ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

যুদ্ধ থামাতে তৎপর চীন ও রাশিয়া, যুদ্ধবিরতির আলোচনা চলমান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / 202

ছবি সংগৃহীত

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রেক্ষাপটে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে একাধিক দেশ। যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্যে চীন ও রাশিয়া ইতোমধ্যে ইরান-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।

আল জাজিরা জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনা চললেও তেহরান কিছু ‘রেড লাইন’ নির্ধারণ করে দিয়েছে। ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদী বলেছেন, যুদ্ধবিরতির জন্য প্রথম শর্ত হলো ইরানের ওপর আর কোনো আগ্রাসন চালানো যাবে না।

তিনি জানান, যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নিয়ে চীন ও রাশিয়ার পাশাপাশি ফ্রান্স-সহ কয়েকটি দেশ ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এসব দেশ সংঘাত বন্ধে আলোচনা চালাচ্ছে।

আরও পড়ুন  ‎যুক্তরাষ্ট্র-ইরানকে সংলাপে ফেরার আহ্বান চীন ও পাকিস্তানের

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এখনো ইরানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালায়নি। এর মধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রও রয়েছে।

তবে মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউট-এর জ্যেষ্ঠ ফেলো রস হ্যারিসন মনে করেন, ট্রাম্পের বক্তব্য যুদ্ধের রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি অবকাঠামো ধ্বংস করে, তাহলে সাধারণ ইরানিদের সমর্থন পাওয়ার আশা বাস্তবসম্মত হবে না।

অন্যদিকে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ইসরায়েলের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা চলমান যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং সংঘাত থেকে বের হওয়ার সম্ভাব্য ‘এক্সিট র‍্যাম্প’ বা প্রস্থান পথ খুঁজছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে তেল ও গ্যাসের দাম দ্রুত বাড়ছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিকে বড় ধরনের সংকটে ফেলতে পারে।

তবে যুদ্ধের চূড়ান্ত পরিণতি বা ‘এন্ডগেম’ এখনো স্পষ্ট নয়। অনেকের মতে, যুদ্ধ বন্ধ হবে কি না—সে সিদ্ধান্ত অনেকটাই নির্ভর করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুদ্ধ থামাতে তৎপর চীন ও রাশিয়া, যুদ্ধবিরতির আলোচনা চলমান

আপডেট সময় ০১:২৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রেক্ষাপটে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে একাধিক দেশ। যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্যে চীন ও রাশিয়া ইতোমধ্যে ইরান-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।

আল জাজিরা জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনা চললেও তেহরান কিছু ‘রেড লাইন’ নির্ধারণ করে দিয়েছে। ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদী বলেছেন, যুদ্ধবিরতির জন্য প্রথম শর্ত হলো ইরানের ওপর আর কোনো আগ্রাসন চালানো যাবে না।

তিনি জানান, যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নিয়ে চীন ও রাশিয়ার পাশাপাশি ফ্রান্স-সহ কয়েকটি দেশ ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এসব দেশ সংঘাত বন্ধে আলোচনা চালাচ্ছে।

আরও পড়ুন  ইরান চুক্তি করতে মরিয়া, দাবি ট্রাম্পের

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এখনো ইরানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালায়নি। এর মধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রও রয়েছে।

তবে মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউট-এর জ্যেষ্ঠ ফেলো রস হ্যারিসন মনে করেন, ট্রাম্পের বক্তব্য যুদ্ধের রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি অবকাঠামো ধ্বংস করে, তাহলে সাধারণ ইরানিদের সমর্থন পাওয়ার আশা বাস্তবসম্মত হবে না।

অন্যদিকে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ইসরায়েলের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা চলমান যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং সংঘাত থেকে বের হওয়ার সম্ভাব্য ‘এক্সিট র‍্যাম্প’ বা প্রস্থান পথ খুঁজছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে তেল ও গ্যাসের দাম দ্রুত বাড়ছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিকে বড় ধরনের সংকটে ফেলতে পারে।

তবে যুদ্ধের চূড়ান্ত পরিণতি বা ‘এন্ডগেম’ এখনো স্পষ্ট নয়। অনেকের মতে, যুদ্ধ বন্ধ হবে কি না—সে সিদ্ধান্ত অনেকটাই নির্ভর করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর।