ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অবসর নাকি সপ্তম বিশ্বকাপ, মেসি স্পষ্ট করলেন অবস্থান ‘ঝর্ণা ছিলেন বৈধ স্ত্রী’, রয়েল রিসোর্ট ইস্যুতে মামুনুলের দাবি মধ্যরাতের মাঝেই একাধিক অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের সতর্কতা প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ছাগল উদ্ধার করতে গিয়ে প্রাণ গেল একই পরিবারের চারজনের প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ঘিরে উসকানির চেষ্টা হচ্ছে: রিজভী বারবার রাস্তা খনন বন্ধে সমন্বিত পরিকল্পনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু শীর্ষ সন্ত্রাসী কাইল্লা পলাশের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন, বেনজীর প্রত্যর্পণে আশাবাদ সরকার ২৩ জুন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ

বারবার রাস্তা খনন বন্ধে সমন্বিত পরিকল্পনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • / 22

ছবি: সংগৃহীত

 

একই রাস্তা বারবার খননের কারণে নগরবাসীর ভোগান্তি কমাতে সেবা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রমের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, পরিকল্পিত সমন্বয়ের মাধ্যমে উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করে পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য ও জলাবদ্ধতামুক্ত নগর গড়ে তোলাই ডিএনসিসির লক্ষ্য।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর মুসলিম বাজার খাল পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, ওয়াসা, তিতাস গ্যাস, রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে একাধিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো উন্নয়নকাজের কারণে একই সড়ক বারবার খনন করতে না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতেই এই সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, গত ৫ আগস্ট থেকে মিরপুর মুসলিম বাজার খাল থেকে এ পর্যন্ত ৪১৬ ট্রাক বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে অন্যান্য খালেও একই ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।

মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, দীর্ঘ প্রায় ১৯ বছর পর বৃহৎ পরিসরে খাল থেকে বর্জ্য অপসারণের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে এনে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ডিএনসিসি কাজ করে যাচ্ছে, যাতে নগরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয়।

তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় পানি জমে থাকার প্রবণতা বেশি এবং জলাবদ্ধতার হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, সেসব এলাকার সমস্যা সমাধানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, খাল পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া। রাজধানীর দুই সিটির আওতাধীন ৫৬টি খাল থেকে পর্যায়ক্রমে বর্জ্য অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, খালগুলো দখলমুক্ত রাখতে গাইড ওয়াল নির্মাণের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করা হবে। একই সঙ্গে নগরবাসীর প্রতি খালে বর্জ্য না ফেলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, খালে ময়লা ফেললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে জরিমানার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

বারবার রাস্তা খনন বন্ধে সমন্বিত পরিকল্পনা

আপডেট সময় ০৪:২২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

 

একই রাস্তা বারবার খননের কারণে নগরবাসীর ভোগান্তি কমাতে সেবা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রমের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, পরিকল্পিত সমন্বয়ের মাধ্যমে উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করে পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য ও জলাবদ্ধতামুক্ত নগর গড়ে তোলাই ডিএনসিসির লক্ষ্য।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর মুসলিম বাজার খাল পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, ওয়াসা, তিতাস গ্যাস, রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে একাধিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো উন্নয়নকাজের কারণে একই সড়ক বারবার খনন করতে না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতেই এই সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, গত ৫ আগস্ট থেকে মিরপুর মুসলিম বাজার খাল থেকে এ পর্যন্ত ৪১৬ ট্রাক বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে অন্যান্য খালেও একই ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।

মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, দীর্ঘ প্রায় ১৯ বছর পর বৃহৎ পরিসরে খাল থেকে বর্জ্য অপসারণের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে এনে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ডিএনসিসি কাজ করে যাচ্ছে, যাতে নগরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয়।

তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় পানি জমে থাকার প্রবণতা বেশি এবং জলাবদ্ধতার হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, সেসব এলাকার সমস্যা সমাধানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, খাল পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া। রাজধানীর দুই সিটির আওতাধীন ৫৬টি খাল থেকে পর্যায়ক্রমে বর্জ্য অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, খালগুলো দখলমুক্ত রাখতে গাইড ওয়াল নির্মাণের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করা হবে। একই সঙ্গে নগরবাসীর প্রতি খালে বর্জ্য না ফেলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, খালে ময়লা ফেললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে জরিমানার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।