ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র

পশ্চিম তীরে সার্বভৌমত্ব আরোপের বক্তব্যে ইসরায়েলকে সৌদি আরবের কঠোর প্রতিবাদ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০৭:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • / 119

ছবি সংগৃহীত

 

 

অধিকৃত পশ্চিম তীরে পূর্ণ সার্বভৌমত্ব আরোপের বিষয়ে এক ইসরায়েলি মন্ত্রীর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। বুধবার সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলকে নতুন করে ১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র সরবরাহ করবে যুক্তরাষ্ট্র

বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলের বিচারমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিনের ‘পশ্চিম তীরজুড়ে সার্বভৌমত্ব প্রয়োগের সময় এসেছে’ মন্তব্যটি স্পষ্টতই উসকানিমূলক এবং তা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের প্রস্তাবের লঙ্ঘন। সৌদি মন্ত্রণালয় এই ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্যের কঠোর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ফিলিস্তিনি ভূমিতে নতুন করে যেকোনো বসতি স্থাপন কিংবা সম্প্রসারণের প্রচেষ্টার বিরোধিতা করছে সৌদি আরব। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের প্রস্তাব মেনে চলার জন্য ইসরায়েলের প্রতি তাদের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করে দেশটি।

বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকার পুনরুদ্ধার এবং ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সৌদি আরবের পূর্ণ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

প্রসঙ্গত, ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয় ইসরায়েল। তারপর থেকে তারা আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করে অধিকৃত এই অঞ্চলে বহু ইহুদি বসতি গড়ে তুলেছে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিতে অবৈধ।

বিতর্কিত ওই এলাকায় ইসরায়েলের সার্বভৌমত্ব আরোপের ঘোষণা নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর ফলে ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা আরও হুমকির মুখে পড়বে।

সৌদি আরব বরাবরই দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান এবং শান্তিপূর্ণ আলোচনার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিবৃতিতে এ বিষয়টি পুনর্নির্মিত করে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে এবং টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসরায়েলের উচিত আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা।

সূত্র: আরব নিউজ

নিউজটি শেয়ার করুন

পশ্চিম তীরে সার্বভৌমত্ব আরোপের বক্তব্যে ইসরায়েলকে সৌদি আরবের কঠোর প্রতিবাদ

আপডেট সময় ০২:০৭:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

 

 

অধিকৃত পশ্চিম তীরে পূর্ণ সার্বভৌমত্ব আরোপের বিষয়ে এক ইসরায়েলি মন্ত্রীর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। বুধবার সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলের প্রতি কোনো ধরনের দয়া দেখানো হবে না: খামেনি

বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলের বিচারমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিনের ‘পশ্চিম তীরজুড়ে সার্বভৌমত্ব প্রয়োগের সময় এসেছে’ মন্তব্যটি স্পষ্টতই উসকানিমূলক এবং তা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের প্রস্তাবের লঙ্ঘন। সৌদি মন্ত্রণালয় এই ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্যের কঠোর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ফিলিস্তিনি ভূমিতে নতুন করে যেকোনো বসতি স্থাপন কিংবা সম্প্রসারণের প্রচেষ্টার বিরোধিতা করছে সৌদি আরব। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের প্রস্তাব মেনে চলার জন্য ইসরায়েলের প্রতি তাদের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করে দেশটি।

বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকার পুনরুদ্ধার এবং ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সৌদি আরবের পূর্ণ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

প্রসঙ্গত, ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয় ইসরায়েল। তারপর থেকে তারা আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করে অধিকৃত এই অঞ্চলে বহু ইহুদি বসতি গড়ে তুলেছে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিতে অবৈধ।

বিতর্কিত ওই এলাকায় ইসরায়েলের সার্বভৌমত্ব আরোপের ঘোষণা নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর ফলে ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা আরও হুমকির মুখে পড়বে।

সৌদি আরব বরাবরই দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান এবং শান্তিপূর্ণ আলোচনার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিবৃতিতে এ বিষয়টি পুনর্নির্মিত করে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে এবং টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসরায়েলের উচিত আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা।

সূত্র: আরব নিউজ