০৩:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
সাংবাদিকতার স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখতে আর্থিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্বনির্ভরতা জরুরি: শফিক রেহমান হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত

সুদানের খার্তুমে গোলাবর্ষণে নিহত ১২০, আহত বিপুলসংখ্যক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 130

ছবি সংগৃহীত

 

সুদানের রাজধানী খার্তুমের আশপাশে গোলাবর্ষণে অন্তত ১২০ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন। সোমবার এ হামলায় আহত হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। স্বেচ্ছাসেবী উদ্ধার সংস্থা ওম্বাদা ইমার্জেন্সি রেসপন্স রুম এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সংস্থাটি জানায়, খার্তুমের পাশের পশ্চিম ওমদুরমান শহরে নীল নদের তীরে বিক্ষিপ্ত গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটে। সেনাবাহিনী ও আধা-সামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর মধ্যে চলমান সংঘাতের জেরে এ প্রাণহানি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কারা এ হামলার পেছনে রয়েছে তা নির্দিষ্টভাবে বলা যায়নি।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, প্রতিদিনের মতোই এদিনও বোমা ও কামানের গোলার আঘাতে অনেক বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা চরম সংকটে পড়েছেন। হাসপাতালগুলোতে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

 

২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সেনাবাহিনী ও আরএসএফ-এর মধ্যে ক্ষমতা দখলের লড়াই শুরু হয়। বর্তমানে ওমদুরমানের বেশিরভাগ এলাকা সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকলেও খার্তুম উত্তর ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর দখল নিয়ে রেখেছে আরএসএফ।

নিউজটি শেয়ার করুন

সুদানের খার্তুমে গোলাবর্ষণে নিহত ১২০, আহত বিপুলসংখ্যক

আপডেট সময় ০১:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫

 

সুদানের রাজধানী খার্তুমের আশপাশে গোলাবর্ষণে অন্তত ১২০ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন। সোমবার এ হামলায় আহত হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। স্বেচ্ছাসেবী উদ্ধার সংস্থা ওম্বাদা ইমার্জেন্সি রেসপন্স রুম এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সংস্থাটি জানায়, খার্তুমের পাশের পশ্চিম ওমদুরমান শহরে নীল নদের তীরে বিক্ষিপ্ত গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটে। সেনাবাহিনী ও আধা-সামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর মধ্যে চলমান সংঘাতের জেরে এ প্রাণহানি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কারা এ হামলার পেছনে রয়েছে তা নির্দিষ্টভাবে বলা যায়নি।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, প্রতিদিনের মতোই এদিনও বোমা ও কামানের গোলার আঘাতে অনেক বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা চরম সংকটে পড়েছেন। হাসপাতালগুলোতে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

 

২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সেনাবাহিনী ও আরএসএফ-এর মধ্যে ক্ষমতা দখলের লড়াই শুরু হয়। বর্তমানে ওমদুরমানের বেশিরভাগ এলাকা সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকলেও খার্তুম উত্তর ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর দখল নিয়ে রেখেছে আরএসএফ।