ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ঘরের মাঠে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে হারের বেদনায় বাংলাদেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 391

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রত্যাবর্তনের গল্প লেখার সুযোগ ছিল। কিন্তু তা আর হয়ে ওঠেনি হামজা চৌধুরী ও শমিত শোমদের। আজ ঘরের মাঠে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ।

এই হার যেন ২০১৫ সালের সেই স্মৃতি ফিরিয়ে দিল ঠিক একই মাঠে, একই ব্যবধানে পরাজয়। অথচ শেষ মুহূর্তে তারিক কাজীর হেড যদি এক ইঞ্চি নিচে লাগত, তাহলে হয়তো ফলটা বদলে যেতে পারত। ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে পারত বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন  তারেক রহমান বাংলাদেশে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন : আযম খান

প্রথমার্ধে বাংলাদেশ কিছু সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলোর সদ্ব্যবহার করতে পারেনি। ৯ মিনিটেই গোল হজমের শঙ্কায় পড়ে দলটি। সিঙ্গাপুরের সং উইইয়াং বল পেয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় করায় রক্ষা পায় স্বাগতিকরা। এরপর রাকিব হোসেন ও অভিষেক হওয়া শমিত শোমের প্রচেষ্টা চোখে পড়লেও গোলের দেখা মেলেনি।

৩০ মিনিটে দুর্দান্ত এক সেভে দলকে বাঁচান গোলরক্ষক মিতুল মারমা। ফাহমিদুলের সামনে ছিল সুবর্ণ সুযোগ, কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তে মিতুল পোস্ট ছেড়ে যাওয়ায় সুযোগ নেয় সিঙ্গাপুর। উইইয়াংয়ের শটে এগিয়ে যায় সফরকারীরা।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। কিন্তু ৫৯ মিনিটে ফের গোল হজম করে। দূরপাল্লার শট ঠেকালেও ফিরতি বলে গোল করেন ইখসান ফান্ডি। এরপরও হাল ছাড়েনি স্বাগতিকরা। ৬৭ মিনিটে হামজার পাস থেকে গোল করেন রাকিব হোসেন। যদিও তার শট মাহবুদের হাত ফসকে জালে জড়িয়ে যায়।

শেষ দিকে একের পর এক আক্রমণ চালায় বাংলাদেশ। যোগ করা সময়ে ফাহিম ও হামজা দুটি সুবর্ণ সুযোগ হারান। এমনকি একটি পেনাল্টি পাওয়া নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়, তবে রেফারি কর্নারের সিদ্ধান্ত দেন। শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত হারের ব্যবধান কমাতে মরিয়া ছিল স্বাগতিকরা।

অবশেষে ভালো খেলার পরও কপালে জোটে শুধু হারের হতাশা। গোলপোস্ট, ভাগ্য এবং সুযোগ মিস সব মিলিয়ে আজ ঢাকায় আরেকটি হৃদয়বিদারক হার দেখল বাংলাদেশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঘরের মাঠে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে হারের বেদনায় বাংলাদেশ

আপডেট সময় ১০:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

 

ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রত্যাবর্তনের গল্প লেখার সুযোগ ছিল। কিন্তু তা আর হয়ে ওঠেনি হামজা চৌধুরী ও শমিত শোমদের। আজ ঘরের মাঠে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ।

এই হার যেন ২০১৫ সালের সেই স্মৃতি ফিরিয়ে দিল ঠিক একই মাঠে, একই ব্যবধানে পরাজয়। অথচ শেষ মুহূর্তে তারিক কাজীর হেড যদি এক ইঞ্চি নিচে লাগত, তাহলে হয়তো ফলটা বদলে যেতে পারত। ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে পারত বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন  ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন আশার আলো দেখছে বিএনপি, ড. ইউনূস ও মোদির সাক্ষাৎ নতুন আশার দ্বার খুলেছে: মির্জা ফখরুল

প্রথমার্ধে বাংলাদেশ কিছু সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলোর সদ্ব্যবহার করতে পারেনি। ৯ মিনিটেই গোল হজমের শঙ্কায় পড়ে দলটি। সিঙ্গাপুরের সং উইইয়াং বল পেয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় করায় রক্ষা পায় স্বাগতিকরা। এরপর রাকিব হোসেন ও অভিষেক হওয়া শমিত শোমের প্রচেষ্টা চোখে পড়লেও গোলের দেখা মেলেনি।

৩০ মিনিটে দুর্দান্ত এক সেভে দলকে বাঁচান গোলরক্ষক মিতুল মারমা। ফাহমিদুলের সামনে ছিল সুবর্ণ সুযোগ, কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তে মিতুল পোস্ট ছেড়ে যাওয়ায় সুযোগ নেয় সিঙ্গাপুর। উইইয়াংয়ের শটে এগিয়ে যায় সফরকারীরা।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। কিন্তু ৫৯ মিনিটে ফের গোল হজম করে। দূরপাল্লার শট ঠেকালেও ফিরতি বলে গোল করেন ইখসান ফান্ডি। এরপরও হাল ছাড়েনি স্বাগতিকরা। ৬৭ মিনিটে হামজার পাস থেকে গোল করেন রাকিব হোসেন। যদিও তার শট মাহবুদের হাত ফসকে জালে জড়িয়ে যায়।

শেষ দিকে একের পর এক আক্রমণ চালায় বাংলাদেশ। যোগ করা সময়ে ফাহিম ও হামজা দুটি সুবর্ণ সুযোগ হারান। এমনকি একটি পেনাল্টি পাওয়া নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়, তবে রেফারি কর্নারের সিদ্ধান্ত দেন। শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত হারের ব্যবধান কমাতে মরিয়া ছিল স্বাগতিকরা।

অবশেষে ভালো খেলার পরও কপালে জোটে শুধু হারের হতাশা। গোলপোস্ট, ভাগ্য এবং সুযোগ মিস সব মিলিয়ে আজ ঢাকায় আরেকটি হৃদয়বিদারক হার দেখল বাংলাদেশ।