১০:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কঠোর ট্রাম্প: বিরোধী দেশে শুল্ক আরোপের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে গাজা প্রশাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে নতুন বেসামরিক কমিটি গঠন

জাতীয় সনদের লক্ষ্যে রাজনৈতিক সংলাপ শুরু মঙ্গলবার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৩:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
  • / 126

ছবি সংগৃহীত

 

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের উদ্যোগে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন ও দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর চূড়ান্ত মতামত গ্রহণের লক্ষ্যে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপ আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ জুন) শুরু হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে সকাল সাড়ে ১০টায় এই সংলাপ শুরু হবে, যা চলবে ১৯ জুন পর্যন্ত। এতে বিএনপিসহ প্রায় ৩০টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করবে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রিয়াজ।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এই ধাপের সংলাপে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বিষয়ে পূর্ববর্তী আলোচনার অসমাপ্ত অংশ পূর্ণাঙ্গভাবে আলোচনায় আসবে। একই সঙ্গে সংসদের বিরোধী দল থেকে স্থায়ী কমিটির সভাপতির মনোনয়ন প্রক্রিয়া এবং সংসদে ১০০ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার পদ্ধতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হবে।

এছাড়া নির্বাচনি এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে চূড়ান্ত ঐকমত্য গঠনের লক্ষ্যেই এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আলোচনার ফলাফল জাতীয় সনদের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন।

তিন দিনব্যাপী এ বৈঠকে জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি), রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি, জেলা সমন্বয় কাউন্সিল, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল এবং সংবিধানের মূলনীতি সম্পর্কেও চূড়ান্ত মত গঠনের চেষ্টা থাকবে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “আমরা চাই, আলোচনাগুলো দ্রুত ও ফলপ্রসূভাবে শেষ করে জাতীয় সনদ প্রণয়নের দিকে এগিয়ে যেতে।”

সূত্র জানায়, বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত প্রায় ৩০টি রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই সংলাপের মাধ্যমেই দীর্ঘদিন আলোচিত ‘জুলাই সনদ’ বা ‘জাতীয় সনদ’-এর খসড়া চূড়ান্ত করার পথে এগোতে চায় কমিশন।

জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক কাঠামো নির্মাণে এই সংলাপ গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে যাচ্ছে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় সনদের লক্ষ্যে রাজনৈতিক সংলাপ শুরু মঙ্গলবার

আপডেট সময় ১১:৫৩:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

 

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের উদ্যোগে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন ও দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর চূড়ান্ত মতামত গ্রহণের লক্ষ্যে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপ আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ জুন) শুরু হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে সকাল সাড়ে ১০টায় এই সংলাপ শুরু হবে, যা চলবে ১৯ জুন পর্যন্ত। এতে বিএনপিসহ প্রায় ৩০টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করবে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রিয়াজ।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এই ধাপের সংলাপে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বিষয়ে পূর্ববর্তী আলোচনার অসমাপ্ত অংশ পূর্ণাঙ্গভাবে আলোচনায় আসবে। একই সঙ্গে সংসদের বিরোধী দল থেকে স্থায়ী কমিটির সভাপতির মনোনয়ন প্রক্রিয়া এবং সংসদে ১০০ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার পদ্ধতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হবে।

এছাড়া নির্বাচনি এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে চূড়ান্ত ঐকমত্য গঠনের লক্ষ্যেই এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আলোচনার ফলাফল জাতীয় সনদের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন।

তিন দিনব্যাপী এ বৈঠকে জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি), রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি, জেলা সমন্বয় কাউন্সিল, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল এবং সংবিধানের মূলনীতি সম্পর্কেও চূড়ান্ত মত গঠনের চেষ্টা থাকবে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “আমরা চাই, আলোচনাগুলো দ্রুত ও ফলপ্রসূভাবে শেষ করে জাতীয় সনদ প্রণয়নের দিকে এগিয়ে যেতে।”

সূত্র জানায়, বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত প্রায় ৩০টি রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই সংলাপের মাধ্যমেই দীর্ঘদিন আলোচিত ‘জুলাই সনদ’ বা ‘জাতীয় সনদ’-এর খসড়া চূড়ান্ত করার পথে এগোতে চায় কমিশন।

জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক কাঠামো নির্মাণে এই সংলাপ গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে যাচ্ছে বলে আশা করা হচ্ছে।