ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন পুকুরে মিলল দুই ভাইয়ের নিথর দেহ

সংখ্যাগরিষ্ঠ দল ও জোট দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠায় একমত হয়েছে: আলী রীয়াজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৩৭:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • / 1709

ছবি: সংগৃহীত

 

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় দফার ১৪তম দিনের আলোচনা মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত হয় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে। আলোচনা শেষে কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ সাংবাদিকদের জানান, সংখ্যাগরিষ্ঠ দল ও জোট দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠায় একমত হয়েছে, তবে গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত অগ্রগতি হয়নি।

আলী রীয়াজ বলেন, ‘দলগুলোর সঙ্গে একাধিক দিন আলোচনা হলেও গঠন পদ্ধতির বিষয়ে কোনো ঐকমত্য আসেনি। এ কারণে দলগুলো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দায়িত্ব কমিশনের ওপর অর্পণ করেছে। কমিশন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে এবং দলগুলোর সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের মাধ্যমে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই এ বিষয়ে মতামত জানাতে পারবে বলে আশা করছি।’

আরও পড়ুন  রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে সংশোধনী প্রস্তাব আনছে ঐকমত্য কমিশন: আলী রীয়াজ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গে আলী রীয়াজ জানান, ‘সংবিধানের প্রস্তাবনা, অনুচ্ছেদ ৮, ৪৮, ৫৬, ১৪২ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার সম্পর্কিত ধারাসমূহ সংশোধনের ক্ষেত্রে গণভোটের প্রয়োজন রয়েছে—এ বিষয়ে সব দল একমত হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে দলগুলোর মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই। এটি একটি বড় অগ্রগতি।’

কমিশনের ব্যর্থতার কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে সহ-সভাপতি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা কে হবেন এবং কোন প্রক্রিয়ায় নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে আমরা একটি প্রস্তাবনায় উপনীত হতে পারবো বলে মনে করি। আশা করছি, আগামী সপ্তাহেই এ বিষয়ে একটা গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত আসবে।’

দীর্ঘ আলোচনার পরও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কিছু বিষয়ে মতানৈক্য থাকলেও কমিশন বিষয়গুলো নিরসনে সক্রিয় রয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে একটি সম্মিলিত ও গ্রহণযোগ্য প্রস্তাবনার দিকে এগিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন কমিশনের নেতারা।

এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জরুরি। তাই কমিশনের আসন্ন মতামত ও সুপারিশের দিকেই এখন নজর সকল মহলের।

নিউজটি শেয়ার করুন

সংখ্যাগরিষ্ঠ দল ও জোট দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠায় একমত হয়েছে: আলী রীয়াজ

আপডেট সময় ০৬:৩৭:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

 

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় দফার ১৪তম দিনের আলোচনা মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত হয় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে। আলোচনা শেষে কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ সাংবাদিকদের জানান, সংখ্যাগরিষ্ঠ দল ও জোট দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠায় একমত হয়েছে, তবে গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত অগ্রগতি হয়নি।

আলী রীয়াজ বলেন, ‘দলগুলোর সঙ্গে একাধিক দিন আলোচনা হলেও গঠন পদ্ধতির বিষয়ে কোনো ঐকমত্য আসেনি। এ কারণে দলগুলো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দায়িত্ব কমিশনের ওপর অর্পণ করেছে। কমিশন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে এবং দলগুলোর সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের মাধ্যমে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই এ বিষয়ে মতামত জানাতে পারবে বলে আশা করছি।’

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রে স্বচ্ছতা আনতে সব প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহির তাগিদ আলী রীয়াজের

তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গে আলী রীয়াজ জানান, ‘সংবিধানের প্রস্তাবনা, অনুচ্ছেদ ৮, ৪৮, ৫৬, ১৪২ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার সম্পর্কিত ধারাসমূহ সংশোধনের ক্ষেত্রে গণভোটের প্রয়োজন রয়েছে—এ বিষয়ে সব দল একমত হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে দলগুলোর মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই। এটি একটি বড় অগ্রগতি।’

কমিশনের ব্যর্থতার কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে সহ-সভাপতি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা কে হবেন এবং কোন প্রক্রিয়ায় নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে আমরা একটি প্রস্তাবনায় উপনীত হতে পারবো বলে মনে করি। আশা করছি, আগামী সপ্তাহেই এ বিষয়ে একটা গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত আসবে।’

দীর্ঘ আলোচনার পরও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কিছু বিষয়ে মতানৈক্য থাকলেও কমিশন বিষয়গুলো নিরসনে সক্রিয় রয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে একটি সম্মিলিত ও গ্রহণযোগ্য প্রস্তাবনার দিকে এগিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন কমিশনের নেতারা।

এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জরুরি। তাই কমিশনের আসন্ন মতামত ও সুপারিশের দিকেই এখন নজর সকল মহলের।