১২:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান: কাল রাজধানীতে যান চলাচলে ডিএমপির বিশেষ নির্দেশনা রমজানে সাধারণের স্বস্তি: কাল থেকে টিসিবির ট্রাকে মিলবে ছোলা ও খেজুর সৌদিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: প্রাণ হারালেন একই পরিবারের ৪ জনসহ ৫ বাংলাদেশি ওমারজাইয়ের অলরাউন্ড দাপট: আমিরাতকে হারিয়ে প্রথম জয় আফগানদের ছায়া মন্ত্রিসভা ঘোষণাকে ইতিবাচক বলল বিএনপি মালয়েশিয়া নেওয়ার প্রলোভনে গুদামে বন্দি: টেকনাফে নারী-শিশুসহ ১৫ জন উদ্ধার ‘জুলাই সনদ’-এ স্বাক্ষর করছে এনসিপি: সন্ধ্যায় যমুনায় যাচ্ছেন নাহিদরা সংসদ সদস্য থেকে সংস্কার পরিষদ: মঙ্গলবার দুই শপথ শপথের পর সংসদীয় দলের সভা ডেকেছে বিএনপি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মালয়েশিয়া নেওয়ার প্রলোভনে গুদামে বন্দি: টেকনাফে নারী-শিশুসহ ১৫ জন উদ্ধার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 18

ছবি: সংগৃহীত

সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে একটি বসতঘরের গুদামে বন্দি করে রাখা নারী ও শিশুসহ ১৫ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড ও র‍্যাব। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
উদ্ধারকৃতদের মধ্যে পুরুষ, নারী ও শিশু রয়েছে, যাদের কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

কোস্ট গার্ড জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে বাহারছড়া কচ্ছপিয়া এলাকার চিহ্নিত মানবপাচারকারী মো. আব্দুল আলীর বাড়িতে বেশ কিছু মানুষকে পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখা হয়েছে। তথ্যের ভিত্তিতে গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কোস্ট গার্ড ও র‍্যাবের একটি যৌথ দল ওই বাড়িতে অভিযান চালায়।
অভিযান চলাকালীন পাচারকারী আব্দুল আলীর বসতঘরের একটি অন্ধকার গুদাম থেকে বন্দি অবস্থায় ১৫ জনকে উদ্ধার করা হয়। তবে যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে মূল হোতাসহ পাচারকারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উদ্ধারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্রটি তাদের উন্নত জীবনযাপন, উচ্চ বেতনে চাকরি এবং নামমাত্র খরচে বিদেশ যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়েছিল। কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা নাগরিকদের টার্গেট করে এই চক্রটি সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের পরিকল্পনা করছিল। পাচারের আগে তাদের এই গুদামে জড়ো করে রাখা হয়েছিল।

কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, “মানবপাচার রোধে এবং সাগরপথে এই মরণযাত্রা থামাতে কোস্ট গার্ডের নজরদারি ও অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

মালয়েশিয়া নেওয়ার প্রলোভনে গুদামে বন্দি: টেকনাফে নারী-শিশুসহ ১৫ জন উদ্ধার

আপডেট সময় ০৪:৫৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে একটি বসতঘরের গুদামে বন্দি করে রাখা নারী ও শিশুসহ ১৫ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড ও র‍্যাব। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
উদ্ধারকৃতদের মধ্যে পুরুষ, নারী ও শিশু রয়েছে, যাদের কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

কোস্ট গার্ড জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে বাহারছড়া কচ্ছপিয়া এলাকার চিহ্নিত মানবপাচারকারী মো. আব্দুল আলীর বাড়িতে বেশ কিছু মানুষকে পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখা হয়েছে। তথ্যের ভিত্তিতে গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কোস্ট গার্ড ও র‍্যাবের একটি যৌথ দল ওই বাড়িতে অভিযান চালায়।
অভিযান চলাকালীন পাচারকারী আব্দুল আলীর বসতঘরের একটি অন্ধকার গুদাম থেকে বন্দি অবস্থায় ১৫ জনকে উদ্ধার করা হয়। তবে যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে মূল হোতাসহ পাচারকারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উদ্ধারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্রটি তাদের উন্নত জীবনযাপন, উচ্চ বেতনে চাকরি এবং নামমাত্র খরচে বিদেশ যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়েছিল। কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা নাগরিকদের টার্গেট করে এই চক্রটি সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের পরিকল্পনা করছিল। পাচারের আগে তাদের এই গুদামে জড়ো করে রাখা হয়েছিল।

কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, “মানবপাচার রোধে এবং সাগরপথে এই মরণযাত্রা থামাতে কোস্ট গার্ডের নজরদারি ও অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।”