ঢাকা ১২:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

‘আইন আজই প্রত্যাহার করতে হবে, না হলে ১৮ লাখ কর্মচারী কর্মস্থলে ফিরবে না’

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৩:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫
  • / 451

ছবি সংগৃহীত

 

 

‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভে মুখর হয়ে উঠেছে প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়। সোমবার (২৬ মে) সকাল থেকে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের উদ্যোগে জোরালো প্রতিবাদ, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন  স্কুলের কর্মচারী দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার ডিউটি!

সকাল ১১টার দিকে পরিষদের সভাপতি মো. বাদিউল কবীর ও মহাসচিব নিজাম উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে সচিবালয়ের মূল ফটকের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি সচিবালয়ের বিভিন্ন ভবন ঘুরে প্রদক্ষিণ করে। পরে আরও একটি অংশ যোগ দেয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মো. নূরুল ইসলাম ও মো. মুজাহিদুল ইসলাম।

সমাবেশে মো. বাদিউল কবীর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “এই আইন আজই প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে ১৮ লাখ কর্মচারী কর্মস্থলে ফিরবে না। দেশের প্রতিটি দপ্তর, সংস্থা ও বিভাগে কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধ করে এই কালো আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।” তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে আজই আইন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বসে সমাধানের পথ বের হবে।

তিনি আরও বলেন, “প্রধান উপদেষ্টাকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছি, আজ আইন উপদেষ্টা আমাদের সঙ্গে বসবেন এবং যে সব ধারা সাধারণ কর্মচারীদের ক্ষতিগ্রস্ত করে সেগুলো বাতিল করা হবে।”

পরিষদের নেতা মো. নূরুল ইসলাম বলেন, “কয়েকজন চুক্তিভিত্তিক সচিব এই আইন করে কর্মচারীদের দমন করতে চেয়েছে। জনপ্রশাসন সচিব নিজে মামলা থাকা অবস্থায় কীভাবে অফিস করেন? তিনি এই আইন করে দ্বিচারিতা করেছেন।”

তিনি দাবি করেন, এই আইন বাতিল না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে এবং জড়িত সচিবদের পদত্যাগ চাই। একইসঙ্গে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের দাবিও জানান তিনি।

পরিষদের মহাসচিব মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, “এই কালো আইন জনবিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্ত। আইন প্রত্যাহার না হলে আগামীকাল থেকে তিনদিন ছুটি নিয়ে সচিবালয়ে কর্মচারীরা অনুপস্থিত থাকবেন।”

পরিশেষে পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবীর জানান, আজ দুপুরে আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আলোচনার ভিত্তিতে পরবর্তী আন্দোলনের কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বাদামতলায় কর্মচারীদের জমায়েত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘আইন আজই প্রত্যাহার করতে হবে, না হলে ১৮ লাখ কর্মচারী কর্মস্থলে ফিরবে না’

আপডেট সময় ০৪:০৩:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

 

 

‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভে মুখর হয়ে উঠেছে প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়। সোমবার (২৬ মে) সকাল থেকে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের উদ্যোগে জোরালো প্রতিবাদ, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন  ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: তারেক রহমানের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহার

সকাল ১১টার দিকে পরিষদের সভাপতি মো. বাদিউল কবীর ও মহাসচিব নিজাম উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে সচিবালয়ের মূল ফটকের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি সচিবালয়ের বিভিন্ন ভবন ঘুরে প্রদক্ষিণ করে। পরে আরও একটি অংশ যোগ দেয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মো. নূরুল ইসলাম ও মো. মুজাহিদুল ইসলাম।

সমাবেশে মো. বাদিউল কবীর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “এই আইন আজই প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে ১৮ লাখ কর্মচারী কর্মস্থলে ফিরবে না। দেশের প্রতিটি দপ্তর, সংস্থা ও বিভাগে কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধ করে এই কালো আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।” তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে আজই আইন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বসে সমাধানের পথ বের হবে।

তিনি আরও বলেন, “প্রধান উপদেষ্টাকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছি, আজ আইন উপদেষ্টা আমাদের সঙ্গে বসবেন এবং যে সব ধারা সাধারণ কর্মচারীদের ক্ষতিগ্রস্ত করে সেগুলো বাতিল করা হবে।”

পরিষদের নেতা মো. নূরুল ইসলাম বলেন, “কয়েকজন চুক্তিভিত্তিক সচিব এই আইন করে কর্মচারীদের দমন করতে চেয়েছে। জনপ্রশাসন সচিব নিজে মামলা থাকা অবস্থায় কীভাবে অফিস করেন? তিনি এই আইন করে দ্বিচারিতা করেছেন।”

তিনি দাবি করেন, এই আইন বাতিল না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে এবং জড়িত সচিবদের পদত্যাগ চাই। একইসঙ্গে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের দাবিও জানান তিনি।

পরিষদের মহাসচিব মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, “এই কালো আইন জনবিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্ত। আইন প্রত্যাহার না হলে আগামীকাল থেকে তিনদিন ছুটি নিয়ে সচিবালয়ে কর্মচারীরা অনুপস্থিত থাকবেন।”

পরিশেষে পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবীর জানান, আজ দুপুরে আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আলোচনার ভিত্তিতে পরবর্তী আন্দোলনের কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বাদামতলায় কর্মচারীদের জমায়েত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।