ঢাকা ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

কৃষিতে নতুন দিগন্ত: উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রণোদনা ও প্রযুক্তিতে জোর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৩১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • / 166

ছবি: সংগৃহীত

দেশের অর্থনীতিতে কৃষিকে প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে; কৃষিকে কেন্দ্র করে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন চলছে; সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিতের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে কৃষিপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে জোর দেওয়া হচ্ছে; বিশেষ করে আলু, আম, শসা ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য রপ্তানির বিষয়ে নতুন করে আলোচনা চলছে; কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, সার ও বীজ সরবরাহ বাড়াতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তায় মাঠ পর্যায়ে প্রণোদনা কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে; জামালপুরসহ বিভিন্ন জেলায় হাজার হাজার কৃষককে আউশ ধানের বীজ ও সার দেওয়া হচ্ছে; এতে উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি কৃষকদের খরচ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের শুল্ক নীতিতে ৩৪ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি, ক্ষতির মুখে বিশ্ব অর্থনীতি

তবে কৃষি খাতে কিছু চ্যালেঞ্জও সামনে এসেছে; অকাল বৃষ্টিতে দেশের উত্তরাঞ্চলে আলুসহ রবি মৌসুমের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; এতে কৃষকদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে; অন্যদিকে আবাদি জমি কমে যাওয়াও একটি বড় উদ্বেগ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

এদিকে পার্বত্য অঞ্চলে নতুন কৃষি পদ্ধতির ব্যবহার শুরু হয়েছে; প্রচলিত জুম চাষের পরিবর্তে আধুনিক পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা চলছে; এতে পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই কৃষির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে; আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, কৃষকদের সরাসরি সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণ—এই তিনটি বিষয় নিশ্চিত করা গেলে দেশের কৃষি খাত আরও শক্তিশালী হবে; পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

কৃষিতে নতুন দিগন্ত: উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রণোদনা ও প্রযুক্তিতে জোর

আপডেট সময় ০৬:৩১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

দেশের অর্থনীতিতে কৃষিকে প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে; কৃষিকে কেন্দ্র করে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন চলছে; সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিতের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে কৃষিপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে জোর দেওয়া হচ্ছে; বিশেষ করে আলু, আম, শসা ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য রপ্তানির বিষয়ে নতুন করে আলোচনা চলছে; কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, সার ও বীজ সরবরাহ বাড়াতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তায় মাঠ পর্যায়ে প্রণোদনা কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে; জামালপুরসহ বিভিন্ন জেলায় হাজার হাজার কৃষককে আউশ ধানের বীজ ও সার দেওয়া হচ্ছে; এতে উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি কৃষকদের খরচ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  বছরের শুরুতে বাড়ল স্বর্ণের দাম, রুপার দাম অপরিবর্তিত 

তবে কৃষি খাতে কিছু চ্যালেঞ্জও সামনে এসেছে; অকাল বৃষ্টিতে দেশের উত্তরাঞ্চলে আলুসহ রবি মৌসুমের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; এতে কৃষকদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে; অন্যদিকে আবাদি জমি কমে যাওয়াও একটি বড় উদ্বেগ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

এদিকে পার্বত্য অঞ্চলে নতুন কৃষি পদ্ধতির ব্যবহার শুরু হয়েছে; প্রচলিত জুম চাষের পরিবর্তে আধুনিক পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা চলছে; এতে পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই কৃষির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে; আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, কৃষকদের সরাসরি সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণ—এই তিনটি বিষয় নিশ্চিত করা গেলে দেশের কৃষি খাত আরও শক্তিশালী হবে; পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও জরুরি।