ঢাকা ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

ঈদযাত্রায় নৌপথে দুর্ঘটনা রোধ করতে ২ সপ্তাহ বাল্কহেড চলাচল বন্ধের দাবি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
  • / 165

ছবি সংগৃহীত

 

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নৌপথে দুর্ঘটনা রোধে আগামী ২৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত ১৪ দিন বালুবাহী নৌযান (বাল্কহেড) চলাচল নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে শিপিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরাম (এসসিআরএফ) এবং নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি।

বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠন দুটির পক্ষ থেকে অবৈধ ও অননুমোদিত নৌযানের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনারও আহ্বান জানানো হয়। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন জাতীয় কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শহীদ মিয়া ও এসসিআরএফ-এর সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. জাহাঙ্গীর আলম। তারা নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়, নৌ পরিবহন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের কাছে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  ইলন মাস্কের কানাডিয়ান নাগরিকত্ব বাতিলের দাবিতে তোলপাড়

সংগঠন দুটির নেতারা বলেন, বাল্কহেডের অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের কারণে নৌপথে দুর্ঘটনা বাড়ছে এবং যাত্রীবাহী নৌযান ডুবে বহু প্রাণহানি ঘটছে। নিয়ম অনুযায়ী, সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত বাল্কহেড চলাচল নিষিদ্ধ। কিন্তু বাস্তবে প্রশাসনের নজরের সামনেই রাতে শত শত বাল্কহেড চলাচল করছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে নিবন্ধিত নৌযানের সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার হলেও বাস্তবে বিভিন্ন ধরনের নৌযান রয়েছে অন্তত ৮৫ হাজার। এর মধ্যে ৭০ হাজারই অনিবন্ধিত, যার মধ্যে প্রায় ছয় হাজার বাল্কহেড। নিবন্ধিত নৌযানের মধ্যে বছরে মাত্র আট হাজারের ফিটনেস পরীক্ষা হয়, বাকি সাত হাজার ফিটনেসবিহীন নৌযান অবাধে চলাচল করছে। অথচ নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর নৌ পরিবহন অধিদপ্তর ও বিআইডব্লিউটিএর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নাকের ডগায় এসব হচ্ছে, কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

সংগঠন দুটি স্পষ্টভাবে বলেছে, সনদবিহীন চালক ও অবৈধভাবে নৌযান পরিচালনার সুযোগ দেওয়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও নৌযান মালিকদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। সেই সঙ্গে জনস্বার্থে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশকেও এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঈদযাত্রায় নৌপথে দুর্ঘটনা রোধ করতে ২ সপ্তাহ বাল্কহেড চলাচল বন্ধের দাবি

আপডেট সময় ০৫:১১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

 

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নৌপথে দুর্ঘটনা রোধে আগামী ২৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত ১৪ দিন বালুবাহী নৌযান (বাল্কহেড) চলাচল নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে শিপিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরাম (এসসিআরএফ) এবং নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি।

বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠন দুটির পক্ষ থেকে অবৈধ ও অননুমোদিত নৌযানের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনারও আহ্বান জানানো হয়। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন জাতীয় কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শহীদ মিয়া ও এসসিআরএফ-এর সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. জাহাঙ্গীর আলম। তারা নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়, নৌ পরিবহন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের কাছে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে উত্তপ্ত ঢাকা, আহত আন্দোলনকারী ও সাংবাদিক, জাবের গুলিবিদ্ধ

সংগঠন দুটির নেতারা বলেন, বাল্কহেডের অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের কারণে নৌপথে দুর্ঘটনা বাড়ছে এবং যাত্রীবাহী নৌযান ডুবে বহু প্রাণহানি ঘটছে। নিয়ম অনুযায়ী, সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত বাল্কহেড চলাচল নিষিদ্ধ। কিন্তু বাস্তবে প্রশাসনের নজরের সামনেই রাতে শত শত বাল্কহেড চলাচল করছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে নিবন্ধিত নৌযানের সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার হলেও বাস্তবে বিভিন্ন ধরনের নৌযান রয়েছে অন্তত ৮৫ হাজার। এর মধ্যে ৭০ হাজারই অনিবন্ধিত, যার মধ্যে প্রায় ছয় হাজার বাল্কহেড। নিবন্ধিত নৌযানের মধ্যে বছরে মাত্র আট হাজারের ফিটনেস পরীক্ষা হয়, বাকি সাত হাজার ফিটনেসবিহীন নৌযান অবাধে চলাচল করছে। অথচ নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর নৌ পরিবহন অধিদপ্তর ও বিআইডব্লিউটিএর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নাকের ডগায় এসব হচ্ছে, কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

সংগঠন দুটি স্পষ্টভাবে বলেছে, সনদবিহীন চালক ও অবৈধভাবে নৌযান পরিচালনার সুযোগ দেওয়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও নৌযান মালিকদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। সেই সঙ্গে জনস্বার্থে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশকেও এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।