০১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন

অবৈধ অর্থ পুনরুদ্ধারে অন্তর্বর্তী সরকারের পাশে যুক্তরাজ্য: ব্রিটিশ বাণিজ্যমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০০:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫
  • / 121

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অবৈধ অর্থ পুনরুদ্ধারে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এক বৈঠকে এই সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যমন্ত্রী ও বোর্ড অব ট্রেডের সভাপতি জনাথন রেনল্ডস।

গতকাল বুধবার লন্ডনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন জনাথন রেনল্ডস। বৈঠকে তারা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর করার পাশাপাশি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

বিজ্ঞাপন

জনাথন রেনল্ডস জানান, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের আর্থিক স্বচ্ছতা এবং বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রমকে ইতিবাচকভাবে দেখছে। একইসঙ্গে তিনি পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বৈঠকে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ব্যাংক খাত সংস্কার, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় জোর দিয়েছে।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ।

বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের প্রস্তাব দেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাপানসহ একাধিক দেশের সঙ্গে এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশবিষয়ক বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস রোজি উইন্টারটন এবং ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক।

এই বৈঠক দুই দেশের বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করতে নতুন দ্বার উন্মোচন করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অবৈধ অর্থ পুনরুদ্ধারে অন্তর্বর্তী সরকারের পাশে যুক্তরাজ্য: ব্রিটিশ বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:০০:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

 

বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অবৈধ অর্থ পুনরুদ্ধারে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এক বৈঠকে এই সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যমন্ত্রী ও বোর্ড অব ট্রেডের সভাপতি জনাথন রেনল্ডস।

গতকাল বুধবার লন্ডনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন জনাথন রেনল্ডস। বৈঠকে তারা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর করার পাশাপাশি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

বিজ্ঞাপন

জনাথন রেনল্ডস জানান, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের আর্থিক স্বচ্ছতা এবং বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রমকে ইতিবাচকভাবে দেখছে। একইসঙ্গে তিনি পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বৈঠকে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ব্যাংক খাত সংস্কার, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় জোর দিয়েছে।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ।

বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের প্রস্তাব দেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাপানসহ একাধিক দেশের সঙ্গে এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশবিষয়ক বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস রোজি উইন্টারটন এবং ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক।

এই বৈঠক দুই দেশের বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করতে নতুন দ্বার উন্মোচন করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।