‘খালি পেটে “ঘি” শরিরের নয়া দাওয়াই’
- আপডেট সময় ১২:০২:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
- / 92
ব্যস্ত জীবনযাত্রা এবং অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে বর্তমান সময়ে গ্যাস্ট্রিক ও হজমের সমস্যায় ভোগেন না এমন মানুষ মেলা ভার। এই সমস্যা সমাধানে আধুনিক পুষ্টিবিদ ও আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা একটি প্রাচীন ঘরোয়া টোটকার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন— প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক চামচ ঘি। চিকিৎসকদের মতে, ঘি কেবল স্বাদের জন্যই নয়, বরং এটি শরীরের জন্য একটি ‘সুপারফুড’ হিসেবে কাজ করে।
সকালে খালি পেটে ঘি খাওয়ার কিছু উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্যগুণ নিচে আলোচনা করা হলো:
হজম প্রক্রিয়া ও পেটের স্বাস্থ্য
সকালে খালি পেটে ঘি খেলে হজমে সহায়তাকারী এনজাইমগুলোর নিঃসরণ বাড়ে। এতে থাকা বিউটিরিক অ্যাসিড পরিপাকতন্ত্রের ক্ষমতা বাড়ায় এবং অন্ত্রের গতিশীলতা বৃদ্ধি করে কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাস-অম্বলের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ ও এনার্জি
ঘিতে থাকা মাঝারি চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড (MCFAs) দ্রুত শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে এবং শরীরের বিপাক প্রক্রিয়াকে (Metabolism) সক্রিয় রাখে। তবে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ঘি পানের পাশাপাশি সুষম খাদ্য ও নিয়মিত ব্যায়াম অপরিহার্য।
ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা
ঘি শরীরকে ভেতর থেকে আর্দ্র বা হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে। এতে বিদ্যমান ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে ত্বককে মসৃণ করে এবং চুলের গোড়ায় পুষ্টি জুগিয়ে চুলকে নরম ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তোলে। এটি খুশকি এবং ত্বকের চুলকানি কমাতেও বেশ কার্যকর।
জয়েন্ট ও হাড়ের সুরক্ষা
ঘি ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন ডি-এর একটি চমৎকার উৎস। এটি অস্থিসন্ধি বা জয়েন্টের লুব্রিকেশন উন্নত করে নমনীয়তা বজায় রাখে এবং হাড়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করে। বয়স্কদের জয়েন্টের ব্যথা কমাতে এটি দারুণ কাজ করে।
মস্তিষ্ক ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
মস্তিষ্কের কোষের স্বাভাবিক কার্যকারিতার জন্য স্বাস্থ্যকর ফ্যাট প্রয়োজন। ঘি মস্তিষ্কের পুষ্টি জুগিয়ে স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধি করে। এছাড়া এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

























