ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

শহীদ জিয়ার হত্যার আসামি মোজাফ্ফর ট্রাইব্যুনালে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • / 16

ছবি: সংগৃহীত

 

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। পরে তাকে হাজতখানায় রাখা হয় এবং দুপুর ১২টার দিকে আদালতে তোলার কথা জানায় প্রসিকিউশন।

প্রসিকিউশন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার মধ্যে মোজাফফর হোসেনকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন  ঈদে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা, পুলিশের ছুটি বাতিল: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রসিকিউশনের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে সম্পৃক্ততার অভিযোগে মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। একই সঙ্গে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো এবং জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

এর আগে ২১ জুলাই জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে আবেদন করা হয়।

মোজাফফর হোসেনকে দীর্ঘ ৪৫ বছর পর ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি পরদিন প্রকাশ্যে আসে। পরে তাকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়।

এদিকে, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ফেনীতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল ২১ জুলাই। ওই দিন প্রসিকিউশন আরও দুই মাস সময়ের আবেদন করে। তবে মোজাফফর হোসেনের সঙ্গে তার যোগসাজশের অভিযোগের বিষয়টি উল্লেখ করে আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেননি। এ কারণে তাকেও বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। পরবর্তী সময়ে এ ঘটনায় সামরিক আদালতে বিচার অনুষ্ঠিত হয় এবং কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করা হয়। মোজাফফর হোসেন সেই মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

শহীদ জিয়ার হত্যার আসামি মোজাফ্ফর ট্রাইব্যুনালে

আপডেট সময় ১২:১২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

 

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। পরে তাকে হাজতখানায় রাখা হয় এবং দুপুর ১২টার দিকে আদালতে তোলার কথা জানায় প্রসিকিউশন।

প্রসিকিউশন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার মধ্যে মোজাফফর হোসেনকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন  ঈদে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা, পুলিশের ছুটি বাতিল: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রসিকিউশনের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে সম্পৃক্ততার অভিযোগে মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। একই সঙ্গে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো এবং জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

এর আগে ২১ জুলাই জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে আবেদন করা হয়।

মোজাফফর হোসেনকে দীর্ঘ ৪৫ বছর পর ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি পরদিন প্রকাশ্যে আসে। পরে তাকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়।

এদিকে, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ফেনীতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল ২১ জুলাই। ওই দিন প্রসিকিউশন আরও দুই মাস সময়ের আবেদন করে। তবে মোজাফফর হোসেনের সঙ্গে তার যোগসাজশের অভিযোগের বিষয়টি উল্লেখ করে আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেননি। এ কারণে তাকেও বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। পরবর্তী সময়ে এ ঘটনায় সামরিক আদালতে বিচার অনুষ্ঠিত হয় এবং কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করা হয়। মোজাফফর হোসেন সেই মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন।