০২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন

দুর্নীতির মামলায় বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান ও স্ত্রী খালাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 165

ছবি: সংগৃহীত

 

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমানউল্লাহ আমান ও তাঁর স্ত্রী সাবেরা আমানকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

আজ বুধবার প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে থাকা আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আপিল বিভাগের রায়ে হাইকোর্টের পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ বহাল রাখা রায় বাতিল করা হয়েছে এবং দুজনকেই খালাস দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

দুদকের দায়ের করা মামলায় আগের রায়ে আমানউল্লাহ আমান ও তাঁর স্ত্রীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ওই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে তাঁরা উচ্চ আদালতে আপিল করেন। আজ সেই আপিল গ্রহণ করে তাঁদের বিরুদ্ধে দেওয়া সাজা বাতিল করা হয়।

বিচারপতির রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আমানউল্লাহ আমানের আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন সাংবাদিকদের জানান, “এই রায়ের ফলে আমানউল্লাহ আমান এখন আইনগতভাবে কোনো বাধা ছাড়াই ভবিষ্যতে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।”

২০০৭ সালে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে এই মামলা করা হয়। অভিযোগ ছিল, অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন ও তা গোপনের। দীর্ঘদিন ধরে মামলাটি বিচারাধীন ছিল। হাইকোর্ট এক পর্যায়ে তাঁদের সাজা বহাল রাখলেও পরে আপিল বিভাগে রায় চ্যালেঞ্জ করেন তারা।

এমতাবস্থায় আপিল বিভাগের এই রায় বিএনপির পক্ষ থেকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

এদিকে, সাবেরা আমান এই মামলার কারণে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে সুবিচার পেয়েছেন তাঁরা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আমানউল্লাহ আমান এখন দলীয় কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় হবেন এবং সামনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে আগ্রহী। এই রায়ের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছরের আইনি জটিলতার অবসান ঘটলো, যা আমান দম্পতির রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনে নতুন অধ্যায় সূচিত করল।

নিউজটি শেয়ার করুন

দুর্নীতির মামলায় বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান ও স্ত্রী খালাস

আপডেট সময় ১০:১৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫

 

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমানউল্লাহ আমান ও তাঁর স্ত্রী সাবেরা আমানকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

আজ বুধবার প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে থাকা আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আপিল বিভাগের রায়ে হাইকোর্টের পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ বহাল রাখা রায় বাতিল করা হয়েছে এবং দুজনকেই খালাস দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

দুদকের দায়ের করা মামলায় আগের রায়ে আমানউল্লাহ আমান ও তাঁর স্ত্রীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ওই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে তাঁরা উচ্চ আদালতে আপিল করেন। আজ সেই আপিল গ্রহণ করে তাঁদের বিরুদ্ধে দেওয়া সাজা বাতিল করা হয়।

বিচারপতির রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আমানউল্লাহ আমানের আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন সাংবাদিকদের জানান, “এই রায়ের ফলে আমানউল্লাহ আমান এখন আইনগতভাবে কোনো বাধা ছাড়াই ভবিষ্যতে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।”

২০০৭ সালে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে এই মামলা করা হয়। অভিযোগ ছিল, অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন ও তা গোপনের। দীর্ঘদিন ধরে মামলাটি বিচারাধীন ছিল। হাইকোর্ট এক পর্যায়ে তাঁদের সাজা বহাল রাখলেও পরে আপিল বিভাগে রায় চ্যালেঞ্জ করেন তারা।

এমতাবস্থায় আপিল বিভাগের এই রায় বিএনপির পক্ষ থেকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

এদিকে, সাবেরা আমান এই মামলার কারণে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে সুবিচার পেয়েছেন তাঁরা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আমানউল্লাহ আমান এখন দলীয় কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় হবেন এবং সামনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে আগ্রহী। এই রায়ের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছরের আইনি জটিলতার অবসান ঘটলো, যা আমান দম্পতির রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনে নতুন অধ্যায় সূচিত করল।