ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার পথে ফ্রান্স, জুনে বড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত ম্যাখোঁর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৫:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 399

ছবি সংগৃহীত

 

ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে ফ্রান্স। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ জানিয়েছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই তার দেশ এই স্বীকৃতি প্রদান করতে পারে। এমনকি এই পদক্ষেপটি চলতি বছরের জুন মাসেই বাস্তবায়িত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

ম্যাখোঁ বলেন, “আমরা ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির দিকে এগিয়ে যাব এবং তা অদূর ভবিষ্যতেই বাস্তবায়ন করব।” তিনি আরও জানান, জুন মাসে সৌদি আরবের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সভাপতিত্ব করার পরিকল্পনা রয়েছে ফ্রান্সের। সেখানে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকট নিরসনে নানা পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে পারে।

আরও পড়ুন  ফ্রান্সের হাতে ইউরোপের নিরাপত্তার ভার: প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ

এই ঘোষণায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, ফ্রান্স মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আগের চেয়েও বেশি সক্রিয় হতে চলেছে। ম্যাখোঁর মতে, “এটা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত হবে, যা ফিলিস্তিনপন্থী সকল পক্ষকে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার পথ তৈরি করে দেবে। এখনও অনেক ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না।”

দীর্ঘদিন ধরেই ফ্রান্স দুই-রাষ্ট্র ভিত্তিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান করে আসছে। তবে, এবার সরাসরি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেশটির কূটনৈতিক অবস্থানে বড় এক পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, ফ্রান্সের এই সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

অন্যদিকে, ইসরায়েল এ ধরনের সিদ্ধান্তের কড়া বিরোধিতা করতে পারে বলেই ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ, এমন স্বীকৃতি ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে কিছুটা চাপে ফেলতে পারে।

বিশ্বরাজনীতিতে ফ্রান্সের এই পদক্ষেপ এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে চলেছে। একদিকে যেমন এটি ফিলিস্তিনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আন্দোলনকে শক্তিশালী করবে, অন্যদিকে শান্তি আলোচনার টেবিলে দুই পক্ষের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার পথে ফ্রান্স, জুনে বড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত ম্যাখোঁর

আপডেট সময় ১২:৪৫:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

 

ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে ফ্রান্স। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ জানিয়েছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই তার দেশ এই স্বীকৃতি প্রদান করতে পারে। এমনকি এই পদক্ষেপটি চলতি বছরের জুন মাসেই বাস্তবায়িত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

ম্যাখোঁ বলেন, “আমরা ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির দিকে এগিয়ে যাব এবং তা অদূর ভবিষ্যতেই বাস্তবায়ন করব।” তিনি আরও জানান, জুন মাসে সৌদি আরবের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সভাপতিত্ব করার পরিকল্পনা রয়েছে ফ্রান্সের। সেখানে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকট নিরসনে নানা পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে পারে।

আরও পড়ুন  ফ্রান্স-প্যারাগুয়ে ম্যাচ নিয়ে অনিশ্চয়তা

এই ঘোষণায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, ফ্রান্স মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আগের চেয়েও বেশি সক্রিয় হতে চলেছে। ম্যাখোঁর মতে, “এটা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত হবে, যা ফিলিস্তিনপন্থী সকল পক্ষকে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার পথ তৈরি করে দেবে। এখনও অনেক ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না।”

দীর্ঘদিন ধরেই ফ্রান্স দুই-রাষ্ট্র ভিত্তিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান করে আসছে। তবে, এবার সরাসরি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেশটির কূটনৈতিক অবস্থানে বড় এক পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, ফ্রান্সের এই সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

অন্যদিকে, ইসরায়েল এ ধরনের সিদ্ধান্তের কড়া বিরোধিতা করতে পারে বলেই ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ, এমন স্বীকৃতি ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে কিছুটা চাপে ফেলতে পারে।

বিশ্বরাজনীতিতে ফ্রান্সের এই পদক্ষেপ এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে চলেছে। একদিকে যেমন এটি ফিলিস্তিনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আন্দোলনকে শক্তিশালী করবে, অন্যদিকে শান্তি আলোচনার টেবিলে দুই পক্ষের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।