছেছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক জোট আসিয়ান দক্ষিণাঞ্চলে সর্বোচ্চ মাত্রার আন্তঃসীমান্ত ধোঁয়াশা সতর্কতা জারি করেছে। দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক আবহাওয়া এবং বাড়তে থাকা দাবানলের হটস্পটের কারণে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বায়ুদূষণের কারণে সারাওয়াকে সোমবার স্বাধীনতা দিবসের বহিরাঙ্গন অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়। রাজ্যের উপপ্রধানমন্ত্রী ডগলাস উগাহ এমবাস জানিয়েছেন, বায়ুর মানের সূচক ৫০০ ছাড়িয়ে গেলে স্থানীয় জরুরি অবস্থা জারি করা এবং সরকারি-বেসরকারি সব অফিস বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে শুধু জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে।

দূষণের প্রভাব পড়েছে শিক্ষা ও খেলাধুলায়ও। বায়ুর মানের সূচক ১০০ ছাড়ালে স্কুলের বাইরের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নিয়ম রয়েছে। সূচক ২০০ ছাড়ালে স্কুল বন্ধ করতে হয়।

গত ২০ ও ২১ আগস্ট কুচিং ও আশপাশের প্রায় ৬০০ স্কুল বন্ধ ছিল। এতে প্রায় দুই লাখ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে ২৮ আগস্ট সারাওয়াকে আরও ৩০টি স্কুল বন্ধ করা হয়।

ধোঁয়াশার প্রধান উৎস ইন্দোনেশিয়া। দেশটির উপস্বাস্থ্যমন্ত্রী দান্তে সাকসোনো হারবুওনো জানিয়েছেন, জুলাই ও আগস্টে প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ মানুষ শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের চিকিৎসা নিয়েছেন। বোর্নিও ও সুমাত্রা দ্বীপে প্রায় ৫৫ লাখ মানুষ সরাসরি দাবানলের ধোঁয়ার সংস্পর্শে এসেছেন।

ইন্দোনেশিয়া সরকারের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বোর্নিও ও সুমাত্রায় দুই লাখ হেক্টরের বেশি জমি আগুনে পুড়েছে। শুধু জুলাই মাসেই প্রায় ৯৫ হাজার হেক্টর জমি পুড়ে যায়।

বিশ্লেষকদের মতে, এসব আগুনের বড় একটি অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে লাগানো হয়। পাম তেল, কৃষি ও কাগজশিল্পের জন্য জমি পরিষ্কার করতে বন এবং কার্বনসমৃদ্ধ পিটল্যান্ডে আগুন দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আইনত নিষিদ্ধ হলেও এ ধরনের চর্চা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। সাম্প্রতিক দাবানলের ঘটনায় ইন্দোনেশিয়ার পুলিশ ৭২ জনকে গ্রেফতার করেছে।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, চলতি দাবানলের মৌসুম দীর্ঘ হতে পারে। মালয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক হেলেনা ভার্কি জানান, শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আবহাওয়া আরও উষ্ণ ও শুষ্ক হয়ে উঠছে। এতে যেকোনো আগুনের আঞ্চলিক প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

মালয়েশিয়ার বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞানী জয়প্রকাশ মুরলিথারানের মতে, পরিস্থিতির সবচেয়ে খারাপ পর্যায় এখনও সামনে আসতে পারে। পিটের আগুন মাটির নিচে সপ্তাহের পর সপ্তাহ জ্বলতে পারে এবং বৃষ্টি না হলে আবারও জ্বলে উঠতে পারে।

তার মতে, পর্যাপ্ত বৃষ্টি না আসা পর্যন্ত মানুষের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। সেপ্টেম্বরের শেষ অথবা অক্টোবরের দিকে পর্যাপ্ত বৃষ্টি হলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের ধোঁয়ায় মালয়েশিয়ায় ভয়াবহ বায়ুদূষণ

আপডেট সময় ১১:৩৪:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

ইন্দোনেশিয়ার জঙ্গল ও পিটল্যান্ডে ছড়িয়ে পড়া দাবানলের বিষাক্ত ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মালয়েশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের বিভিন্ন এলাকা। ভয়াবহ বায়ুদূষণে শ্বাসযন্ত্রের রোগ বাড়ার পাশাপাশি বাতিল করা হয়েছে স্বাধীনতা দিবসের বেশ কিছু বহিরাঙ্গন আয়োজন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সারাওয়াকের ছয়টি এলাকায় বায়ুর মান বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।

মালয়েশিয়ার এয়ার পলিউট্যান্ট ইনডেক্সে ১০০-এর বেশি স্কোরকে অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেখানে সারাওয়াকের রাজধানী কুচিংয়ে সূচক ৪০৭ এবং কালিমানতান সীমান্তবর্তী সেরিয়ানে ৪০৮-এ পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন  কানাডায় ভয়াবহ দাবানল আতঙ্ক, মধ্য ও পশ্চিমাঞ্চলে জরুরি অবস্থা জারি

ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের অংশটি কালিমানতান নামে পরিচিত। সেখানকার দাবানল থেকে উৎপন্ন ধোঁয়া আগস্টজুড়ে মালয়েশিয়ার সারাওয়াক রাজ্যের আকাশে ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রভাব মালয়েশিয়ার উপদ্বীপীয় অঞ্চল ছাড়িয়ে ব্রুনেই ও সিঙ্গাপুরেও পৌঁছেছে।

২০১৫ সালের পর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এটিকে সবচেয়ে ভয়াবহ ধোঁয়াশা পরিস্থিতিগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০১৫ সালের দাবানলের বিষাক্ত ধোঁয়ায় ইন্দোনেশিয়াসহ আশপাশের অঞ্চলে কয়েক কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং পাঁচ লাখের বেশি মানুষ শ্বাসযন্ত্রের সমস্যায় ভুগেছিলেন।

কুচিংয়ের ৩৩ বছর বয়সী বাসিন্দা মিয়া এমিলিয়া হাসান জানান, এক মাসের বেশি সময় ধরে তিনি নীল আকাশ দেখতে পাননি। চারদিকে ধোঁয়ার গন্ধ এবং ঘন কুয়াশার মতো পরিবেশ বিরাজ করছে।

তার ১০ মাস বয়সী মেয়ে সম্প্রতি ফুসফুসের সংক্রমণের চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে। তবে ধোঁয়ার কারণে শিশুটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না বলে জানান তিনি। শিশুটিকে নিয়মিত ওষুধ খাওয়াতে হচ্ছে এবং সে কাশি ও বমিতে ভুগছে। শ্বাস নিতে না পারায় তাকে দুইবার জরুরি বিভাগে নিতে হয়েছে বলেও জানান মিয়া।

মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৩ থেকে ২৯ আগস্টের সপ্তাহে দেশটিতে হাঁপানির রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৮১১ জনে দাঁড়িয়েছে। এর আগের সপ্তাহে এ সংখ্যা ছিল ২১৯।

একই সময়ে চোখের প্রদাহ বা কনজাংটিভাইটিসের ঘটনাও বেড়েছে। আগের সপ্তাহের ১৪৬টি ঘটনা থেকে তা বেড়ে ৭২০টিতে পৌঁছেছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক জোট আসিয়ান দক্ষিণাঞ্চলে সর্বোচ্চ মাত্রার আন্তঃসীমান্ত ধোঁয়াশা সতর্কতা জারি করেছে। দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক আবহাওয়া এবং বাড়তে থাকা দাবানলের হটস্পটের কারণে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বায়ুদূষণের কারণে সারাওয়াকে সোমবার স্বাধীনতা দিবসের বহিরাঙ্গন অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়। রাজ্যের উপপ্রধানমন্ত্রী ডগলাস উগাহ এমবাস জানিয়েছেন, বায়ুর মানের সূচক ৫০০ ছাড়িয়ে গেলে স্থানীয় জরুরি অবস্থা জারি করা এবং সরকারি-বেসরকারি সব অফিস বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে শুধু জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে।

দূষণের প্রভাব পড়েছে শিক্ষা ও খেলাধুলায়ও। বায়ুর মানের সূচক ১০০ ছাড়ালে স্কুলের বাইরের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নিয়ম রয়েছে। সূচক ২০০ ছাড়ালে স্কুল বন্ধ করতে হয়।

গত ২০ ও ২১ আগস্ট কুচিং ও আশপাশের প্রায় ৬০০ স্কুল বন্ধ ছিল। এতে প্রায় দুই লাখ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে ২৮ আগস্ট সারাওয়াকে আরও ৩০টি স্কুল বন্ধ করা হয়।

ধোঁয়াশার প্রধান উৎস ইন্দোনেশিয়া। দেশটির উপস্বাস্থ্যমন্ত্রী দান্তে সাকসোনো হারবুওনো জানিয়েছেন, জুলাই ও আগস্টে প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ মানুষ শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের চিকিৎসা নিয়েছেন। বোর্নিও ও সুমাত্রা দ্বীপে প্রায় ৫৫ লাখ মানুষ সরাসরি দাবানলের ধোঁয়ার সংস্পর্শে এসেছেন।

ইন্দোনেশিয়া সরকারের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বোর্নিও ও সুমাত্রায় দুই লাখ হেক্টরের বেশি জমি আগুনে পুড়েছে। শুধু জুলাই মাসেই প্রায় ৯৫ হাজার হেক্টর জমি পুড়ে যায়।

বিশ্লেষকদের মতে, এসব আগুনের বড় একটি অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে লাগানো হয়। পাম তেল, কৃষি ও কাগজশিল্পের জন্য জমি পরিষ্কার করতে বন এবং কার্বনসমৃদ্ধ পিটল্যান্ডে আগুন দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আইনত নিষিদ্ধ হলেও এ ধরনের চর্চা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। সাম্প্রতিক দাবানলের ঘটনায় ইন্দোনেশিয়ার পুলিশ ৭২ জনকে গ্রেফতার করেছে।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, চলতি দাবানলের মৌসুম দীর্ঘ হতে পারে। মালয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক হেলেনা ভার্কি জানান, শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আবহাওয়া আরও উষ্ণ ও শুষ্ক হয়ে উঠছে। এতে যেকোনো আগুনের আঞ্চলিক প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

মালয়েশিয়ার বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞানী জয়প্রকাশ মুরলিথারানের মতে, পরিস্থিতির সবচেয়ে খারাপ পর্যায় এখনও সামনে আসতে পারে। পিটের আগুন মাটির নিচে সপ্তাহের পর সপ্তাহ জ্বলতে পারে এবং বৃষ্টি না হলে আবারও জ্বলে উঠতে পারে।

তার মতে, পর্যাপ্ত বৃষ্টি না আসা পর্যন্ত মানুষের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। সেপ্টেম্বরের শেষ অথবা অক্টোবরের দিকে পর্যাপ্ত বৃষ্টি হলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।