ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

ইরানের ওপর বড় হামলার ছক ইসরায়েলের: যুক্তরাষ্ট্রের ‘সবুজ সংকেতের’ অপেক্ষা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৬:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 135

ছবি সংগৃহীত

 

ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ তেহরানকে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী বর্তমানে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ‘সবুজ সংকেত’ পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
তেল আবিবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক পর্যালোচনা বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন। বিশ্লেষকদের মতে, কাৎজের এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার পারদকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

বৈঠকে ইসরায়েলি সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ ইয়াল জামির ও সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ‘আমান’-এর প্রধানসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, সম্ভাব্য যেকোনো হামলার প্রাথমিক লক্ষ্য হবে ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া।
তার ব্যবহৃত কঠোর শব্দসমূহ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এই অভিযানের সামরিক ও রাজনৈতিক ফলাফল হবে অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। ইসরায়েলি বাহিনী বর্তমানে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো রক্ষণাত্মক বা আক্রমণাত্মক পরিস্থিতির জন্য তারা পূর্ণ প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

আরও পড়ুন  যুদ্ধসহ যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে বার্তায় আব্বাস আরাগচি

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের দাবি, হরমুজ প্রণালি এবং ইসরায়েলের উত্তর ফ্রন্টের মতো সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে যখন অস্থিরতা বিরাজ করছে, তখন এ ধরনের বার্তা মূলত তেহরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টির কৌশল।
কাৎজ তার বক্তব্যে ইরানের নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে সরাসরি মন্তব্য করেছেন, যা কূটনৈতিক শিষ্টাচারের বাইরে গিয়ে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের ইঙ্গিত দেয়। ওয়াশিংটনের সঙ্গে চূড়ান্ত সমন্বয় সাপেক্ষে সব ধরনের সামরিক পথ খোলা রাখা হয়েছে বলে তিনি পুনরায় নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের এমন কঠোর অবস্থানকে যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টার পরিপন্থী হিসেবে দেখছেন অনেক বিশ্লেষক। তথ্যসূত্র অনুযায়ী, ইসরায়েল এই মুহূর্তে কেবল সময় ও সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সম্মতি পেলেই তারা বড় ধরনের সামরিক অভিযানে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের ওপর বড় হামলার ছক ইসরায়েলের: যুক্তরাষ্ট্রের ‘সবুজ সংকেতের’ অপেক্ষা

আপডেট সময় ১২:২৬:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

 

ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ তেহরানকে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী বর্তমানে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ‘সবুজ সংকেত’ পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
তেল আবিবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক পর্যালোচনা বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন। বিশ্লেষকদের মতে, কাৎজের এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার পারদকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

বৈঠকে ইসরায়েলি সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ ইয়াল জামির ও সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ‘আমান’-এর প্রধানসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, সম্ভাব্য যেকোনো হামলার প্রাথমিক লক্ষ্য হবে ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া।
তার ব্যবহৃত কঠোর শব্দসমূহ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এই অভিযানের সামরিক ও রাজনৈতিক ফলাফল হবে অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। ইসরায়েলি বাহিনী বর্তমানে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো রক্ষণাত্মক বা আক্রমণাত্মক পরিস্থিতির জন্য তারা পূর্ণ প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

আরও পড়ুন  পারমাণবিক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব, তেহরানের ‘অবিশ্বাস’ স্পষ্ট

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের দাবি, হরমুজ প্রণালি এবং ইসরায়েলের উত্তর ফ্রন্টের মতো সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে যখন অস্থিরতা বিরাজ করছে, তখন এ ধরনের বার্তা মূলত তেহরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টির কৌশল।
কাৎজ তার বক্তব্যে ইরানের নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে সরাসরি মন্তব্য করেছেন, যা কূটনৈতিক শিষ্টাচারের বাইরে গিয়ে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের ইঙ্গিত দেয়। ওয়াশিংটনের সঙ্গে চূড়ান্ত সমন্বয় সাপেক্ষে সব ধরনের সামরিক পথ খোলা রাখা হয়েছে বলে তিনি পুনরায় নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের এমন কঠোর অবস্থানকে যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টার পরিপন্থী হিসেবে দেখছেন অনেক বিশ্লেষক। তথ্যসূত্র অনুযায়ী, ইসরায়েল এই মুহূর্তে কেবল সময় ও সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সম্মতি পেলেই তারা বড় ধরনের সামরিক অভিযানে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।