ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালি থেকে দুটি জাহাজ জব্দ করল ইরান হাম ও উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু ক্রোয়েশিয়া সমুদ্র, ইতিহাস আর ইউরোপীয় সৌন্দর্যের দেশ আধুনিক কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সরকারের বিশেষ রোডম্যাপ দায়বদ্ধতাহীন ভালোবাসার নতুন নাম ‘ন্যানোশিপ’, বিশেষজ্ঞরা দিচ্ছেন সতর্কবার্তা ঢাকার ইতিহাসে প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম নেত্রকোনায় জমি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নারী নিহত, আহত অন্তত ৩০ ইন্টারনেট প্যাকেজের মেয়াদ নিয়ে গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় সক্রিয় সরকার; সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই থেকে শিক্ষার্থীদের মিলবে পাটের তৈরি স্কুলব্যাগ ও পোশাক যে ৭ পাম্পে ২৫% অতিরিক্ত অকটেন দিচ্ছে বিপিসি

সাতক্ষীরার কপোতাক্ষ নদের বেড়িবাঁধে ভাঙন আতঙ্কে ৭ গ্রামের মানুষ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৫:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫
  • / 320

ছবি: সংগৃহীত

 

সাতক্ষীরার কপোতাক্ষ নদের বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে স্থানীয় অধিবাসিদের মধ্যে। বিশেষ করে তালা উপজেলার ডুমুরিয়া, বালিয়া ও শাহজাতপুর এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল যে কোন মুহুর্ত্বে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। এদিকে খবর পেয়ে নবাগত তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপা রানী সরকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয়দের দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস প্রদান করেন।

সরেজমিন দেখা যায়, নদীর তীব্র স্রোতে তীরবর্তি বিশাল অংশ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে রয়েছে। বালিয়া ভাঙনকূল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের উদ্যোগে স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ রক্ষার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সমিতি থেকে ইতিমধ্যে এক লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, এটি অস্থায়ী সমাধান এবং চাহিদার তুলনায় অতি সামান্য, স্থায়ী বাঁধ সংস্কারে সরকারি অর্থ বরাদ্দ অত্যাবশ্যক।

আরও পড়ুন  সাতক্ষীরার ২০৩ কিমি সীমান্তে কড়া নজরদারি, বিজিবির টহলে নিরাপত্তা জোরদার

স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বলেন, জরুরি ভিত্তিতে বাঁধটি সংস্কার না করলে বর্ষা মৌসুমে ডুমুরিয়া, শাহজাতপুরসহ অন্তত: সাতটি গ্রাম পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে। ঘরবাড়ি ও ফসল রক্ষায় দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

খেশরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এস.এম. লিয়াকত হোসেন জানান, সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি এবং উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা একাধিকবার ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু এখনো কোনো সরকারি বরাদ্দ পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া বলেন, কপোতাক্ষ নদের যে বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে, সেটি এলজিইডির আওতাধীন। তাই পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষে সেখানে বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব নয়।

তালা উপজেলা প্রকৌশলী (প্রকৌশলী) রথীন্দ্র নাথ হালদার বলেন, বালিয়া ভাঙনকূল সমবায় সমিতির কাছে বাঁধটি ইতিমধ্যেই হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা প্রাথমিক মেরামতের কাজ শুরু করেছে।। পাশাপাশি এলজিইডির পক্ষ থেকেও বিষয়টি উচ্চপর্যায়ে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে দ্রুত সংস্কারের কাজ শুরু হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সাতক্ষীরার কপোতাক্ষ নদের বেড়িবাঁধে ভাঙন আতঙ্কে ৭ গ্রামের মানুষ

আপডেট সময় ০৪:২৫:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫

 

সাতক্ষীরার কপোতাক্ষ নদের বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে স্থানীয় অধিবাসিদের মধ্যে। বিশেষ করে তালা উপজেলার ডুমুরিয়া, বালিয়া ও শাহজাতপুর এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল যে কোন মুহুর্ত্বে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। এদিকে খবর পেয়ে নবাগত তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপা রানী সরকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয়দের দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস প্রদান করেন।

সরেজমিন দেখা যায়, নদীর তীব্র স্রোতে তীরবর্তি বিশাল অংশ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে রয়েছে। বালিয়া ভাঙনকূল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের উদ্যোগে স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ রক্ষার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সমিতি থেকে ইতিমধ্যে এক লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, এটি অস্থায়ী সমাধান এবং চাহিদার তুলনায় অতি সামান্য, স্থায়ী বাঁধ সংস্কারে সরকারি অর্থ বরাদ্দ অত্যাবশ্যক।

আরও পড়ুন  সাতক্ষীরায় পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা: রহস্যজনক মৃত্যু

স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বলেন, জরুরি ভিত্তিতে বাঁধটি সংস্কার না করলে বর্ষা মৌসুমে ডুমুরিয়া, শাহজাতপুরসহ অন্তত: সাতটি গ্রাম পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে। ঘরবাড়ি ও ফসল রক্ষায় দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

খেশরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এস.এম. লিয়াকত হোসেন জানান, সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি এবং উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা একাধিকবার ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু এখনো কোনো সরকারি বরাদ্দ পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া বলেন, কপোতাক্ষ নদের যে বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে, সেটি এলজিইডির আওতাধীন। তাই পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষে সেখানে বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব নয়।

তালা উপজেলা প্রকৌশলী (প্রকৌশলী) রথীন্দ্র নাথ হালদার বলেন, বালিয়া ভাঙনকূল সমবায় সমিতির কাছে বাঁধটি ইতিমধ্যেই হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা প্রাথমিক মেরামতের কাজ শুরু করেছে।। পাশাপাশি এলজিইডির পক্ষ থেকেও বিষয়টি উচ্চপর্যায়ে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে দ্রুত সংস্কারের কাজ শুরু হবে।