০২:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
ব্যাংক মার্জার: ‘শূন্য’ হওয়া শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিলেন অর্থ উপদেষ্টা গৃহকর্মী নির্যাতন : বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের রিমান্ড স্বচ্ছতার নজির: সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা সারাদেশে ৫ দিন ড্রোন ওড়ানো নিষিদ্ধ বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান লড়াই, আফ্রিদির মতে ‘ক্রিকেটের জয়’ পঞ্চগড়ে সারজিসকে সমর্থন দিলো ইসলামী আন্দোলন নির্বাচনের দিন সহিংসতা হলে, ওই দিন বুঝবেন প্রশাসনের কী প্রস্তুতি আছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা রোনালদো বিদায় নিলেই সৌদি লিগ দর্শকশূন্য হয়ে পড়বে-ক্রুস শহীদ ওসমান হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাটের দলিল–চাবি হস্তান্তর করলেন প্রধান উপদেষ্টা জামায়াত সেক্রেটারীর পা ভেঙে দিলেন বিএনপি কর্মী

নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে: ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 25

ছবি সংগৃহীত

 

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান।

ইভার্স ইজাবস বলেন, সামগ্রিক নির্বাচনী পরিবেশ ইতিবাচক এবং এ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন একটি বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যক্ষ করার প্রত্যাশা করছে।

তার ভাষায়, গণতন্ত্র, রাজনৈতিক ক্ষমতার জবাবদিহিতা ও আইনের শাসনের মতো অভিন্ন নীতির ভিত্তিতেই বাংলাদেশে ইইউর পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান বলেন, মিশনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা বাহিনী, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। কিছু এলাকা তুলনামূলকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বলে তাদের ধারণা।

নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিয়ে তিনি বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যৌক্তিক বিষয়। নির্বাচনকে প্রকৃত অর্থে অংশগ্রহণমূলক করতে সব সম্প্রদায়, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী এবং বিশেষ করে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে ইভার্স ইজাবস বলেন, ইইউর দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চলে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। তারা প্রার্থী, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

তিনি বলেন, এসব পর্যবেক্ষণ ও আলোচনার ভিত্তিতে সামগ্রিক নির্বাচনী পরিবেশকে ইতিবাচক বলেই মনে হচ্ছে। অনেকেই এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন।

ইভার্স ইজাবস আরও জানান, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন শেষে প্রায় দুই মাস পর প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

তিনি বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব নিরপেক্ষ থাকা এবং কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় জড়িত না হওয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে: ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান

আপডেট সময় ১২:৫৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান।

ইভার্স ইজাবস বলেন, সামগ্রিক নির্বাচনী পরিবেশ ইতিবাচক এবং এ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন একটি বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যক্ষ করার প্রত্যাশা করছে।

তার ভাষায়, গণতন্ত্র, রাজনৈতিক ক্ষমতার জবাবদিহিতা ও আইনের শাসনের মতো অভিন্ন নীতির ভিত্তিতেই বাংলাদেশে ইইউর পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান বলেন, মিশনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা বাহিনী, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। কিছু এলাকা তুলনামূলকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বলে তাদের ধারণা।

নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিয়ে তিনি বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যৌক্তিক বিষয়। নির্বাচনকে প্রকৃত অর্থে অংশগ্রহণমূলক করতে সব সম্প্রদায়, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী এবং বিশেষ করে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে ইভার্স ইজাবস বলেন, ইইউর দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চলে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। তারা প্রার্থী, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

তিনি বলেন, এসব পর্যবেক্ষণ ও আলোচনার ভিত্তিতে সামগ্রিক নির্বাচনী পরিবেশকে ইতিবাচক বলেই মনে হচ্ছে। অনেকেই এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন।

ইভার্স ইজাবস আরও জানান, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন শেষে প্রায় দুই মাস পর প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

তিনি বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব নিরপেক্ষ থাকা এবং কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় জড়িত না হওয়া।