ঢাকা ১১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

হিমাচল প্রদেশে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃত বেড়ে ৫১, নিখোঁজ বহু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:২৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • / 342

ছবি সংগৃহীত

 

 

ভারতের হিমাচল প্রদেশে টানা ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ধসের কারণে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছে। এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৫১ জন, নিখোঁজ রয়েছেন আরও ২২ জনের বেশি। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে অবিরাম বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা আর ভূমিধসে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পাহাড়ি এই রাজ্যের বাসিন্দারা।

আরও পড়ুন  "পতেঙ্গায় ভেসে এলো দুই জেলের মরদেহ, নিখোঁজ ৬"

মণ্ডি, সোলান, সিমলা, কুলু সহ অন্তত ১২টি জেলায় ঘরবাড়ি, গবাদি পশু এবং সরকারি স্থাপনার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় এবং রাস্তা ও সেতু ভেঙে পড়ায় হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় অচল হয়ে গেছে।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বন্যা, ভূমিধস এবং বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে অর্ধশতাধিক মানুষের। নিখোঁজদের সন্ধানে তৎপর রয়েছে সেনাবাহিনী ও স্থানীয় উদ্ধারকারী দল। তবে, দুর্গম পাহাড়ি পথ এবং টানা ভারি বৃষ্টির কারণে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই ভয়াবহ দুর্যোগে ব্যক্তি মালিকানাধীন সম্পত্তির ক্ষতির পরিমাণ ৮৮ লাখ রুপির বেশি। সরকারি অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ২৮৩ কোটি রুপিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। বহু সেতু ও রাস্তা ধসে পড়ায় বিপর্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা, আর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় জনজীবন চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বন্যার্তদের জন্য দ্রুত ত্রাণ সহায়তা পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

এদিকে টানা বর্ষণের কারণে রাজ্যের পর্যটন শিল্পেও বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। পাহাড়ি এলাকায় বেড়াতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে অনেক রিসোর্ট ও হোটেল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, আবহাওয়া দপ্তর থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, আগামী কয়েকদিনও ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে, ফলে নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি রয়েছে। তাই স্থানীয়দের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

হিমাচল প্রদেশে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃত বেড়ে ৫১, নিখোঁজ বহু

আপডেট সময় ০৬:২৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

 

 

ভারতের হিমাচল প্রদেশে টানা ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ধসের কারণে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছে। এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৫১ জন, নিখোঁজ রয়েছেন আরও ২২ জনের বেশি। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে অবিরাম বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা আর ভূমিধসে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পাহাড়ি এই রাজ্যের বাসিন্দারা।

আরও পড়ুন  ভারতের গুজরাটে সেতু ভেঙে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১, নিখোঁজ একজন

মণ্ডি, সোলান, সিমলা, কুলু সহ অন্তত ১২টি জেলায় ঘরবাড়ি, গবাদি পশু এবং সরকারি স্থাপনার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় এবং রাস্তা ও সেতু ভেঙে পড়ায় হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় অচল হয়ে গেছে।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বন্যা, ভূমিধস এবং বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে অর্ধশতাধিক মানুষের। নিখোঁজদের সন্ধানে তৎপর রয়েছে সেনাবাহিনী ও স্থানীয় উদ্ধারকারী দল। তবে, দুর্গম পাহাড়ি পথ এবং টানা ভারি বৃষ্টির কারণে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই ভয়াবহ দুর্যোগে ব্যক্তি মালিকানাধীন সম্পত্তির ক্ষতির পরিমাণ ৮৮ লাখ রুপির বেশি। সরকারি অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ২৮৩ কোটি রুপিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। বহু সেতু ও রাস্তা ধসে পড়ায় বিপর্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা, আর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় জনজীবন চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বন্যার্তদের জন্য দ্রুত ত্রাণ সহায়তা পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

এদিকে টানা বর্ষণের কারণে রাজ্যের পর্যটন শিল্পেও বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। পাহাড়ি এলাকায় বেড়াতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে অনেক রিসোর্ট ও হোটেল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, আবহাওয়া দপ্তর থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, আগামী কয়েকদিনও ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে, ফলে নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি রয়েছে। তাই স্থানীয়দের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।