ঢাকা ০৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

কপিরাইট লঙ্ঘনের মামলায় এ আর রহমানকে ২ কোটি রুপি জরিমানা দিল্লি হাই কোর্টের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 414

ছবি সংগৃহীত

 

দক্ষিণী সিনেমা ‘পন্নিইন সেলভান ২’-এর জনপ্রিয় গান ‘বীরা রাজা বীরা’কে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সম্প্রতি এই গানটিকে চুরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, আর তাতে কপিরাইট লঙ্ঘনের মামলায় জড়িয়েছেন বিখ্যাত সুরকার এ আর রহমান।

অভিযোগ অনুযায়ী, ‘বীরা রাজা বীরা’ গানটি বিখ্যাত ধ্রুপদ শিল্পী নাসির ফৈয়াজুদ্দিন দাগার এবং তার ভাই জাহিরুদ্দিন দাগারের সৃষ্ট ‘শিবা স্তুতি’ থেকে অনুপ্রাণিত নয়, বরং সরাসরি চুরি করা হয়েছে। এই অভিযোগ এনেছেন নাসির ফৈয়াজুদ্দিন দাগারের পুত্র, প্রখ্যাত ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী এবং পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত ফৈয়াজ ওয়াসিফুদ্দিন দাগার।

আরও পড়ুন  সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনের শেষ দিনের ভোটগ্রহণ চলছে

এই মামলার প্রেক্ষিতে দিল্লি হাই কোর্ট এক রায় দিয়েছে, যেখানে এ আর রহমান এবং গানটির প্রযোজক প্রতিষ্ঠান মাদ্রাস টকিজকে ২ কোটি রুপি জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি প্রতিভা এম সিং রায়ে উল্লেখ করেন, যদিও ‘বীরা রাজা বীরা’ গানটি ‘শিবা স্তুতি’র হুবহু অনুলিপি নয়, তবুও শ্রবণে দুইটি গান অত্যন্ত সাদৃশ্যপূর্ণ।

অন্যদিকে, এ আর রহমান দাবি করেছেন, ‘শিবা স্তুতি’ একটি ঐতিহ্যবাহী ধ্রুপদ রচনার উপর ভিত্তি করে তৈরি, এবং এটি কোনো ব্যক্তির একক মালিকানাধীন নয়। তিনি আরও বলেন, ‘বীরা রাজা বীরা’ গানটি সম্পূর্ণ মৌলিক, যেখানে ধ্রুপদের পাশাপাশি পাশ্চাত্য সংগীতের উপাদানও সংযোজন করা হয়েছে। গানটিতে মোট ২২৭টি সংগীত স্তরের ব্যবহার রয়েছে।

তবে এই যুক্তি আদালতে গ্রহণযোগ্য হয়নি। আদালত মনে করে, গানটির সংগীত কাঠামো ও সুরের মিল এতটাই স্পষ্ট যে এটি কপিরাইট লঙ্ঘনের পর্যায়ে পড়ে।

এই রায়ের ফলে, কপিরাইট আইন সংক্রান্ত বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে, যেখানে প্রাচীন সংগীত ও আধুনিক কম্পোজিশনের সীমারেখা নিয়ে আলোচনা বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কপিরাইট লঙ্ঘনের মামলায় এ আর রহমানকে ২ কোটি রুপি জরিমানা দিল্লি হাই কোর্টের

আপডেট সময় ০৩:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫

 

দক্ষিণী সিনেমা ‘পন্নিইন সেলভান ২’-এর জনপ্রিয় গান ‘বীরা রাজা বীরা’কে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সম্প্রতি এই গানটিকে চুরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, আর তাতে কপিরাইট লঙ্ঘনের মামলায় জড়িয়েছেন বিখ্যাত সুরকার এ আর রহমান।

অভিযোগ অনুযায়ী, ‘বীরা রাজা বীরা’ গানটি বিখ্যাত ধ্রুপদ শিল্পী নাসির ফৈয়াজুদ্দিন দাগার এবং তার ভাই জাহিরুদ্দিন দাগারের সৃষ্ট ‘শিবা স্তুতি’ থেকে অনুপ্রাণিত নয়, বরং সরাসরি চুরি করা হয়েছে। এই অভিযোগ এনেছেন নাসির ফৈয়াজুদ্দিন দাগারের পুত্র, প্রখ্যাত ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী এবং পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত ফৈয়াজ ওয়াসিফুদ্দিন দাগার।

আরও পড়ুন  দিল্লিতে ১৬ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

এই মামলার প্রেক্ষিতে দিল্লি হাই কোর্ট এক রায় দিয়েছে, যেখানে এ আর রহমান এবং গানটির প্রযোজক প্রতিষ্ঠান মাদ্রাস টকিজকে ২ কোটি রুপি জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি প্রতিভা এম সিং রায়ে উল্লেখ করেন, যদিও ‘বীরা রাজা বীরা’ গানটি ‘শিবা স্তুতি’র হুবহু অনুলিপি নয়, তবুও শ্রবণে দুইটি গান অত্যন্ত সাদৃশ্যপূর্ণ।

অন্যদিকে, এ আর রহমান দাবি করেছেন, ‘শিবা স্তুতি’ একটি ঐতিহ্যবাহী ধ্রুপদ রচনার উপর ভিত্তি করে তৈরি, এবং এটি কোনো ব্যক্তির একক মালিকানাধীন নয়। তিনি আরও বলেন, ‘বীরা রাজা বীরা’ গানটি সম্পূর্ণ মৌলিক, যেখানে ধ্রুপদের পাশাপাশি পাশ্চাত্য সংগীতের উপাদানও সংযোজন করা হয়েছে। গানটিতে মোট ২২৭টি সংগীত স্তরের ব্যবহার রয়েছে।

তবে এই যুক্তি আদালতে গ্রহণযোগ্য হয়নি। আদালত মনে করে, গানটির সংগীত কাঠামো ও সুরের মিল এতটাই স্পষ্ট যে এটি কপিরাইট লঙ্ঘনের পর্যায়ে পড়ে।

এই রায়ের ফলে, কপিরাইট আইন সংক্রান্ত বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে, যেখানে প্রাচীন সংগীত ও আধুনিক কম্পোজিশনের সীমারেখা নিয়ে আলোচনা বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।