ঢাকা ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪৬:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫
  • / 407

ছবি সংগৃহীত

 

 

আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে বাজেট ঘাটতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের মোট জিডিপির ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

আরও পড়ুন  চলতি অর্থবছরে আদায় ৩ লাখ ৬০ হাজার ৯২২ কোটি টাকা: এনবিআর চেয়ারম্যান

সোমবার (২ জুন) বাংলাদেশ টেলিভিশনের স্টুডিও থেকে বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ।

বাজেট বক্তৃতায় ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “আগামী অর্থবছরে আমাদের সামগ্রিক বাজেট ঘাটতি ও ঋণের পরিমাণ সহনীয় পর্যায়ে থাকবে। ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির তুলনায় অনুপাতিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”

তিনি আরও জানান, এই ঘাটতির মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এবং ১ লাখ ১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে বৈদেশিক উৎস থেকে।

সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় আগামী অর্থবছরে ধরা হয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা। যা দেশের রাজস্ব আয়ের একটি বড় অংশ ব্যয় করবে কেবল ঋণের সুদ পরিশোধেই।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, সরকার বাজেট বাস্তবায়নে অভ্যন্তরীণ আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভর করবে। সেইসঙ্গে রাজস্ব আদায়, উন্নয়ন ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হবে।

এছাড়াও বাজেট প্রস্তাবে সামাজিক সুরক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর কথাও উল্লেখ করা হয়। দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এই বাজেট সহায়ক হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন ড. সালেহ উদ্দিন।

উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় এবার বাজেটের আকার বড় হলেও ঘাটতির হার জিডিপির তুলনায় সীমিত রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের রাজস্ব আহরণ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং ব্যয় ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় ০৪:৪৬:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

 

 

আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে বাজেট ঘাটতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের মোট জিডিপির ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

আরও পড়ুন  আগামী অর্থবছরে মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা হবে: অর্থ উপদেষ্টা

সোমবার (২ জুন) বাংলাদেশ টেলিভিশনের স্টুডিও থেকে বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ।

বাজেট বক্তৃতায় ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “আগামী অর্থবছরে আমাদের সামগ্রিক বাজেট ঘাটতি ও ঋণের পরিমাণ সহনীয় পর্যায়ে থাকবে। ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির তুলনায় অনুপাতিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”

তিনি আরও জানান, এই ঘাটতির মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এবং ১ লাখ ১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে বৈদেশিক উৎস থেকে।

সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় আগামী অর্থবছরে ধরা হয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা। যা দেশের রাজস্ব আয়ের একটি বড় অংশ ব্যয় করবে কেবল ঋণের সুদ পরিশোধেই।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, সরকার বাজেট বাস্তবায়নে অভ্যন্তরীণ আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভর করবে। সেইসঙ্গে রাজস্ব আদায়, উন্নয়ন ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হবে।

এছাড়াও বাজেট প্রস্তাবে সামাজিক সুরক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর কথাও উল্লেখ করা হয়। দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এই বাজেট সহায়ক হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন ড. সালেহ উদ্দিন।

উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় এবার বাজেটের আকার বড় হলেও ঘাটতির হার জিডিপির তুলনায় সীমিত রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের রাজস্ব আহরণ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং ব্যয় ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।