ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

জবিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • / 132

ছবি সংগৃহীত

 

 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সহকারী প্রক্টর ও ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের ওপর হামলার ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে শিক্ষার্থী সমাজ। এ ঘটনায় ছাত্রদল নেতাদের অভিযুক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তারা দ্রুত বিচার ও দোষীদের বহিষ্কারের দাবিতে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন, অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  শিক্ষার্থীদের দাবি: প্রতিবাদের পথ নির্বাচন করুন, জনগণকে নয়

রোববার (১৩ জুলাই) সকাল থেকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী উপাচার্য ভবন ঘেরাও করেন। তারা স্লোগানে স্লোগানে হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করেন। শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন শিক্ষক এবং বাগছাসের তিন নেতার ওপর সন্ত্রাসী হামলার পরও প্রশাসন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য।

বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি উপস্থাপন করে বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত শেষ করে অভিযুক্তদের সনাক্ত করতে হবে। দোষ প্রমাণিত হলে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাবেক শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার দাবি তোলেন তারা।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. দীপু মোহাম্মদ সেলিম জানান, ইতোমধ্যে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেন, “এই ঘটনায় দোষীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তদন্ত শেষ হলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে এই ধরনের সহিংস ঘটনা এবং প্রশাসনের প্রতিক্রিয়াহীনতায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা আতঙ্ক ও ক্ষোভে রয়েছেন। তবে উপাচার্যের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আপাতত আন্দোলন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেন শিক্ষার্থীরা, তবে তারা জানিয়েছেন, দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গনে সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান সকল শিক্ষার্থী।

নিউজটি শেয়ার করুন

জবিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

আপডেট সময় ০৬:০৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

 

 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সহকারী প্রক্টর ও ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের ওপর হামলার ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে শিক্ষার্থী সমাজ। এ ঘটনায় ছাত্রদল নেতাদের অভিযুক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তারা দ্রুত বিচার ও দোষীদের বহিষ্কারের দাবিতে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন, অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় কুয়েট ক্যাম্পাসে শিক্ষা উপদেষ্টা

রোববার (১৩ জুলাই) সকাল থেকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী উপাচার্য ভবন ঘেরাও করেন। তারা স্লোগানে স্লোগানে হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করেন। শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন শিক্ষক এবং বাগছাসের তিন নেতার ওপর সন্ত্রাসী হামলার পরও প্রশাসন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য।

বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি উপস্থাপন করে বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত শেষ করে অভিযুক্তদের সনাক্ত করতে হবে। দোষ প্রমাণিত হলে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাবেক শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার দাবি তোলেন তারা।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. দীপু মোহাম্মদ সেলিম জানান, ইতোমধ্যে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেন, “এই ঘটনায় দোষীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তদন্ত শেষ হলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে এই ধরনের সহিংস ঘটনা এবং প্রশাসনের প্রতিক্রিয়াহীনতায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা আতঙ্ক ও ক্ষোভে রয়েছেন। তবে উপাচার্যের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আপাতত আন্দোলন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেন শিক্ষার্থীরা, তবে তারা জানিয়েছেন, দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গনে সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান সকল শিক্ষার্থী।