ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন জনপ্রিয় টকশো উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী সার্বিয়া—বলকানের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আধুনিক পরিবর্তনের দেশ কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর সীমান্তে বিএসএফের একাধিক পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ নতুন সদস্যের আগমনের সুখবর দিলেন বুবলী বাংলাদেশে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় তুরস্ককে যৌথ প্রস্তাব ভারতে ১৫টি মসজিদ সিলগালা করল রাজ্য সরকার দৌলতদিয়া ঘাটে নদীতে পড়া বাস উদ্ধার, প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ গেল মা-ছেলেসহ ৩ জনের ট্রাম্পের গালাগাল নিয়ে যা বললেন নেতানিয়াহু রাজধানীর মিরপুরের পূরবী সুপার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস

জাতিসংঘ মানবাধিকার রক্ষায় কার্যকর ভাবে কাজ করতে চায় : ফরিদা আখতার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫
  • / 372

ছবি সংগৃহীত

 

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, জাতিসংঘ মানবাধিকার রক্ষায় কার্যকর ভাবে কাজ করতে চায় । এর এই কারণেই তারা মানবাধিকার অফিস স্থাপন করতে চায়। তাদের মানবাধিকার অফিস স্থাপন মানে খারাপ কিছু নয়। এটা এই বার্তা দেয় না যে বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি খারাপ।

রবিবার (২৭ জুলাই) সাভারের গণস্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচএ ভবনে আয়োজিত ‘জুলাই স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা’য় অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফরিদা আখতার বলেন, “জাতিসংঘের অফিস থাকলে সেটা একটি স্বচ্ছতার জায়গা তৈরি করে। কে ক্ষমতায় আছে বা আসবে—সেটা মুখ্য নয়, বরং আমরা সরকার হিসেবে মানবাধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা চাই সব নাগরিকের অধিকার সংরক্ষিত হোক।”

তিনি আরও বলেন, “বিগত সরকারগুলোর আমলে আমরা দেখেছি কিভাবে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। সেই সময় জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো প্রতিবেদন করেছে, দলিলভিত্তিক প্রমাণ সংগ্রহ করেছে। যার ফলে সেসব সরকারের স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রমাণিত হয়েছে।”
বর্তমান সরকারের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার কারও প্রতি অহেতুক কঠোর হতে চায় না। কখনও কখনও যখন পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে নিরাপত্তা বাহিনী অতিরিক্ত কিছু করে ফেলে, তখনও আমরা চেষ্টা করি সহনশীল আচরণ বজায় রাখতে।”
“সমাজে জনরোষ বা মবের ঘটনা বাড়ার পেছনে নানা কারণ থাকে। এসব কারণ চিহ্নিত করে প্রতিকার করা গেলে সেসব ঘটনা কমবে। সরকার কোনো অবস্থায় অপ্রয়োজনীয় দমনমূলক নীতি গ্রহণে আগ্রহী নয়,”—যোগ করেন তিনি।
মানবাধিকার বিষয়ে জাতিসংঘের কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, “জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর থাকলে আমাদের জবাবদিহিতা আরও বাড়বে, এটা খারাপ কিছু নয়। এতে করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের অগ্রগতি তুলে ধরাও সহজ হবে।”

আলোচনা সভায় গণবিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্মৃতিচারণ করেন বিভিন্ন বক্তা। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

 

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতিসংঘ মানবাধিকার রক্ষায় কার্যকর ভাবে কাজ করতে চায় : ফরিদা আখতার

আপডেট সময় ০৫:৩৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

 

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, জাতিসংঘ মানবাধিকার রক্ষায় কার্যকর ভাবে কাজ করতে চায় । এর এই কারণেই তারা মানবাধিকার অফিস স্থাপন করতে চায়। তাদের মানবাধিকার অফিস স্থাপন মানে খারাপ কিছু নয়। এটা এই বার্তা দেয় না যে বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি খারাপ।

রবিবার (২৭ জুলাই) সাভারের গণস্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচএ ভবনে আয়োজিত ‘জুলাই স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা’য় অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফরিদা আখতার বলেন, “জাতিসংঘের অফিস থাকলে সেটা একটি স্বচ্ছতার জায়গা তৈরি করে। কে ক্ষমতায় আছে বা আসবে—সেটা মুখ্য নয়, বরং আমরা সরকার হিসেবে মানবাধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা চাই সব নাগরিকের অধিকার সংরক্ষিত হোক।”

তিনি আরও বলেন, “বিগত সরকারগুলোর আমলে আমরা দেখেছি কিভাবে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। সেই সময় জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো প্রতিবেদন করেছে, দলিলভিত্তিক প্রমাণ সংগ্রহ করেছে। যার ফলে সেসব সরকারের স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রমাণিত হয়েছে।”
বর্তমান সরকারের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার কারও প্রতি অহেতুক কঠোর হতে চায় না। কখনও কখনও যখন পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে নিরাপত্তা বাহিনী অতিরিক্ত কিছু করে ফেলে, তখনও আমরা চেষ্টা করি সহনশীল আচরণ বজায় রাখতে।”
“সমাজে জনরোষ বা মবের ঘটনা বাড়ার পেছনে নানা কারণ থাকে। এসব কারণ চিহ্নিত করে প্রতিকার করা গেলে সেসব ঘটনা কমবে। সরকার কোনো অবস্থায় অপ্রয়োজনীয় দমনমূলক নীতি গ্রহণে আগ্রহী নয়,”—যোগ করেন তিনি।
মানবাধিকার বিষয়ে জাতিসংঘের কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, “জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর থাকলে আমাদের জবাবদিহিতা আরও বাড়বে, এটা খারাপ কিছু নয়। এতে করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের অগ্রগতি তুলে ধরাও সহজ হবে।”

আলোচনা সভায় গণবিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্মৃতিচারণ করেন বিভিন্ন বক্তা। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।