ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

দোষী সাব্যস্ত ইনু, ১০ বছরের কারাদণ্ড

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • / 23

ছবি: সংগৃহীত

জুলাই আন্দোলনের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। মঙ্গলবার, ৩০ জুন ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার আগে মামলার বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে ‘সুপিরিয়র রেসপন্সিবিলিটি’র অভিযোগ আনা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনার সঙ্গে বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে ইনুর ভূমিকা ছিল এবং সেই সিদ্ধান্তগুলোর প্রেক্ষাপটে কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আদালতে ১০ জন সাক্ষী উপস্থাপন করা হয়েছে। তাদের সাক্ষ্যে আসামির সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে উল্লেখ করে তিনি সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশার কথাও জানান।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত বছরের ২৫ মার্চ হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। পরে ১১ সেপ্টেম্বর তদন্ত সংস্থা প্রসিকিউশনের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। একই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করলে সেদিনই ট্রাইব্যুনাল তা আমলে নেন।

পরবর্তীতে ২ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করা হয় এবং ৩০ নভেম্বর মামলার সূচনা বক্তব্য শুরু হয়। মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ প্রসিকিউশনের পক্ষে ১০ জন সাক্ষ্য দেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষ দুইজন সাফাই সাক্ষী উপস্থাপন করে।

চলতি বছরের ১৩ এপ্রিল মামলার যুক্তিতর্ক শুরু হয়। যুক্তিতর্ক শেষে ১৩ মে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। এই মামলায় হাসানুল হক ইনুই একমাত্র আসামি। বর্তমানে তিনি গ্রেপ্তার অবস্থায় কারাগারে রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

দোষী সাব্যস্ত ইনু, ১০ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৪:৩৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

জুলাই আন্দোলনের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। মঙ্গলবার, ৩০ জুন ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার আগে মামলার বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে ‘সুপিরিয়র রেসপন্সিবিলিটি’র অভিযোগ আনা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনার সঙ্গে বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে ইনুর ভূমিকা ছিল এবং সেই সিদ্ধান্তগুলোর প্রেক্ষাপটে কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আদালতে ১০ জন সাক্ষী উপস্থাপন করা হয়েছে। তাদের সাক্ষ্যে আসামির সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে উল্লেখ করে তিনি সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশার কথাও জানান।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত বছরের ২৫ মার্চ হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। পরে ১১ সেপ্টেম্বর তদন্ত সংস্থা প্রসিকিউশনের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। একই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করলে সেদিনই ট্রাইব্যুনাল তা আমলে নেন।

পরবর্তীতে ২ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করা হয় এবং ৩০ নভেম্বর মামলার সূচনা বক্তব্য শুরু হয়। মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ প্রসিকিউশনের পক্ষে ১০ জন সাক্ষ্য দেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষ দুইজন সাফাই সাক্ষী উপস্থাপন করে।

চলতি বছরের ১৩ এপ্রিল মামলার যুক্তিতর্ক শুরু হয়। যুক্তিতর্ক শেষে ১৩ মে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। এই মামলায় হাসানুল হক ইনুই একমাত্র আসামি। বর্তমানে তিনি গ্রেপ্তার অবস্থায় কারাগারে রয়েছেন।