০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি নিউক্যাসলকে বিদায় করে লিগ কাপ ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটি কুমিল্লায় হাঁস চুরির সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা ‘আহার গ্রহণও করা যাবে না’: নির্বাচনে কর্মকর্তাদের কঠোর নিরপেক্ষতার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কুষ্টিয়ায় জামায়াত-বিএনপির দফায় দফায় সংঘর্ষ বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করা হবে: তারেক রহমান বিশ্বের প্রথম ‘৮০০ বিলিয়ন’ ডলারের মালিক ইলন মাস্ক সোমবার বিটিভিতে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির ১০৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ: নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সরকারের বড় পদক্ষেপ ড্রাফটের আগে রিশাদকে ছেড়ে দিল লাহোর

আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫
  • / 138

ছবি সংগৃহীত

 

আজ ১৬ মে, ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস। ১৯৭৬ সালের এই দিনে ভারতের পানি আগ্রাসনের প্রতিবাদে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে রাজশাহীর মাদরাসা ময়দান থেকে শুরু হয় লাখো মানুষের অংশগ্রহণে এক ঐতিহাসিক লংমার্চ।

এই লংমার্চের মূল লক্ষ্য ছিল ভারত কর্তৃক গঙ্গা নদীর পানি একতরফাভাবে প্রত্যাহারের প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা। মরণবাঁধ নামে পরিচিত ফারাক্কা ব্যারাজের বিরুদ্ধে এই জনজোয়ার পরিণত হয় এক শক্তিশালী গণআন্দোলনে।

লংমার্চ চলাকালীন রাজশাহী থেকে ফারাক্কার উদ্দেশ্যে অগ্রসরমান মিছিল ভারতের বিরুদ্ধে নানা স্লোগানে মুখর ছিল। মজলুম জননেতা তার জ্বালাময়ী ভাষণে বলেন:

“তাদের জানা উচিত বাংলার মানুষ এক আল্লাহকে ছাড়া আর কাউকে ভয় পায় না। কারো হুমকিকে পরোয়া করে না। আজ যে ইতিহাস শুরু হয়েছে তা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর নতুন অধ্যায়ের সৃষ্টি করবে।”

ফারাক্কা লংমার্চ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। এই দিনটি প্রতিবছর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে জনগণের ঐক্য ও সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে স্মরণ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস

আপডেট সময় ১২:৩১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫

 

আজ ১৬ মে, ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস। ১৯৭৬ সালের এই দিনে ভারতের পানি আগ্রাসনের প্রতিবাদে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে রাজশাহীর মাদরাসা ময়দান থেকে শুরু হয় লাখো মানুষের অংশগ্রহণে এক ঐতিহাসিক লংমার্চ।

এই লংমার্চের মূল লক্ষ্য ছিল ভারত কর্তৃক গঙ্গা নদীর পানি একতরফাভাবে প্রত্যাহারের প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা। মরণবাঁধ নামে পরিচিত ফারাক্কা ব্যারাজের বিরুদ্ধে এই জনজোয়ার পরিণত হয় এক শক্তিশালী গণআন্দোলনে।

লংমার্চ চলাকালীন রাজশাহী থেকে ফারাক্কার উদ্দেশ্যে অগ্রসরমান মিছিল ভারতের বিরুদ্ধে নানা স্লোগানে মুখর ছিল। মজলুম জননেতা তার জ্বালাময়ী ভাষণে বলেন:

“তাদের জানা উচিত বাংলার মানুষ এক আল্লাহকে ছাড়া আর কাউকে ভয় পায় না। কারো হুমকিকে পরোয়া করে না। আজ যে ইতিহাস শুরু হয়েছে তা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর নতুন অধ্যায়ের সৃষ্টি করবে।”

ফারাক্কা লংমার্চ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। এই দিনটি প্রতিবছর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে জনগণের ঐক্য ও সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে স্মরণ করা হয়।