ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে: ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 2533

ছবি সংগৃহীত

 

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান।

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে, কীভাবে হবে

ইভার্স ইজাবস বলেন, সামগ্রিক নির্বাচনী পরিবেশ ইতিবাচক এবং এ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন একটি বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যক্ষ করার প্রত্যাশা করছে।

তার ভাষায়, গণতন্ত্র, রাজনৈতিক ক্ষমতার জবাবদিহিতা ও আইনের শাসনের মতো অভিন্ন নীতির ভিত্তিতেই বাংলাদেশে ইইউর পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান বলেন, মিশনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা বাহিনী, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। কিছু এলাকা তুলনামূলকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বলে তাদের ধারণা।

নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিয়ে তিনি বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যৌক্তিক বিষয়। নির্বাচনকে প্রকৃত অর্থে অংশগ্রহণমূলক করতে সব সম্প্রদায়, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী এবং বিশেষ করে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে ইভার্স ইজাবস বলেন, ইইউর দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চলে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। তারা প্রার্থী, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

তিনি বলেন, এসব পর্যবেক্ষণ ও আলোচনার ভিত্তিতে সামগ্রিক নির্বাচনী পরিবেশকে ইতিবাচক বলেই মনে হচ্ছে। অনেকেই এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন।

ইভার্স ইজাবস আরও জানান, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন শেষে প্রায় দুই মাস পর প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

তিনি বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব নিরপেক্ষ থাকা এবং কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় জড়িত না হওয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে: ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান

আপডেট সময় ১২:৫৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান।

আরও পড়ুন  শুধু ভোটের হার নয়, অন্তর্ভুক্তিই আসল: ইইউ পর্যবেক্ষক দলের মন্তব্য

ইভার্স ইজাবস বলেন, সামগ্রিক নির্বাচনী পরিবেশ ইতিবাচক এবং এ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন একটি বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যক্ষ করার প্রত্যাশা করছে।

তার ভাষায়, গণতন্ত্র, রাজনৈতিক ক্ষমতার জবাবদিহিতা ও আইনের শাসনের মতো অভিন্ন নীতির ভিত্তিতেই বাংলাদেশে ইইউর পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান বলেন, মিশনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা বাহিনী, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। কিছু এলাকা তুলনামূলকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বলে তাদের ধারণা।

নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিয়ে তিনি বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যৌক্তিক বিষয়। নির্বাচনকে প্রকৃত অর্থে অংশগ্রহণমূলক করতে সব সম্প্রদায়, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী এবং বিশেষ করে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে ইভার্স ইজাবস বলেন, ইইউর দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চলে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। তারা প্রার্থী, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।

তিনি বলেন, এসব পর্যবেক্ষণ ও আলোচনার ভিত্তিতে সামগ্রিক নির্বাচনী পরিবেশকে ইতিবাচক বলেই মনে হচ্ছে। অনেকেই এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন।

ইভার্স ইজাবস আরও জানান, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন শেষে প্রায় দুই মাস পর প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

তিনি বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব নিরপেক্ষ থাকা এবং কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় জড়িত না হওয়া।