ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ঝিনাইদহে এসআই মিরাজুল হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৪:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
  • / 421

ছবি সংগৃহীত

 

ঝিনাইদহের ডাকবাংলো পুলিশ ক্যাম্পের সাবেক ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মিরাজুল ইসলাম হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহাবুব আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

ঝিনাইদহ আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আমজাদ হোসেনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি সাত আসামি পলাতক রয়েছেন।

আরও পড়ুন  ঝিনাইদহে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন রাজবাড়ীর নিমতলা এলাকার আমজাদ হোসেন, লিয়াকত হোসেন, দক্ষিণ দৌলতদিয়ার আক্কাস আলী এবং ফরিদপুরের ভাটি লক্ষ্মীপুর গ্রামের আলম শেখ। এছাড়া যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন ফরিদপুরের শোভারামপুর গ্রামের শাহীন, গোয়ালচামট গ্রামের মোহাম্মদ সাগর, টাপাখোলা গ্রামের নুরু খাঁ এবং যশোরের শেখহাটি খাঁপাড়ার মনির হোসেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৩ আগস্ট রাতে ঝিনাইদহ শহরের বাস মালিক সমিতি অফিসের সামনে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সেখানে পৌঁছালে মোটরসাইকেলের আরোহীরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ দেখতে পায়, মোটরসাইকেলটি ছিল ডাকবাংলো পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মিরাজুল ইসলামের। কিন্তু তার ফোন বন্ধ থাকায় সন্দেহ তৈরি হয়।

পরবর্তীতে পুলিশ জানতে পারে, সেদিন সন্ধ্যায় ইফতার শেষে নিজের নামে ইস্যুকৃত পিস্তল, গুলি, ম্যাগাজিনসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থলে ফিরছিলেন মিরাজুল ইসলাম। পরদিন সকালে ভেটেরিনারি কলেজের পূর্ব পাশের একটি পানিভর্তি ডোবা থেকে তার হাত–পা বাঁধা মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় সদর থানায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে পুলিশ। মামলার এজাহারে বলা হয়, মিরাজুল ইসলামের কাছে থাকা অস্ত্র ও অন্যান্য সরকারি মালামাল ছিনিয়ে নিতে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২৮ জানুয়ারি পুলিশ ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঝিনাইদহে এসআই মিরাজুল হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৭:৩৪:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

 

ঝিনাইদহের ডাকবাংলো পুলিশ ক্যাম্পের সাবেক ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মিরাজুল ইসলাম হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহাবুব আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

ঝিনাইদহ আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আমজাদ হোসেনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি সাত আসামি পলাতক রয়েছেন।

আরও পড়ুন  ঝিনাইদহে খাসজমি দখল নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২০ জন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন রাজবাড়ীর নিমতলা এলাকার আমজাদ হোসেন, লিয়াকত হোসেন, দক্ষিণ দৌলতদিয়ার আক্কাস আলী এবং ফরিদপুরের ভাটি লক্ষ্মীপুর গ্রামের আলম শেখ। এছাড়া যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন ফরিদপুরের শোভারামপুর গ্রামের শাহীন, গোয়ালচামট গ্রামের মোহাম্মদ সাগর, টাপাখোলা গ্রামের নুরু খাঁ এবং যশোরের শেখহাটি খাঁপাড়ার মনির হোসেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৩ আগস্ট রাতে ঝিনাইদহ শহরের বাস মালিক সমিতি অফিসের সামনে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সেখানে পৌঁছালে মোটরসাইকেলের আরোহীরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ দেখতে পায়, মোটরসাইকেলটি ছিল ডাকবাংলো পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মিরাজুল ইসলামের। কিন্তু তার ফোন বন্ধ থাকায় সন্দেহ তৈরি হয়।

পরবর্তীতে পুলিশ জানতে পারে, সেদিন সন্ধ্যায় ইফতার শেষে নিজের নামে ইস্যুকৃত পিস্তল, গুলি, ম্যাগাজিনসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থলে ফিরছিলেন মিরাজুল ইসলাম। পরদিন সকালে ভেটেরিনারি কলেজের পূর্ব পাশের একটি পানিভর্তি ডোবা থেকে তার হাত–পা বাঁধা মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় সদর থানায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে পুলিশ। মামলার এজাহারে বলা হয়, মিরাজুল ইসলামের কাছে থাকা অস্ত্র ও অন্যান্য সরকারি মালামাল ছিনিয়ে নিতে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২৮ জানুয়ারি পুলিশ ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।