ঢাকা ০২:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

বিদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসানীতির ঘোষণা দিলো যুক্তরাষ্ট্র

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫
  • / 578

ছবি সংগৃহীত

 

 

যুক্তরাষ্ট্র এমন এক নতুন ভিসা নীতির ঘোষণা দিয়েছে, যা মার্কিন নাগরিকদের অনলাইন মতপ্রকাশে হস্তক্ষেপকারী বিদেশি নাগরিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, যদি কোনো বিদেশি সরকার বা কর্মকর্তা মার্কিন নাগরিকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত পোস্ট নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন বা কনটেন্ট মুছতে বলেন, তবে তাদের আর যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেয়া হবে না।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে সতর্কতা জারি, উদ্বেগে যুক্তরাজ্য ও জার্মানি

এই নীতিকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি ইউরোপের কিছু দেশ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। এসব প্ল্যাটফর্মে সেন্সরশিপ আরোপের অভিযোগ এনে, ট্রাম্প প্রশাসন বারবার ইউরোপীয় দেশগুলোকে সমালোচনা করেছে। এমন প্রেক্ষাপটে এই ভিসা নীতিকে ‘ডিজিটাল সেন্সরশিপ’-এর বিরুদ্ধে একটি কঠোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বুধবার (২৮ মে) এক বিবৃতিতে মার্কো রুবিও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা যদি অনলাইনে কোনো মত প্রকাশ করেন এবং তা কোনো বিদেশি সরকারের অপছন্দ হয়, তাহলেও তারা সে কারণে ব্যবস্থা নিতে পারবেন না। একইসাথে, মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর উপর সেন্সরশিপ চাপিয়ে দেয়ার অধিকারও তাদের নেই।”

তবে কোন কোন দেশের নাগরিকদের এই নীতির আওতায় আনা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি রুবিও। অতীতে জার্মানি, ব্রাজিল ও যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে সেন্সরশিপের অভিযোগ তুলেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর গত মঙ্গলবার (২৭ মে) ইউরোপকে ‘সেন্সরশিপের ঘাঁটি’ হিসেবে উল্লেখ করে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, “গণতন্ত্রের নামে ইউরোপে মতপ্রকাশ ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ চালানো হচ্ছে।”

এই নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞাকে কেউ কেউ যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত অবস্থান বলে মনে করছেন, আবার কেউ কেউ বলছেন এটি মূলত রাজনৈতিক কৌশল।

এর আগে, শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার প্রক্রিয়া স্থগিত করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। পাশাপাশি, বিদেশি শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানিয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসানীতির ঘোষণা দিলো যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০১:০৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

 

 

যুক্তরাষ্ট্র এমন এক নতুন ভিসা নীতির ঘোষণা দিয়েছে, যা মার্কিন নাগরিকদের অনলাইন মতপ্রকাশে হস্তক্ষেপকারী বিদেশি নাগরিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, যদি কোনো বিদেশি সরকার বা কর্মকর্তা মার্কিন নাগরিকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত পোস্ট নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন বা কনটেন্ট মুছতে বলেন, তবে তাদের আর যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেয়া হবে না।

আরও পড়ুন  ইসরাইলের বিভিন্ন শহরে ইরানের হামলা, নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ

এই নীতিকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি ইউরোপের কিছু দেশ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। এসব প্ল্যাটফর্মে সেন্সরশিপ আরোপের অভিযোগ এনে, ট্রাম্প প্রশাসন বারবার ইউরোপীয় দেশগুলোকে সমালোচনা করেছে। এমন প্রেক্ষাপটে এই ভিসা নীতিকে ‘ডিজিটাল সেন্সরশিপ’-এর বিরুদ্ধে একটি কঠোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বুধবার (২৮ মে) এক বিবৃতিতে মার্কো রুবিও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা যদি অনলাইনে কোনো মত প্রকাশ করেন এবং তা কোনো বিদেশি সরকারের অপছন্দ হয়, তাহলেও তারা সে কারণে ব্যবস্থা নিতে পারবেন না। একইসাথে, মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর উপর সেন্সরশিপ চাপিয়ে দেয়ার অধিকারও তাদের নেই।”

তবে কোন কোন দেশের নাগরিকদের এই নীতির আওতায় আনা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি রুবিও। অতীতে জার্মানি, ব্রাজিল ও যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে সেন্সরশিপের অভিযোগ তুলেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর গত মঙ্গলবার (২৭ মে) ইউরোপকে ‘সেন্সরশিপের ঘাঁটি’ হিসেবে উল্লেখ করে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, “গণতন্ত্রের নামে ইউরোপে মতপ্রকাশ ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ চালানো হচ্ছে।”

এই নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞাকে কেউ কেউ যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত অবস্থান বলে মনে করছেন, আবার কেউ কেউ বলছেন এটি মূলত রাজনৈতিক কৌশল।

এর আগে, শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার প্রক্রিয়া স্থগিত করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। পাশাপাশি, বিদেশি শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানিয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম।