ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
শিরোনাম :
নিরাপত্তার কারণে কি ঠিকানা বদলাচ্ছেন সালমান? রেস্টুরেন্টে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর লক্ষ্মীপুরে মা-তিন মেয়েকে হত্যা, অভিযুক্তের পরিচয় নিয়ে নতুন তথ্য মেট্রোরেলে অর্ধেক ভাড়ার সুবিধা পাচ্ছেন যারা পররাষ্ট্রনীতির নতুন বেঞ্চমার্ক স্থাপন করেছে প্রধানমন্ত্রীর সফর: অর্থমন্ত্রী এডিসের লার্ভা রেস্তোরাঁ ও বাসাবাড়ির বেশি: প্রতিমন্ত্রী বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের সমঅধিকার নিশ্চিত করবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী আইসিসির অর্থায়ন বন্ধের অনুরোধ, বুলবুলের অস্বীকার অলিম্পিক দিবসে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

রেস্টুরেন্টে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • / 17

ছবি: সংগৃহীত

 

 

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার একটি রেস্টুরেন্টে ভুলবশত রেখে যাওয়া দেড় থেকে দুই বছর বয়সী পাকিস্তানি শিশু নাফিসাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে প্রশাসন। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শিশুটিকে স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে পরিবারটি কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা করে।

আরও পড়ুন  ওয়ারীতে রেস্টুরেন্টে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধসহ আহত ৮

শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৩টার দিকে সদর দক্ষিণ উপজেলার মোস্তাফাপুর এলাকার জাইতুন রেস্টুরেন্টে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় শিশুটিকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করেন। এ সময় উপজেলা সমাজসেবা অফিসের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও সুজন চন্দ্র রায় জানান, প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল শিশুটির পরিবার ভারতের কাশ্মির থেকে এসেছে। পরে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া যায়, তারা পাকিস্তানের নাগরিক এবং বাংলাদেশে ভ্রমণে এসেছেন।

তিনি জানান, শনিবার (২৭ জুন) সকালে দুটি গাড়িতে করে পরিবারটি কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেয়। পথে কুমিল্লার জাইতুন রেস্টুরেন্টে নাস্তা শেষে যাত্রা শুরুর সময় ভুল বোঝাবুঝির কারণে শিশুটি সেখানে থেকে যায়। এক গাড়িতে শিশুটির বাবা-মা এবং অন্য গাড়িতে দাদা-দাদুসহ অন্যান্য স্বজন ছিলেন। বাবা-মা মনে করেছিলেন শিশুটি দাদা-দাদুর গাড়িতে উঠেছে, আর দাদা-দাদুর ধারণা ছিল সে বাবা-মায়ের সঙ্গেই রয়েছে।

পরিবারটি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল এলাকায় পৌঁছে শিশুটিকে সঙ্গে না পেয়ে বিষয়টি বুঝতে পারে এবং দ্রুত কুমিল্লার উদ্দেশে ফিরে আসে। এদিকে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ শিশুটিকে একা দেখতে পেয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় খবর দেয়। পরে উপজেলা সমাজসেবা অফিসের সহায়তায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে শিশুটির অবস্থান নিশ্চিত করা হয়।

জাইতুন রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী লুৎফুর রহমান রিপন বলেন, পরিবারটি চলে যাওয়ার পর তারা শিশুটিকে রেস্টুরেন্টে একা দেখতে পান। পরে দ্রুত বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের তথ্যের ভিত্তিতে সমাজসেবা অফিসের সহযোগিতায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর আইনানুগ প্রক্রিয়ায় শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শিশুকে ফিরে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে তারা পুনরায় কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

রেস্টুরেন্টে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

আপডেট সময় ০৭:২২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

 

 

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার একটি রেস্টুরেন্টে ভুলবশত রেখে যাওয়া দেড় থেকে দুই বছর বয়সী পাকিস্তানি শিশু নাফিসাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে প্রশাসন। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শিশুটিকে স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে পরিবারটি কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা করে।

আরও পড়ুন  ওয়ারীতে রেস্টুরেন্টে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধসহ আহত ৮

শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৩টার দিকে সদর দক্ষিণ উপজেলার মোস্তাফাপুর এলাকার জাইতুন রেস্টুরেন্টে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় শিশুটিকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করেন। এ সময় উপজেলা সমাজসেবা অফিসের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও সুজন চন্দ্র রায় জানান, প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল শিশুটির পরিবার ভারতের কাশ্মির থেকে এসেছে। পরে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া যায়, তারা পাকিস্তানের নাগরিক এবং বাংলাদেশে ভ্রমণে এসেছেন।

তিনি জানান, শনিবার (২৭ জুন) সকালে দুটি গাড়িতে করে পরিবারটি কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেয়। পথে কুমিল্লার জাইতুন রেস্টুরেন্টে নাস্তা শেষে যাত্রা শুরুর সময় ভুল বোঝাবুঝির কারণে শিশুটি সেখানে থেকে যায়। এক গাড়িতে শিশুটির বাবা-মা এবং অন্য গাড়িতে দাদা-দাদুসহ অন্যান্য স্বজন ছিলেন। বাবা-মা মনে করেছিলেন শিশুটি দাদা-দাদুর গাড়িতে উঠেছে, আর দাদা-দাদুর ধারণা ছিল সে বাবা-মায়ের সঙ্গেই রয়েছে।

পরিবারটি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল এলাকায় পৌঁছে শিশুটিকে সঙ্গে না পেয়ে বিষয়টি বুঝতে পারে এবং দ্রুত কুমিল্লার উদ্দেশে ফিরে আসে। এদিকে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ শিশুটিকে একা দেখতে পেয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় খবর দেয়। পরে উপজেলা সমাজসেবা অফিসের সহায়তায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে শিশুটির অবস্থান নিশ্চিত করা হয়।

জাইতুন রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী লুৎফুর রহমান রিপন বলেন, পরিবারটি চলে যাওয়ার পর তারা শিশুটিকে রেস্টুরেন্টে একা দেখতে পান। পরে দ্রুত বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের তথ্যের ভিত্তিতে সমাজসেবা অফিসের সহযোগিতায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর আইনানুগ প্রক্রিয়ায় শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শিশুকে ফিরে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে তারা পুনরায় কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেন।