ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

হাতিয়ার ইউএনও’র আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল: এআই প্রযুক্তির অপব্যবহারের দাবি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • / 265

ছবি সংগৃহীত

 

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিনের একটি কথিত আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার ঝড় ওঠে।
ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে নেটিজেনদের একাংশ প্রশ্ন তুললেও স্থানীয় চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গ্রুপগুলোতে এটি এখন টক অফ দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।

ঘটনার প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন ভিডিওটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও সাজানো বলে দাবি করেছেন। তার মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই বিভ্রান্তিকর ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে। ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তিনি দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে সচেতন মহল মনে করছেন, প্রযুক্তির অপব্যবহারের এই যুগে সঠিক তদন্ত ছাড়া কোনো কিছু প্রচার করা উচিত নয়। প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চললেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা আসেনি।

আরও পড়ুন  মার্কিন–চীন প্রযুক্তি যুদ্ধ: সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত ইউরোপ

নিউজটি শেয়ার করুন

হাতিয়ার ইউএনও’র আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল: এআই প্রযুক্তির অপব্যবহারের দাবি

আপডেট সময় ০২:০৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

 

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিনের একটি কথিত আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার ঝড় ওঠে।
ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে নেটিজেনদের একাংশ প্রশ্ন তুললেও স্থানীয় চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গ্রুপগুলোতে এটি এখন টক অফ দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।

ঘটনার প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন ভিডিওটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও সাজানো বলে দাবি করেছেন। তার মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই বিভ্রান্তিকর ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে। ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তিনি দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে সচেতন মহল মনে করছেন, প্রযুক্তির অপব্যবহারের এই যুগে সঠিক তদন্ত ছাড়া কোনো কিছু প্রচার করা উচিত নয়। প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চললেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা আসেনি।

আরও পড়ুন  ভাষা ও প্রযুক্তি: বাংলার আন্তর্জাতিকীকরণে নতুন দিগন্ত