ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ: এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তারেক রহমান মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গেছে এফবিআই পুরান ঢাকায় বার্ন ইউনিটের নার্সের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জ্বালানি সংকটের মুখে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ভুলে আবারও রাশিয়ার দ্বারস্থ হয়েছে ভারত। যুদ্ধের সময় পারমাণবিক অস্ত্র চায় ফিনল্যান্ড। যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যে ভারত মহাসাগরে জাহাজডুবি, বহু নাবিক নিখোঁজ কুর্দিদের অতিদ্রুত পক্ষ নির্বাচন করতে বলেছেন ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, জরুরি পদক্ষেপ নিচ্ছে চীন-জাপান খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে টমেটো চাষে ব্যাপক সাফল্য, তবে দাম কমে বিপাকে কৃষকরা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫
  • / 246

ছবি সংগৃহীত

 

টাঙ্গাইলের নাগরপুরের চরাঞ্চলে এবার ব্যাপক হারে টমেটো চাষ হয়েছে, এবং বিষমুক্ত টমেটো উৎপাদনে বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে চাষিরা এখন এক বড় সমস্যার মুখে দামের ব্যাপক হ্রাস। ফলন ভালো হলেও, কম দামে টমেটো বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা, যার ফলে তাদের মধ্যে হতাশা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

চাষিরা জানিয়েছেন, শুরুতে প্রতি মণ টমেটো ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা দরে বিক্রি হলেও, বর্তমানে তা কমে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা মণ দরে চলে এসেছে। উৎপাদন বেশি হলেও, বাজারে চাহিদা অনুযায়ী দাম না পাওয়ায় অনেক কৃষক লোকসানের আশঙ্কা করছেন।

আরও পড়ুন  টাঙ্গাইলে প্রবাসীর মাইক্রোবাসে ডাকাতি, পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে পালাল ডাকাতরা

কৃষক বাদশা মিয়া জানান, “১১৫ শতাংশ জমিতে টমেটো চাষ করেছি। ফলন ভালো, কিন্তু বাজারে ৩০০ টাকা মণ দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। আগে প্রতি মণ ১,৫০০ থেকে ২,০০০ টাকা দামে বিক্রি হত। এখন সার ও বীজের দাম বেশি হওয়ায় খরচও বেড়েছে, আর টমেটো বিক্রি করতে গিয়ে লোকসান হতে পারে।”

এছাড়া কৃষক রুবেল ইসলাম বলেন, “টমেটো বিক্রি করতে গিয়ে ক্রেতার অভাব দেখা যাচ্ছে। দাম কম এবং খরচ বেশি হওয়ায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।”

এদিকে, উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, চলতি বছরে ১৫২ হেক্টর জমিতে টমেটো চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় বাড়তি। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল বাছেত মিয়া বলেছেন, “বর্তমানে কৃষকরা ৩০ টাকা কেজি দরে টমেটো বিক্রি করছেন। দাম যদি ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি হয়, তাহলে তারা ভালো লাভ পেতেন।”

কৃষকরা সরকারের কাছে সহায়তা ও দামের উন্নতির জন্য আশাবাদী। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এসএম রাশেদুল হাসান জানিয়েছেন, “নাগরপুরে টমেটো চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে এবং আমরা কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করছি।”

এমন পরিস্থিতিতে কৃষকদের জন্য সরকারী সাহায্য ও দামের উন্নতি কামনা করছেন চাষিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে টমেটো চাষে ব্যাপক সাফল্য, তবে দাম কমে বিপাকে কৃষকরা

আপডেট সময় ১২:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫

 

টাঙ্গাইলের নাগরপুরের চরাঞ্চলে এবার ব্যাপক হারে টমেটো চাষ হয়েছে, এবং বিষমুক্ত টমেটো উৎপাদনে বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে চাষিরা এখন এক বড় সমস্যার মুখে দামের ব্যাপক হ্রাস। ফলন ভালো হলেও, কম দামে টমেটো বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা, যার ফলে তাদের মধ্যে হতাশা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

চাষিরা জানিয়েছেন, শুরুতে প্রতি মণ টমেটো ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা দরে বিক্রি হলেও, বর্তমানে তা কমে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা মণ দরে চলে এসেছে। উৎপাদন বেশি হলেও, বাজারে চাহিদা অনুযায়ী দাম না পাওয়ায় অনেক কৃষক লোকসানের আশঙ্কা করছেন।

আরও পড়ুন  টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় ওসি-সার্জেন্টসহ আটজন আহত

কৃষক বাদশা মিয়া জানান, “১১৫ শতাংশ জমিতে টমেটো চাষ করেছি। ফলন ভালো, কিন্তু বাজারে ৩০০ টাকা মণ দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। আগে প্রতি মণ ১,৫০০ থেকে ২,০০০ টাকা দামে বিক্রি হত। এখন সার ও বীজের দাম বেশি হওয়ায় খরচও বেড়েছে, আর টমেটো বিক্রি করতে গিয়ে লোকসান হতে পারে।”

এছাড়া কৃষক রুবেল ইসলাম বলেন, “টমেটো বিক্রি করতে গিয়ে ক্রেতার অভাব দেখা যাচ্ছে। দাম কম এবং খরচ বেশি হওয়ায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।”

এদিকে, উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, চলতি বছরে ১৫২ হেক্টর জমিতে টমেটো চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় বাড়তি। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল বাছেত মিয়া বলেছেন, “বর্তমানে কৃষকরা ৩০ টাকা কেজি দরে টমেটো বিক্রি করছেন। দাম যদি ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি হয়, তাহলে তারা ভালো লাভ পেতেন।”

কৃষকরা সরকারের কাছে সহায়তা ও দামের উন্নতির জন্য আশাবাদী। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এসএম রাশেদুল হাসান জানিয়েছেন, “নাগরপুরে টমেটো চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে এবং আমরা কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করছি।”

এমন পরিস্থিতিতে কৃষকদের জন্য সরকারী সাহায্য ও দামের উন্নতি কামনা করছেন চাষিরা।