ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভারতে আটক ৭ বাংলাদেশির মুক্তি চেয়ে জরুরি নোটিশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫
  • / 268

ছবি সংগৃহীত

 

ভারতের মেঘালয়ে ছয় মাস ধরে আটক থাকা সাতজন বাংলাদেশি জেলের মুক্তির দাবিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বিভূতি তরফদার এ নোটিশ পাঠিয়েছেন।

নোটিশের অনুলিপি পররাষ্ট্র সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, বিজিবি মহাপরিচালক, কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক এবং চিলমারী উপজেলার ইউএনও’র কাছেও পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন  কাশ্মির হামলা: অভিযুক্ত দুই বিদ্রোহীর বাড়ি ধ্বংস করল ভারত

চ্যানেল ২৪-এর এক প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৪ নভেম্বর কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার জিঞ্জিরাম নদী দিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে ভুলবশত ভারতের সীমান্তে প্রবেশ করেন সাত বাংলাদেশি জেলে। এরপর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের আটক করে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে কারাগারে পাঠায়। বর্তমানে তারা মেঘালয়ের কালাইর চর পেট্রোল থানার আমপাতি হাজতে আটক রয়েছেন।

আটক জেলেরা হলেন চিলমারীর হরিনের বন্দ এলাকার রাসেল মিয়া (৩৫), ব্যাপারীপাড়ার বিপ্লব মিয়া (৪৫), মীর জাহান আলী (৪৫), বকুল মিয়া (৩২), আমির আলী (৩৫), রাজিবপুরের বালিয়ামারী এলাকার আঙ্গুর হোসেন (২০) ও রৌমারীর যাদুর চর বকবান্ধা গ্রামের চাঁন মিয়া (৬০)।

বিএসএফের হাতে আটকের বিষয়টি প্রথমে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে পরিবারগুলো এ বিষয়ে জানতে পারে। এরপর থেকে ছয় মাস পার হলেও এখনও মুক্তির কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ভারতীয় এক আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের চেষ্টা করলেও অর্থের অভাবে তা সম্ভব হয়নি। সর্বশেষ ২১ এপ্রিল জামিন শুনানির তারিখ থাকলেও প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে সেটিও হয়নি।

আটকদের পরিবারের সদস্যরা জানান, ভারতীয় উকিল ২ লাখ টাকা চেয়েছে, যা তাদের পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব। সংসার চালানো, বাচ্চাদের পড়ালেখা সবকিছুই এখন অনিশ্চয়তায়। তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।

মানবাধিকার আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, “রাষ্ট্র যদি সক্রিয় না হয়, তাহলে এ ধরনের আটক জেলেদের মুক্তি পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে ভুল করে সীমান্ত অতিক্রম করলেও সেটির জন্য সারাজীবন কারাগারে থাকা অমানবিক। বিষয়টি দ্রুত রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সমাধান হওয়া উচিত।”

নিউজটি শেয়ার করুন

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভারতে আটক ৭ বাংলাদেশির মুক্তি চেয়ে জরুরি নোটিশ

আপডেট সময় ০২:৪৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫

 

ভারতের মেঘালয়ে ছয় মাস ধরে আটক থাকা সাতজন বাংলাদেশি জেলের মুক্তির দাবিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বিভূতি তরফদার এ নোটিশ পাঠিয়েছেন।

নোটিশের অনুলিপি পররাষ্ট্র সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, বিজিবি মহাপরিচালক, কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক এবং চিলমারী উপজেলার ইউএনও’র কাছেও পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন  ভারতের অরুণাচলের ২৭ জায়গার নতুন নামকরণ করল চীন

চ্যানেল ২৪-এর এক প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৪ নভেম্বর কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার জিঞ্জিরাম নদী দিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে ভুলবশত ভারতের সীমান্তে প্রবেশ করেন সাত বাংলাদেশি জেলে। এরপর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের আটক করে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে কারাগারে পাঠায়। বর্তমানে তারা মেঘালয়ের কালাইর চর পেট্রোল থানার আমপাতি হাজতে আটক রয়েছেন।

আটক জেলেরা হলেন চিলমারীর হরিনের বন্দ এলাকার রাসেল মিয়া (৩৫), ব্যাপারীপাড়ার বিপ্লব মিয়া (৪৫), মীর জাহান আলী (৪৫), বকুল মিয়া (৩২), আমির আলী (৩৫), রাজিবপুরের বালিয়ামারী এলাকার আঙ্গুর হোসেন (২০) ও রৌমারীর যাদুর চর বকবান্ধা গ্রামের চাঁন মিয়া (৬০)।

বিএসএফের হাতে আটকের বিষয়টি প্রথমে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে পরিবারগুলো এ বিষয়ে জানতে পারে। এরপর থেকে ছয় মাস পার হলেও এখনও মুক্তির কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ভারতীয় এক আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের চেষ্টা করলেও অর্থের অভাবে তা সম্ভব হয়নি। সর্বশেষ ২১ এপ্রিল জামিন শুনানির তারিখ থাকলেও প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে সেটিও হয়নি।

আটকদের পরিবারের সদস্যরা জানান, ভারতীয় উকিল ২ লাখ টাকা চেয়েছে, যা তাদের পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব। সংসার চালানো, বাচ্চাদের পড়ালেখা সবকিছুই এখন অনিশ্চয়তায়। তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।

মানবাধিকার আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, “রাষ্ট্র যদি সক্রিয় না হয়, তাহলে এ ধরনের আটক জেলেদের মুক্তি পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে ভুল করে সীমান্ত অতিক্রম করলেও সেটির জন্য সারাজীবন কারাগারে থাকা অমানবিক। বিষয়টি দ্রুত রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সমাধান হওয়া উচিত।”