ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ঝিনাইদহে এসআই মিরাজুল হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৪:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
  • / 580

ছবি সংগৃহীত

 

ঝিনাইদহের ডাকবাংলো পুলিশ ক্যাম্পের সাবেক ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মিরাজুল ইসলাম হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহাবুব আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

ঝিনাইদহ আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আমজাদ হোসেনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি সাত আসামি পলাতক রয়েছেন।

আরও পড়ুন  ঝিনাইদহ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি যুবক নিহত

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন রাজবাড়ীর নিমতলা এলাকার আমজাদ হোসেন, লিয়াকত হোসেন, দক্ষিণ দৌলতদিয়ার আক্কাস আলী এবং ফরিদপুরের ভাটি লক্ষ্মীপুর গ্রামের আলম শেখ। এছাড়া যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন ফরিদপুরের শোভারামপুর গ্রামের শাহীন, গোয়ালচামট গ্রামের মোহাম্মদ সাগর, টাপাখোলা গ্রামের নুরু খাঁ এবং যশোরের শেখহাটি খাঁপাড়ার মনির হোসেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৩ আগস্ট রাতে ঝিনাইদহ শহরের বাস মালিক সমিতি অফিসের সামনে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সেখানে পৌঁছালে মোটরসাইকেলের আরোহীরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ দেখতে পায়, মোটরসাইকেলটি ছিল ডাকবাংলো পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মিরাজুল ইসলামের। কিন্তু তার ফোন বন্ধ থাকায় সন্দেহ তৈরি হয়।

পরবর্তীতে পুলিশ জানতে পারে, সেদিন সন্ধ্যায় ইফতার শেষে নিজের নামে ইস্যুকৃত পিস্তল, গুলি, ম্যাগাজিনসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থলে ফিরছিলেন মিরাজুল ইসলাম। পরদিন সকালে ভেটেরিনারি কলেজের পূর্ব পাশের একটি পানিভর্তি ডোবা থেকে তার হাত–পা বাঁধা মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় সদর থানায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে পুলিশ। মামলার এজাহারে বলা হয়, মিরাজুল ইসলামের কাছে থাকা অস্ত্র ও অন্যান্য সরকারি মালামাল ছিনিয়ে নিতে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২৮ জানুয়ারি পুলিশ ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঝিনাইদহে এসআই মিরাজুল হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৭:৩৪:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

 

ঝিনাইদহের ডাকবাংলো পুলিশ ক্যাম্পের সাবেক ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মিরাজুল ইসলাম হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহাবুব আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

ঝিনাইদহ আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আমজাদ হোসেনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি সাত আসামি পলাতক রয়েছেন।

আরও পড়ুন  শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১০

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন রাজবাড়ীর নিমতলা এলাকার আমজাদ হোসেন, লিয়াকত হোসেন, দক্ষিণ দৌলতদিয়ার আক্কাস আলী এবং ফরিদপুরের ভাটি লক্ষ্মীপুর গ্রামের আলম শেখ। এছাড়া যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন ফরিদপুরের শোভারামপুর গ্রামের শাহীন, গোয়ালচামট গ্রামের মোহাম্মদ সাগর, টাপাখোলা গ্রামের নুরু খাঁ এবং যশোরের শেখহাটি খাঁপাড়ার মনির হোসেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৩ আগস্ট রাতে ঝিনাইদহ শহরের বাস মালিক সমিতি অফিসের সামনে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সেখানে পৌঁছালে মোটরসাইকেলের আরোহীরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ দেখতে পায়, মোটরসাইকেলটি ছিল ডাকবাংলো পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মিরাজুল ইসলামের। কিন্তু তার ফোন বন্ধ থাকায় সন্দেহ তৈরি হয়।

পরবর্তীতে পুলিশ জানতে পারে, সেদিন সন্ধ্যায় ইফতার শেষে নিজের নামে ইস্যুকৃত পিস্তল, গুলি, ম্যাগাজিনসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থলে ফিরছিলেন মিরাজুল ইসলাম। পরদিন সকালে ভেটেরিনারি কলেজের পূর্ব পাশের একটি পানিভর্তি ডোবা থেকে তার হাত–পা বাঁধা মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় সদর থানায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে পুলিশ। মামলার এজাহারে বলা হয়, মিরাজুল ইসলামের কাছে থাকা অস্ত্র ও অন্যান্য সরকারি মালামাল ছিনিয়ে নিতে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২৮ জানুয়ারি পুলিশ ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।