ঢাকা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

জাতীয় নির্বাচন ফেব্রুয়ারি বা এপ্রিলের মধ্যে আয়োজনের পরামর্শ জামায়াত আমিরের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • / 370

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় নির্বাচন আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি অথবা এপ্রিল মাসের মধ্যে আয়োজনের পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (৩ মে) সকালে রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে আয়োজিত জেলা ও মহানগর আমিরদের সম্মেলনে তিনি এ বক্তব্য দেন।

নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে জামায়াত আমির বলেন, “সরকার জানিয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়ন ও অংশীজনদের সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন সম্ভব হবে। আমরা মনে করি, ফেব্রুয়ারি মাসে রোজার আগেই নির্বাচন আয়োজন উপযুক্ত সময় হতে পারে। আর যদি সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া সময়মতো শেষ না হয়, তাহলে এপ্রিলের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া উচিত। এরপর ঈদুল আজহা ও মৌসুমি দুর্যোগের কারণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে।”

আরও পড়ুন  নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা দিলেন জামায়াত আমির

সরকারের কিছু উপদেষ্টার আচরণ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, “কখনও কখনও সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা এমন মন্তব্য করে বসেন যা অনাকাঙ্ক্ষিত ও রাজনৈতিকভাবে বিভ্রান্তিকর। তাদের এসব বক্তব্য থেকে বিরত থাকা উচিত।”

সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিয়ে জাতীয়ভাবে যে প্রত্যাশা সৃষ্টি হয়েছে তা তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, “জনগণ একটি নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন দেখতে চায়। অর্থ পাচারের বিচার এবং পেশিশক্তি ও কালো টাকার প্রভাবমুক্ত নির্বাচনের জন্য পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি বিবেচনায় আনা প্রয়োজন। বিশ্বের অনেক দেশেই এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।”

এছাড়া নারী কমিশনের প্রতিবেদন নিয়েও উদ্বেগ জানান তিনি। বলেন, “কমিশনের কিছু সুপারিশ সরাসরি কোরআনের শিক্ষার পরিপন্থী। এসব বাস্তবায়িত হলে দেশের পারিবারিক কাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ বিষয়ে আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি এবং আশা করি সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”

সম্মেলনের শেষদিকে ডা. শফিকুর রহমান রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে রাখার আহ্বান জানান। বলেন, “যেসব দল নিজেদের কর্মীদের চাঁদাবাজি ও সামাজিক অপরাধ থেকে বিরত রাখতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা হারিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকা দরকার।”

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় নির্বাচন ফেব্রুয়ারি বা এপ্রিলের মধ্যে আয়োজনের পরামর্শ জামায়াত আমিরের

আপডেট সময় ১১:০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

 

জাতীয় নির্বাচন আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি অথবা এপ্রিল মাসের মধ্যে আয়োজনের পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (৩ মে) সকালে রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে আয়োজিত জেলা ও মহানগর আমিরদের সম্মেলনে তিনি এ বক্তব্য দেন।

নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে জামায়াত আমির বলেন, “সরকার জানিয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়ন ও অংশীজনদের সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন সম্ভব হবে। আমরা মনে করি, ফেব্রুয়ারি মাসে রোজার আগেই নির্বাচন আয়োজন উপযুক্ত সময় হতে পারে। আর যদি সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া সময়মতো শেষ না হয়, তাহলে এপ্রিলের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া উচিত। এরপর ঈদুল আজহা ও মৌসুমি দুর্যোগের কারণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে।”

আরও পড়ুন  সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে দ্রব্যমূল্য বাড়ানো হচ্ছে: জামায়াত আমির

সরকারের কিছু উপদেষ্টার আচরণ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, “কখনও কখনও সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা এমন মন্তব্য করে বসেন যা অনাকাঙ্ক্ষিত ও রাজনৈতিকভাবে বিভ্রান্তিকর। তাদের এসব বক্তব্য থেকে বিরত থাকা উচিত।”

সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিয়ে জাতীয়ভাবে যে প্রত্যাশা সৃষ্টি হয়েছে তা তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, “জনগণ একটি নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন দেখতে চায়। অর্থ পাচারের বিচার এবং পেশিশক্তি ও কালো টাকার প্রভাবমুক্ত নির্বাচনের জন্য পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি বিবেচনায় আনা প্রয়োজন। বিশ্বের অনেক দেশেই এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।”

এছাড়া নারী কমিশনের প্রতিবেদন নিয়েও উদ্বেগ জানান তিনি। বলেন, “কমিশনের কিছু সুপারিশ সরাসরি কোরআনের শিক্ষার পরিপন্থী। এসব বাস্তবায়িত হলে দেশের পারিবারিক কাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ বিষয়ে আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি এবং আশা করি সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”

সম্মেলনের শেষদিকে ডা. শফিকুর রহমান রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে রাখার আহ্বান জানান। বলেন, “যেসব দল নিজেদের কর্মীদের চাঁদাবাজি ও সামাজিক অপরাধ থেকে বিরত রাখতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা হারিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকা দরকার।”