ইরানি অর্থনীতির লাইফলাইন খার্গ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
- আপডেট সময় ০২:৫২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
- / 27
ইরানের খার্গ দ্বীপে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, খার্গ দ্বীপের সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তবে সেখানকার তেল অবকাঠামোর কোনো ক্ষতি করা হয়নি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুক্রবার (১৩ মার্চ) ঘোষণা করেছেন, যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধির মুখে এবং জ্বালানি প্রবাহে বাধার কারণে সৃষ্ট গভীর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেই দেশটির সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী ইরানের খারগ দ্বীপের সামরিক স্থাপনাগুলোতে বোমা হামলা চালিয়েছে।
তবে ট্রাম্প এও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত ইরানের তেল অবকাঠামোগুলোতে আঘাত করা এড়িয়ে চলেছে।
বিবিসির মাইকি কে খার্গ দ্বীপ নিয়ে একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, ইরানের অর্থনীতির ‘হৃৎপিণ্ড’ বা ‘লাইফলাইন’ হিসেবে পরিচিত খার্গ দ্বীপ। এ ভূখণ্ডেই রয়েছে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রধান বন্দর ও সবচেয়ে বড় নৌপথ; যেটি মূলত তেল ও গ্যাস পরিবহণের জন্য ব্যবহার হয়।
ইরান থেকে রপ্তানি হওয়া অশোধিত তেলের ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে যায়। এটি মূলত একটি টার্মিনাল, যেখানে খুব বড় বড় ট্যাঙ্কার নোঙর করতে পারে এবং এখান থেকেই তেল চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে যায়।
এই দ্বীপটি ইরানের ইসলামিক রিভল্যুশনারি গার্ডের অর্থনৈতিক লাইফলাইন। এটি দখল করতে পারলে তাদের যুদ্ধ করার সক্ষমতা ব্যাপকভাবে কমে যাবে বলে বিসিবির ব্যাখায় বলা হয়।
আমেরিকা এই দ্বীপ দখলের জন্য সামরিক সক্ষমতা ব্যবহারের বিভিন্ন পরিকল্পনা বা ‘কনসেপ্ট অফ অপারেশন’ তৈরি করছে। এতে শত্রু রাডার ধ্বংস করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সূত্রঃ বিবিসি

























