ঢাকা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫
  • / 374

ছবি সংগৃহীত

 

আজ ১৬ মে, ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস। ১৯৭৬ সালের এই দিনে ভারতের পানি আগ্রাসনের প্রতিবাদে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে রাজশাহীর মাদরাসা ময়দান থেকে শুরু হয় লাখো মানুষের অংশগ্রহণে এক ঐতিহাসিক লংমার্চ।

এই লংমার্চের মূল লক্ষ্য ছিল ভারত কর্তৃক গঙ্গা নদীর পানি একতরফাভাবে প্রত্যাহারের প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা। মরণবাঁধ নামে পরিচিত ফারাক্কা ব্যারাজের বিরুদ্ধে এই জনজোয়ার পরিণত হয় এক শক্তিশালী গণআন্দোলনে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ–তুরস্ক ঐতিহাসিক বৈঠক: বাংলাদেশকে ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে দেখতে চায় তুরস্ক

লংমার্চ চলাকালীন রাজশাহী থেকে ফারাক্কার উদ্দেশ্যে অগ্রসরমান মিছিল ভারতের বিরুদ্ধে নানা স্লোগানে মুখর ছিল। মজলুম জননেতা তার জ্বালাময়ী ভাষণে বলেন:

“তাদের জানা উচিত বাংলার মানুষ এক আল্লাহকে ছাড়া আর কাউকে ভয় পায় না। কারো হুমকিকে পরোয়া করে না। আজ যে ইতিহাস শুরু হয়েছে তা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর নতুন অধ্যায়ের সৃষ্টি করবে।”

ফারাক্কা লংমার্চ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। এই দিনটি প্রতিবছর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে জনগণের ঐক্য ও সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে স্মরণ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস

আপডেট সময় ১২:৩১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫

 

আজ ১৬ মে, ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস। ১৯৭৬ সালের এই দিনে ভারতের পানি আগ্রাসনের প্রতিবাদে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে রাজশাহীর মাদরাসা ময়দান থেকে শুরু হয় লাখো মানুষের অংশগ্রহণে এক ঐতিহাসিক লংমার্চ।

এই লংমার্চের মূল লক্ষ্য ছিল ভারত কর্তৃক গঙ্গা নদীর পানি একতরফাভাবে প্রত্যাহারের প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা। মরণবাঁধ নামে পরিচিত ফারাক্কা ব্যারাজের বিরুদ্ধে এই জনজোয়ার পরিণত হয় এক শক্তিশালী গণআন্দোলনে।

আরও পড়ুন  টুইটারের ঐতিহাসিক পাখির লোগোর মূল্য ছুঁলো ৩৪ হাজার ডলার, ইতিহাসের পাতায় জায়গা নিল স্মৃতির লোগো

লংমার্চ চলাকালীন রাজশাহী থেকে ফারাক্কার উদ্দেশ্যে অগ্রসরমান মিছিল ভারতের বিরুদ্ধে নানা স্লোগানে মুখর ছিল। মজলুম জননেতা তার জ্বালাময়ী ভাষণে বলেন:

“তাদের জানা উচিত বাংলার মানুষ এক আল্লাহকে ছাড়া আর কাউকে ভয় পায় না। কারো হুমকিকে পরোয়া করে না। আজ যে ইতিহাস শুরু হয়েছে তা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর নতুন অধ্যায়ের সৃষ্টি করবে।”

ফারাক্কা লংমার্চ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। এই দিনটি প্রতিবছর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে জনগণের ঐক্য ও সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে স্মরণ করা হয়।