ঢাকা ১০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

দুর্নীতির মামলায় বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান ও স্ত্রী খালাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 344

ছবি: সংগৃহীত

 

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমানউল্লাহ আমান ও তাঁর স্ত্রী সাবেরা আমানকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

আজ বুধবার প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে থাকা আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আপিল বিভাগের রায়ে হাইকোর্টের পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ বহাল রাখা রায় বাতিল করা হয়েছে এবং দুজনকেই খালাস দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  টিউলিপ সিদ্দিককে দুদকে হানা

দুদকের দায়ের করা মামলায় আগের রায়ে আমানউল্লাহ আমান ও তাঁর স্ত্রীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ওই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে তাঁরা উচ্চ আদালতে আপিল করেন। আজ সেই আপিল গ্রহণ করে তাঁদের বিরুদ্ধে দেওয়া সাজা বাতিল করা হয়।

বিচারপতির রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আমানউল্লাহ আমানের আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন সাংবাদিকদের জানান, “এই রায়ের ফলে আমানউল্লাহ আমান এখন আইনগতভাবে কোনো বাধা ছাড়াই ভবিষ্যতে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।”

২০০৭ সালে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে এই মামলা করা হয়। অভিযোগ ছিল, অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন ও তা গোপনের। দীর্ঘদিন ধরে মামলাটি বিচারাধীন ছিল। হাইকোর্ট এক পর্যায়ে তাঁদের সাজা বহাল রাখলেও পরে আপিল বিভাগে রায় চ্যালেঞ্জ করেন তারা।

এমতাবস্থায় আপিল বিভাগের এই রায় বিএনপির পক্ষ থেকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

এদিকে, সাবেরা আমান এই মামলার কারণে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে সুবিচার পেয়েছেন তাঁরা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আমানউল্লাহ আমান এখন দলীয় কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় হবেন এবং সামনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে আগ্রহী। এই রায়ের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছরের আইনি জটিলতার অবসান ঘটলো, যা আমান দম্পতির রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনে নতুন অধ্যায় সূচিত করল।

নিউজটি শেয়ার করুন

দুর্নীতির মামলায় বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান ও স্ত্রী খালাস

আপডেট সময় ১০:১৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫

 

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমানউল্লাহ আমান ও তাঁর স্ত্রী সাবেরা আমানকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

আজ বুধবার প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে থাকা আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আপিল বিভাগের রায়ে হাইকোর্টের পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ বহাল রাখা রায় বাতিল করা হয়েছে এবং দুজনকেই খালাস দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ

দুদকের দায়ের করা মামলায় আগের রায়ে আমানউল্লাহ আমান ও তাঁর স্ত্রীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ওই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে তাঁরা উচ্চ আদালতে আপিল করেন। আজ সেই আপিল গ্রহণ করে তাঁদের বিরুদ্ধে দেওয়া সাজা বাতিল করা হয়।

বিচারপতির রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আমানউল্লাহ আমানের আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন সাংবাদিকদের জানান, “এই রায়ের ফলে আমানউল্লাহ আমান এখন আইনগতভাবে কোনো বাধা ছাড়াই ভবিষ্যতে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।”

২০০৭ সালে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে এই মামলা করা হয়। অভিযোগ ছিল, অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন ও তা গোপনের। দীর্ঘদিন ধরে মামলাটি বিচারাধীন ছিল। হাইকোর্ট এক পর্যায়ে তাঁদের সাজা বহাল রাখলেও পরে আপিল বিভাগে রায় চ্যালেঞ্জ করেন তারা।

এমতাবস্থায় আপিল বিভাগের এই রায় বিএনপির পক্ষ থেকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

এদিকে, সাবেরা আমান এই মামলার কারণে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে সুবিচার পেয়েছেন তাঁরা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আমানউল্লাহ আমান এখন দলীয় কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় হবেন এবং সামনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে আগ্রহী। এই রায়ের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছরের আইনি জটিলতার অবসান ঘটলো, যা আমান দম্পতির রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনে নতুন অধ্যায় সূচিত করল।