ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় নির্বাচনের আগে ৯ দফা সংস্কারে ইসির দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন ইসি সচিব

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫
  • / 176

ছবি সংগৃহীত

 

নতুন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে সরকারের চাহিদা অনুযায়ী ৯টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর দ্রুততম সময়ে মতামত দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এসব বিষয়ে শিগগিরই সুস্পষ্ট অবস্থান জানাবে কমিশন এমনটাই জানিয়েছেন ইসির সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেন।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে যেসব সংস্কার চাওয়া হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে আরপিও সংশোধন, ইসি সচিবালয় আইন, নির্বাচন কর্মকর্তা বিশেষ বিধান আইন, পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যম নীতিমালা, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ বিধিমালা, হলফনামার খসড়া, ভোটার তালিকা হালনাগাদ, পোস্টাল ব্যালট এবং নির্বাচনী অর্থায়নের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার প্রস্তাব।”

আরও পড়ুন  জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন জরুরি: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

তিনি জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনাররা এসব বিষয়ের ওপর ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু করেছেন। কোন সুপারিশগুলো বাস্তবায়নযোগ্য, তা নির্ধারণ করে দ্রুত মতামত পাঠানো হবে। লিখিতভাবে মতামত জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

সচিব আখতার বলেন, “সব বিষয়ের ওপর কমিশনের অভিন্ন মত নাও থাকতে পারে। কিছু বিষয়ে ভিন্নমতসহ নতুন সুপারিশ দিতে পারে নির্বাচন কমিশন।” তিনি আরও বলেন, “ডিসেম্বরে নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে এগোলে সংস্কার ও অন্যান্য প্রস্তুতি দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। প্রস্তুতিতে যেন কোনও ব্যাঘাত না ঘটে, সে বিষয়েও কমিশন সচেতন। স্বল্পতম সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী পরিবেশ বিশ্বাসযোগ্য করতে এসব সংস্কার কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তবে সময়সীমা অত্যন্ত সঙ্কুচিত হওয়ায় দ্রুত সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়নই চূড়ান্ত নির্বাচনের আগে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এসব সংস্কারের প্রস্তাব নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও আলোচনা হতে পারে। নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়—সে লক্ষ্যেই ইসি এখন কাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় নির্বাচনের আগে ৯ দফা সংস্কারে ইসির দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন ইসি সচিব

আপডেট সময় ০৪:৪৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫

 

নতুন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে সরকারের চাহিদা অনুযায়ী ৯টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর দ্রুততম সময়ে মতামত দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এসব বিষয়ে শিগগিরই সুস্পষ্ট অবস্থান জানাবে কমিশন এমনটাই জানিয়েছেন ইসির সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেন।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে যেসব সংস্কার চাওয়া হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে আরপিও সংশোধন, ইসি সচিবালয় আইন, নির্বাচন কর্মকর্তা বিশেষ বিধান আইন, পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যম নীতিমালা, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ বিধিমালা, হলফনামার খসড়া, ভোটার তালিকা হালনাগাদ, পোস্টাল ব্যালট এবং নির্বাচনী অর্থায়নের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার প্রস্তাব।”

আরও পড়ুন  জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের কোনো সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল

তিনি জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনাররা এসব বিষয়ের ওপর ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু করেছেন। কোন সুপারিশগুলো বাস্তবায়নযোগ্য, তা নির্ধারণ করে দ্রুত মতামত পাঠানো হবে। লিখিতভাবে মতামত জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

সচিব আখতার বলেন, “সব বিষয়ের ওপর কমিশনের অভিন্ন মত নাও থাকতে পারে। কিছু বিষয়ে ভিন্নমতসহ নতুন সুপারিশ দিতে পারে নির্বাচন কমিশন।” তিনি আরও বলেন, “ডিসেম্বরে নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে এগোলে সংস্কার ও অন্যান্য প্রস্তুতি দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। প্রস্তুতিতে যেন কোনও ব্যাঘাত না ঘটে, সে বিষয়েও কমিশন সচেতন। স্বল্পতম সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী পরিবেশ বিশ্বাসযোগ্য করতে এসব সংস্কার কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তবে সময়সীমা অত্যন্ত সঙ্কুচিত হওয়ায় দ্রুত সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়নই চূড়ান্ত নির্বাচনের আগে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এসব সংস্কারের প্রস্তাব নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও আলোচনা হতে পারে। নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়—সে লক্ষ্যেই ইসি এখন কাজ করছে।