ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র

কুসুম না সাদা অংশ? ডিমের কোনটি বেশি উপকারী—জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদরা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৩২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 264

ছবি সংগৃহীত

 

ডিম—সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি খাবার। তবে ডিম খাওয়ার সময় একটি প্রশ্ন প্রায়ই উঠে আসে—ডিমের কুসুম বেশি উপকারী, না কি সাদা অংশ? স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের মধ্যে এ নিয়ে রয়েছে নানা মতভেদ। পুষ্টিবিদদের মতে, দু’টি অংশই আলাদা আলাদা ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

পুষ্টিবিদদের তথ্য অনুযায়ী, ডিমের সাদা অংশে থাকে উচ্চমাত্রার প্রোটিন, কিন্তু এতে চর্বি ও কোলেস্টেরল প্রায় নেই বললেই চলে। ফলে ওজন কমাতে চান বা কোলেস্টেরলজনিত সমস্যায় ভুগছেন—এমন মানুষের কাছে ডিমের সাদা অংশ বেশি জনপ্রিয়। এছাড়া শরীরের পেশি গঠনে এটি অত্যন্ত কার্যকর।

আরও পড়ুন  তীব্র গরমে যে সমস্ত জটিল রোগের ঝুকি রয়েছে

অন্যদিকে, ডিমের কুসুমে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে, পাশাপাশি আয়রন, ফসফরাস এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। বিশেষজ্ঞদের মতে, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি, চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কুসুমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এতে চর্বি ও কোলেস্টেরল বেশি থাকায় হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে পরিমিত পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

পুষ্টিবিদের মতে, “সম্পূর্ণ ডিমই একটি ‘কমপ্লিট ফুড’। শুধুমাত্র সাদা অংশ বা শুধুমাত্র কুসুম নয়—দু’টি একসঙ্গে খেলে শরীর সর্বোচ্চ পুষ্টি পায়।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ ব্যক্তিরা প্রতিদিন একটি সম্পূর্ণ ডিম খেতে পারেন। তবে যাঁদের ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল বা হৃদরোগ রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডিমের কুসুমের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।

সব মিলিয়ে বলা যায়, কুসুম ও সাদা অংশ—দু’টিই নিজ নিজ জায়গায় উপকারী। প্রয়োজন ও শারীরিক অবস্থার উপর ভিত্তি করেই ডিম খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি বেছে নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

কুসুম না সাদা অংশ? ডিমের কোনটি বেশি উপকারী—জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদরা

আপডেট সময় ০২:৩২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

 

ডিম—সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি খাবার। তবে ডিম খাওয়ার সময় একটি প্রশ্ন প্রায়ই উঠে আসে—ডিমের কুসুম বেশি উপকারী, না কি সাদা অংশ? স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের মধ্যে এ নিয়ে রয়েছে নানা মতভেদ। পুষ্টিবিদদের মতে, দু’টি অংশই আলাদা আলাদা ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

পুষ্টিবিদদের তথ্য অনুযায়ী, ডিমের সাদা অংশে থাকে উচ্চমাত্রার প্রোটিন, কিন্তু এতে চর্বি ও কোলেস্টেরল প্রায় নেই বললেই চলে। ফলে ওজন কমাতে চান বা কোলেস্টেরলজনিত সমস্যায় ভুগছেন—এমন মানুষের কাছে ডিমের সাদা অংশ বেশি জনপ্রিয়। এছাড়া শরীরের পেশি গঠনে এটি অত্যন্ত কার্যকর।

আরও পড়ুন  শুষ্ক ত্বক: রোগজনিত নাকি শীতের প্রভাবে?

অন্যদিকে, ডিমের কুসুমে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে, পাশাপাশি আয়রন, ফসফরাস এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। বিশেষজ্ঞদের মতে, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি, চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কুসুমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এতে চর্বি ও কোলেস্টেরল বেশি থাকায় হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে পরিমিত পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

পুষ্টিবিদের মতে, “সম্পূর্ণ ডিমই একটি ‘কমপ্লিট ফুড’। শুধুমাত্র সাদা অংশ বা শুধুমাত্র কুসুম নয়—দু’টি একসঙ্গে খেলে শরীর সর্বোচ্চ পুষ্টি পায়।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ ব্যক্তিরা প্রতিদিন একটি সম্পূর্ণ ডিম খেতে পারেন। তবে যাঁদের ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল বা হৃদরোগ রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডিমের কুসুমের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।

সব মিলিয়ে বলা যায়, কুসুম ও সাদা অংশ—দু’টিই নিজ নিজ জায়গায় উপকারী। প্রয়োজন ও শারীরিক অবস্থার উপর ভিত্তি করেই ডিম খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি বেছে নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।