ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

আমাদের সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে হবে: জাতিসংঘ মহাসচিব

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:০৯:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
  • / 491

ছবি সংগৃহীত

 

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তনিও গুতেরেস বলেছেন, আমাদের সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে হবে। ১১ জুলাই ‘স্রেব্রেনিৎসা গণহত্যা স্মরণ ও প্রতিফলনের আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে সোমবার (৭ জুলাই) দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।

এ বছর স্রেব্রেনিৎসা গণহত্যার ৩০তম বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের মাটিতে সংঘটিত সবচেয়ে ভয়াবহ গণহত্যা হিসেবে বিবেচিত।

আরও পড়ুন  একমাস পার হলেও ত্রান পাইনি গাজাবাসী

গুতেরেসের বার্তায় বলা হয়, ১৯৯৫ সালের জুলাই মাসে ৮ হাজারেরও বেশি বসনিয়ান মুসলিম পুরুষ ও কিশোরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। এছাড়া হাজার হাজার নারী, শিশু ও বৃদ্ধকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হয়, যার ফলে তাদের জীবন চিরতরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। স্রেব্রেনিৎসা থেকে বসনিয়ান মুসলমানদের সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করাই ছিল এই নৃশংসতার উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, আমরা আজ নিহতদের স্মরণ করি এবং স্রেব্রেনিৎসার মায়েদের মতো সাহসী বেঁচে থাকা মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই, যাদের নিরলস ন্যায়বিচারের লড়াই এই গণহত্যাকে আইন ও ইতিহাসে স্বীকৃতি দিয়েছে।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মতে, এই দিনটি শুধু শোক ও স্মরণ করার জন্য নয়, এটি আমাদের জন্য সতর্কবার্তা এবং সক্রিয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বানও।

তিনি বলেন, ‘‘যখন ঘৃণামূলক বক্তব্য, সত্য অস্বীকার ও বিভাজনের রাজনীতি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, তখন আমাদের সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অটল থাকতে হবে। সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আগে তার পূর্বাভাস শনাক্ত করে তা রোধে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’’

গুতেরেস জোর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক আইনকে সম্মান করতে হবে, মানবাধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রতিটি মানুষের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। পাশাপাশি সমঝোতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিনিয়োগের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, স্রেব্রেনিৎসার ভয়াবহ স্মৃতি আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকারকে নতুন করে উজ্জীবিত করুক, যেন বিশ্বে আর কখনো এমন মানবতাবিরোধী অপরাধ না ঘটে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আমাদের সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে হবে: জাতিসংঘ মহাসচিব

আপডেট সময় ০৫:০৯:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

 

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তনিও গুতেরেস বলেছেন, আমাদের সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে হবে। ১১ জুলাই ‘স্রেব্রেনিৎসা গণহত্যা স্মরণ ও প্রতিফলনের আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে সোমবার (৭ জুলাই) দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।

এ বছর স্রেব্রেনিৎসা গণহত্যার ৩০তম বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের মাটিতে সংঘটিত সবচেয়ে ভয়াবহ গণহত্যা হিসেবে বিবেচিত।

আরও পড়ুন  তরুণদের হতে হবে ডিজিটাল ভবিষ্যতের সহ-নির্মাতা: জাতিসংঘ মহাসচিব

গুতেরেসের বার্তায় বলা হয়, ১৯৯৫ সালের জুলাই মাসে ৮ হাজারেরও বেশি বসনিয়ান মুসলিম পুরুষ ও কিশোরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। এছাড়া হাজার হাজার নারী, শিশু ও বৃদ্ধকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হয়, যার ফলে তাদের জীবন চিরতরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। স্রেব্রেনিৎসা থেকে বসনিয়ান মুসলমানদের সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করাই ছিল এই নৃশংসতার উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, আমরা আজ নিহতদের স্মরণ করি এবং স্রেব্রেনিৎসার মায়েদের মতো সাহসী বেঁচে থাকা মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই, যাদের নিরলস ন্যায়বিচারের লড়াই এই গণহত্যাকে আইন ও ইতিহাসে স্বীকৃতি দিয়েছে।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মতে, এই দিনটি শুধু শোক ও স্মরণ করার জন্য নয়, এটি আমাদের জন্য সতর্কবার্তা এবং সক্রিয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বানও।

তিনি বলেন, ‘‘যখন ঘৃণামূলক বক্তব্য, সত্য অস্বীকার ও বিভাজনের রাজনীতি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, তখন আমাদের সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অটল থাকতে হবে। সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আগে তার পূর্বাভাস শনাক্ত করে তা রোধে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’’

গুতেরেস জোর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক আইনকে সম্মান করতে হবে, মানবাধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রতিটি মানুষের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। পাশাপাশি সমঝোতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিনিয়োগের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, স্রেব্রেনিৎসার ভয়াবহ স্মৃতি আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকারকে নতুন করে উজ্জীবিত করুক, যেন বিশ্বে আর কখনো এমন মানবতাবিরোধী অপরাধ না ঘটে।