০১:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন

গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশস্থলে হামলা ও ভাঙচুর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৩:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • / 98

ছবি সংগৃহীত

 

গোপালগঞ্জ পৌর পার্কে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পূর্বনির্ধারিত সমাবেশস্থলে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। আজ বুধবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে পার্কের উন্মুক্ত মঞ্চে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় এনসিপি নেতাদের অভিযোগ, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের স্থগিত কার্যক্রমে থাকা নেতাকর্মীরা এ হামলার সঙ্গে জড়িত।

ঘটনার সময় মঞ্চে থাকা সাউন্ড সিস্টেম, মাইক, চেয়ারসহ অন্যান্য সামগ্রী ভাঙচুর করা হয়। এ ছাড়া উপস্থিত এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপরও হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

চোখের সামনে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয়রা জানান, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের একটি দল লাঠিসোঁটা নিয়ে পার্কের বিভিন্ন সড়ক থেকে এসে হঠাৎ হামলা চালায়। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণের শব্দও শোনা গেছে বলে তারা জানান।

জানা গেছে, বিকেল ৪টায় গোপালগঞ্জ পৌর পার্কে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙচুর ও হামলার এ ঘটনা ঘটে। এনসিপির দাবি, তারা নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সমাবেশ আয়োজন করছিল।

এর আগে একইদিন পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার ও ইউএনওর গাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ নামে মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করছে। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ গোপালগঞ্জে পদযাত্রার আয়োজন করে দলটি। গতকাল মঙ্গলবার এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘১৬ জুলাই: মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ শিরোনামে কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এনসিপির নেতাকর্মীরা গোপালগঞ্জে পৌঁছেছেন। এনসিপির ফেসবুক পেজে সরাসরি সম্প্রচারে তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান বলেন, “আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। ছয় শতাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।”

ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশস্থলে হামলা ও ভাঙচুর

আপডেট সময় ০৪:২৩:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

 

গোপালগঞ্জ পৌর পার্কে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পূর্বনির্ধারিত সমাবেশস্থলে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। আজ বুধবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে পার্কের উন্মুক্ত মঞ্চে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় এনসিপি নেতাদের অভিযোগ, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের স্থগিত কার্যক্রমে থাকা নেতাকর্মীরা এ হামলার সঙ্গে জড়িত।

ঘটনার সময় মঞ্চে থাকা সাউন্ড সিস্টেম, মাইক, চেয়ারসহ অন্যান্য সামগ্রী ভাঙচুর করা হয়। এ ছাড়া উপস্থিত এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপরও হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

চোখের সামনে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয়রা জানান, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের একটি দল লাঠিসোঁটা নিয়ে পার্কের বিভিন্ন সড়ক থেকে এসে হঠাৎ হামলা চালায়। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণের শব্দও শোনা গেছে বলে তারা জানান।

জানা গেছে, বিকেল ৪টায় গোপালগঞ্জ পৌর পার্কে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙচুর ও হামলার এ ঘটনা ঘটে। এনসিপির দাবি, তারা নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সমাবেশ আয়োজন করছিল।

এর আগে একইদিন পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার ও ইউএনওর গাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ নামে মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করছে। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ গোপালগঞ্জে পদযাত্রার আয়োজন করে দলটি। গতকাল মঙ্গলবার এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘১৬ জুলাই: মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ শিরোনামে কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এনসিপির নেতাকর্মীরা গোপালগঞ্জে পৌঁছেছেন। এনসিপির ফেসবুক পেজে সরাসরি সম্প্রচারে তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান বলেন, “আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। ছয় শতাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।”

ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।