০১:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান জাতিসংঘের এলডিসি উত্তরণবিষয়ক প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারের সফল প্রথম উড্ডয়ন

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রোবটিক প্রযুক্তিভিত্তিক পুনর্বাসন সেবা চালু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • / 135

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রোবটিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পুনর্বাসন সেবা চালু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)-এর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে এই সেবার পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “এটি বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় একটি নতুন মাইলফলক। রোবটিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুনর্বাসন সেবা দেশের স্বাস্থ্যখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।”

বিজ্ঞাপন

তিনি এক ফেসবুক পোস্টে জানান, বিএমইউ-এর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে চালু হওয়া এ কেন্দ্রটি চীনের কারিগরি সহায়তায় গড়ে তোলা হয়েছে। এ সেন্টারে মোট ৬২টি অত্যাধুনিক রোবট রয়েছে, যার মধ্যে ২২টি রোবট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (AI-based)। এই রোবটগুলোর মাধ্যমে পক্ষাঘাত, স্নায়ুরোগ, দুর্ঘটনার পরবর্তী চিকিৎসা ও ফিজিওথেরাপিসহ বিভিন্ন ধরনের পুনর্বাসন সেবা প্রদান করা হবে।

বিশেষভাবে, স্ট্রোক বা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত রোগীরা এই রোবটিক সেন্টার থেকে উন্নত সেবা পাবেন। এছাড়াও, জুলাই আন্দোলনে আহতদের জন্য বিনামূল্যে সেবা প্রদানের ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, রোবটগুলোর মাধ্যমে রোগীর শারীরিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে চিকিৎসা ও থেরাপি দেওয়া সম্ভব হবে। ফিজিওথেরাপি ও স্নায়ুবিক পুনর্বাসনে এসব রোবট অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য খাতে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের অংশ হিসেবে এই রোবটিক রিহ্যাব সেন্টার চিকিৎসকদের জন্য যেমন সহায়ক হবে, তেমনি রোগীদের পুনরুদ্ধারে নতুন আশার দ্বার উন্মোচন করবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে এই প্রথমবারের মতো এমন উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর কেন্দ্র চালু হওয়ায় বাংলাদেশের চিকিৎসা সেবার মান এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রোবটিক প্রযুক্তিভিত্তিক পুনর্বাসন সেবা চালু

আপডেট সময় ০৩:০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

 

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রোবটিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পুনর্বাসন সেবা চালু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)-এর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে এই সেবার পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “এটি বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় একটি নতুন মাইলফলক। রোবটিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুনর্বাসন সেবা দেশের স্বাস্থ্যখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।”

বিজ্ঞাপন

তিনি এক ফেসবুক পোস্টে জানান, বিএমইউ-এর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে চালু হওয়া এ কেন্দ্রটি চীনের কারিগরি সহায়তায় গড়ে তোলা হয়েছে। এ সেন্টারে মোট ৬২টি অত্যাধুনিক রোবট রয়েছে, যার মধ্যে ২২টি রোবট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (AI-based)। এই রোবটগুলোর মাধ্যমে পক্ষাঘাত, স্নায়ুরোগ, দুর্ঘটনার পরবর্তী চিকিৎসা ও ফিজিওথেরাপিসহ বিভিন্ন ধরনের পুনর্বাসন সেবা প্রদান করা হবে।

বিশেষভাবে, স্ট্রোক বা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত রোগীরা এই রোবটিক সেন্টার থেকে উন্নত সেবা পাবেন। এছাড়াও, জুলাই আন্দোলনে আহতদের জন্য বিনামূল্যে সেবা প্রদানের ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, রোবটগুলোর মাধ্যমে রোগীর শারীরিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে চিকিৎসা ও থেরাপি দেওয়া সম্ভব হবে। ফিজিওথেরাপি ও স্নায়ুবিক পুনর্বাসনে এসব রোবট অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য খাতে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের অংশ হিসেবে এই রোবটিক রিহ্যাব সেন্টার চিকিৎসকদের জন্য যেমন সহায়ক হবে, তেমনি রোগীদের পুনরুদ্ধারে নতুন আশার দ্বার উন্মোচন করবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে এই প্রথমবারের মতো এমন উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর কেন্দ্র চালু হওয়ায় বাংলাদেশের চিকিৎসা সেবার মান এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।