১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন ৬ কোটি টন ধ্বংসস্তূপের নিচে গা*জা, অপসারণে লাগবে কমপক্ষে সাত বছর

জাতিসংঘে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক, সংলাপের আহ্বান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১৫:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
  • / 85

ছবি সংগৃহীত

 

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়ে এক জরুরি রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে পরিষদের ১৫ সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা দুই প্রতিবেশী দেশকে উত্তেজনা প্রশমন এবং শান্তিপূর্ণ সংলাপে বসার আহ্বান জানান।

বৈঠকের পর কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা না হলেও পাকিস্তান পক্ষ দাবি করেছে, তারা তাদের কৌশলগত লক্ষ্যগুলোর বেশির ভাগই পূরণ করতে পেরেছে। এ বৈঠকে নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশ ছাড়াও দশটি অস্থায়ী সদস্য দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

পেহেলগামে হামলা প্রসঙ্গে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, হামলাকারীদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে। তিনি ভারত ও পাকিস্তানকে সামরিক সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ভুল করবেন না, সামরিক সমাধান কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমি দুই দেশের সরকারকে সহায়তা করতে প্রস্তুত।”

দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের অনুরোধে এ রুদ্ধদ্বার বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠকে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার বক্তব্য রাখেন এবং কাশ্মীর ইস্যুকে ভারত-পাকিস্তানের দীর্ঘ ৭০ বছরের বিরোধ হিসেবে তুলে ধরেন।

এক সংবাদ সম্মেলনে ইফতিখার বলেন, নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা যে আন্তরিক মনোযোগ ও সম্পৃক্ততা দেখিয়েছেন, তার জন্য পাকিস্তান কৃতজ্ঞ। তিনি জানান, পাকিস্তান ভারতের সাম্প্রতিক একতরফা পদক্ষেপে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং এ বিষয়ে পরিষদে জোরালোভাবে বক্তব্য দিয়েছে।

ইফতিখার আরও বলেন, পাকিস্তান সব সময় তার সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় প্রস্তুত। তবে কাশ্মীর সমস্যার স্থায়ী সমাধান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি সম্ভব নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “কাশ্মীরি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া এ বিরোধের টেকসই সমাধান কখনোই সম্ভব নয়।”

নিরাপত্তা পরিষদের এ আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন এবং রাজনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খোঁজার গুরুত্বই উঠে এসেছে বলে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতিসংঘে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক, সংলাপের আহ্বান

আপডেট সময় ০৫:১৫:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

 

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়ে এক জরুরি রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে পরিষদের ১৫ সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা দুই প্রতিবেশী দেশকে উত্তেজনা প্রশমন এবং শান্তিপূর্ণ সংলাপে বসার আহ্বান জানান।

বৈঠকের পর কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা না হলেও পাকিস্তান পক্ষ দাবি করেছে, তারা তাদের কৌশলগত লক্ষ্যগুলোর বেশির ভাগই পূরণ করতে পেরেছে। এ বৈঠকে নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশ ছাড়াও দশটি অস্থায়ী সদস্য দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

পেহেলগামে হামলা প্রসঙ্গে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, হামলাকারীদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে। তিনি ভারত ও পাকিস্তানকে সামরিক সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ভুল করবেন না, সামরিক সমাধান কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমি দুই দেশের সরকারকে সহায়তা করতে প্রস্তুত।”

দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের অনুরোধে এ রুদ্ধদ্বার বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠকে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার বক্তব্য রাখেন এবং কাশ্মীর ইস্যুকে ভারত-পাকিস্তানের দীর্ঘ ৭০ বছরের বিরোধ হিসেবে তুলে ধরেন।

এক সংবাদ সম্মেলনে ইফতিখার বলেন, নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা যে আন্তরিক মনোযোগ ও সম্পৃক্ততা দেখিয়েছেন, তার জন্য পাকিস্তান কৃতজ্ঞ। তিনি জানান, পাকিস্তান ভারতের সাম্প্রতিক একতরফা পদক্ষেপে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং এ বিষয়ে পরিষদে জোরালোভাবে বক্তব্য দিয়েছে।

ইফতিখার আরও বলেন, পাকিস্তান সব সময় তার সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় প্রস্তুত। তবে কাশ্মীর সমস্যার স্থায়ী সমাধান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি সম্ভব নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “কাশ্মীরি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া এ বিরোধের টেকসই সমাধান কখনোই সম্ভব নয়।”

নিরাপত্তা পরিষদের এ আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন এবং রাজনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খোঁজার গুরুত্বই উঠে এসেছে বলে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।