ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ ফুট লম্বা বার্মিজ পাইথন উদ্ধার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৭:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 105

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের আবাসিক এলাকা থেকে আট ফুট দীর্ঘ একটি বার্মিজ পাইথন বা অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসে নীপবন শিশু বিদ্যালয়ের সামনে সাপটি দেখতে পান শিক্ষার্থীরা। পরে ‘সোসাইটি ফর স্নেক অ্যান্ড স্নেকবাইট অ্যাওয়্যারনেস’ (থ্রি-এসএ) সাপটিকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী জমাদিউল আউয়াল সুজাত সাপটি দেখে প্রথম সংগঠনটিকে খবর দেন। এরপর সংগঠনের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাপটি উদ্ধার করেন।

থ্রি-এসএ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত সাপটি একটি সাব-অ্যাডাল্ট বার্মিজ পাইথন। এই প্রজাতির সাপ সাধারণত ১৭ থেকে ১৮ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। তবে উদ্ধার হওয়া সাপটি লম্বায় ছিল আট ফুট।

সংগঠনের উপদেষ্টা ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইব্রাহীম খলিল আল হায়দার বলেন, “বার্মিজ পাইথন আমাদের অঞ্চলের আদি সাপ। এটি বিষহীন এবং মানুষের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তবে মাঝেমধ্যে লোকালয়ে ঢুকে হাঁস-মুরগি বা মাছ খেয়ে ফেলে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই সাপের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

উদ্ধার করার পর সাপটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটবর্তী গহীন পাহাড়ে অবমুক্ত করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে অবমুক্ত করার সুনির্দিষ্ট স্থানটি প্রকাশ করেনি সংগঠনটি। উল্লেখ্য যে, চলতি মাসের ১০ ও ১২ এপ্রিল চবি ক্যাম্পাস এলাকা থেকে দুটি বিশালাকার ‘কিং কোবরা’ বা রাজগোখরা উদ্ধার করা হয়েছিল। ঘন বন ও পাহাড়বেষ্টিত ক্যাম্পাস হওয়ায় প্রায়শই এই এলাকায় বন্যপ্রাণীর আনাগোনা দেখা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ ফুট লম্বা বার্মিজ পাইথন উদ্ধার

আপডেট সময় ০১:২৭:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের আবাসিক এলাকা থেকে আট ফুট দীর্ঘ একটি বার্মিজ পাইথন বা অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসে নীপবন শিশু বিদ্যালয়ের সামনে সাপটি দেখতে পান শিক্ষার্থীরা। পরে ‘সোসাইটি ফর স্নেক অ্যান্ড স্নেকবাইট অ্যাওয়্যারনেস’ (থ্রি-এসএ) সাপটিকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী জমাদিউল আউয়াল সুজাত সাপটি দেখে প্রথম সংগঠনটিকে খবর দেন। এরপর সংগঠনের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাপটি উদ্ধার করেন।

থ্রি-এসএ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত সাপটি একটি সাব-অ্যাডাল্ট বার্মিজ পাইথন। এই প্রজাতির সাপ সাধারণত ১৭ থেকে ১৮ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। তবে উদ্ধার হওয়া সাপটি লম্বায় ছিল আট ফুট।

সংগঠনের উপদেষ্টা ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইব্রাহীম খলিল আল হায়দার বলেন, “বার্মিজ পাইথন আমাদের অঞ্চলের আদি সাপ। এটি বিষহীন এবং মানুষের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তবে মাঝেমধ্যে লোকালয়ে ঢুকে হাঁস-মুরগি বা মাছ খেয়ে ফেলে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই সাপের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

উদ্ধার করার পর সাপটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটবর্তী গহীন পাহাড়ে অবমুক্ত করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে অবমুক্ত করার সুনির্দিষ্ট স্থানটি প্রকাশ করেনি সংগঠনটি। উল্লেখ্য যে, চলতি মাসের ১০ ও ১২ এপ্রিল চবি ক্যাম্পাস এলাকা থেকে দুটি বিশালাকার ‘কিং কোবরা’ বা রাজগোখরা উদ্ধার করা হয়েছিল। ঘন বন ও পাহাড়বেষ্টিত ক্যাম্পাস হওয়ায় প্রায়শই এই এলাকায় বন্যপ্রাণীর আনাগোনা দেখা যায়।