ঢাকা ১০:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ

কলম্বো টেস্টে ব্যাটিং ব্যর্থতা, প্রথম ইনিংসে আড়াইশ’র আগেই গুটিয়ে গেল বাংলাদেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
  • / 504

ছবি সংগৃহীত

 

কলম্বো টেস্টের শুরুটা হতাশাজনক ছিল বাংলাদেশের জন্য। প্রথম দিনেই ৮ উইকেট হারানোর পর দ্বিতীয় দিন বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি টাইগারদের ইনিংস। ব্যাটিংয়ে ব্যর্থতার ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনেই ২৪৭ রানে অলআউট হয়ে যায় সফরকারীরা।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) কলম্বোর ঐতিহ্যবাহী এসএসসি গ্রাউন্ডে ৭৯.৩ ওভারে থেমে যায় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। এদিন আর মাত্র ২৭ রান যোগ করেই অলআউট হয়ে যায় দল। বল হাতে শ্রীলঙ্কার পক্ষে সবচেয়ে সফল ছিলেন টেস্ট অভিষিক্ত সোনাল দিনুশা। ৯.৩ ওভারে মাত্র ২২ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। আসিতা ফার্নান্দোও শিকার করেন ৩ উইকেট।

আরও পড়ুন  টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা ২৫ থেকে ছিটকে গেলেন কোহলি

আগের দিন বাংলাদেশ সংগ্রহ করেছিল ২২০ রান, হাতে ছিল ২ উইকেট। দিনের শুরুতেই টাইগারদের ধাক্কা খেতে হয় এবাদত হোসেনের বিদায়ে। দিন শুরুর তৃতীয় ওভারেই আসিতার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে যান তিনি, করেন মাত্র ৮ রান।

শেষ উইকেট জুটিতে তাইজুল আহমেদ ও নাহিদ রানা মিলে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। এই জুটিতে আসে ১৮ রান। তবে রানা ৭ বল খেলে শূন্য রানে অপরাজিত থাকেন। অন্যদিকে, ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিয়েও থামেন তাইজুল। দিনুশার বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন। ৬০ বল খেলে ৫ চারসহ তার সংগ্রহ ৩৩ রান।

এর আগে প্রথম দিনেই হতাশ করেন এনামুল হক বিজয়। ১০ বল খেলে দুইবার জীবন পেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি। এর মাধ্যমে তিনি গড়েছেন লজ্জার এক রেকর্ড ১৪ ইনিংসের বেশি খেলা কোনো দলের শীর্ষ চার ব্যাটারের মধ্যে সবচেয়ে কম গড় তারই।

বাংলাদেশের ব্যাটারদের গল্প প্রায় একই সেট হয়ে উইকেট বিলিয়ে আসা। সাত ব্যাটারই দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন, কিন্তু কেউই পঞ্চাশের দেখা পাননি। সর্বোচ্চ ৪৬ রান আসে সাদমান ইসলামের ব্যাট থেকে, ৯৩ বল খেলে ৭টি চারের সাহায্যে।

মুমিনুল হক করেন ২১ রান (৩৯ বল), মুশফিকুর রহিম ৩৫ (৭৫ বল), লিটন দাস ৩৪ (৫৬ বল), মেহেদি মিরাজ ৩১ (৪২ বল), নাঈম হাসান ২৫ (৫১ বল) এবং অধিনায়ক শান্ত আউট হন মাত্র ৮ রানে (৩১ বল)।

ব্যাটিং লাইনআপে এমন ধারাবাহিক ব্যর্থতা আরও একবার প্রমাণ করল বিদেশের মাটিতে টেস্ট ব্যাটিং এখনো বড় দুর্বলতা বাংলাদেশের।

নিউজটি শেয়ার করুন

কলম্বো টেস্টে ব্যাটিং ব্যর্থতা, প্রথম ইনিংসে আড়াইশ’র আগেই গুটিয়ে গেল বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০১:৩০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

 

কলম্বো টেস্টের শুরুটা হতাশাজনক ছিল বাংলাদেশের জন্য। প্রথম দিনেই ৮ উইকেট হারানোর পর দ্বিতীয় দিন বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি টাইগারদের ইনিংস। ব্যাটিংয়ে ব্যর্থতার ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনেই ২৪৭ রানে অলআউট হয়ে যায় সফরকারীরা।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) কলম্বোর ঐতিহ্যবাহী এসএসসি গ্রাউন্ডে ৭৯.৩ ওভারে থেমে যায় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। এদিন আর মাত্র ২৭ রান যোগ করেই অলআউট হয়ে যায় দল। বল হাতে শ্রীলঙ্কার পক্ষে সবচেয়ে সফল ছিলেন টেস্ট অভিষিক্ত সোনাল দিনুশা। ৯.৩ ওভারে মাত্র ২২ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। আসিতা ফার্নান্দোও শিকার করেন ৩ উইকেট।

আরও পড়ুন  আইসিসির সিইও জিওফ অ্যালারডাইসের পদত্যাগ: নতুন চ্যালেঞ্জের পথে

আগের দিন বাংলাদেশ সংগ্রহ করেছিল ২২০ রান, হাতে ছিল ২ উইকেট। দিনের শুরুতেই টাইগারদের ধাক্কা খেতে হয় এবাদত হোসেনের বিদায়ে। দিন শুরুর তৃতীয় ওভারেই আসিতার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে যান তিনি, করেন মাত্র ৮ রান।

শেষ উইকেট জুটিতে তাইজুল আহমেদ ও নাহিদ রানা মিলে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। এই জুটিতে আসে ১৮ রান। তবে রানা ৭ বল খেলে শূন্য রানে অপরাজিত থাকেন। অন্যদিকে, ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিয়েও থামেন তাইজুল। দিনুশার বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন। ৬০ বল খেলে ৫ চারসহ তার সংগ্রহ ৩৩ রান।

এর আগে প্রথম দিনেই হতাশ করেন এনামুল হক বিজয়। ১০ বল খেলে দুইবার জীবন পেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি। এর মাধ্যমে তিনি গড়েছেন লজ্জার এক রেকর্ড ১৪ ইনিংসের বেশি খেলা কোনো দলের শীর্ষ চার ব্যাটারের মধ্যে সবচেয়ে কম গড় তারই।

বাংলাদেশের ব্যাটারদের গল্প প্রায় একই সেট হয়ে উইকেট বিলিয়ে আসা। সাত ব্যাটারই দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন, কিন্তু কেউই পঞ্চাশের দেখা পাননি। সর্বোচ্চ ৪৬ রান আসে সাদমান ইসলামের ব্যাট থেকে, ৯৩ বল খেলে ৭টি চারের সাহায্যে।

মুমিনুল হক করেন ২১ রান (৩৯ বল), মুশফিকুর রহিম ৩৫ (৭৫ বল), লিটন দাস ৩৪ (৫৬ বল), মেহেদি মিরাজ ৩১ (৪২ বল), নাঈম হাসান ২৫ (৫১ বল) এবং অধিনায়ক শান্ত আউট হন মাত্র ৮ রানে (৩১ বল)।

ব্যাটিং লাইনআপে এমন ধারাবাহিক ব্যর্থতা আরও একবার প্রমাণ করল বিদেশের মাটিতে টেস্ট ব্যাটিং এখনো বড় দুর্বলতা বাংলাদেশের।