ঢাকা ০৮:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেসির ক্ষমতা আরও ২ মাস বাড়াল সরকার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • / 188

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষমতা আরও দুই মাস বাড়ানো হয়েছে। রোববার (১৩ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর বিভিন্ন ধারা এবং দ্যা কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর ১৮৯৮ এর ১২(১) ও ১৭ ধারা অনুযায়ী সেনাবাহিনীতে কর্মরত ক্যাপ্টেন পদমর্যাদা ও তদূর্ধ্ব কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা দেশের যে কোনও স্থানে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এই সুবিধাটি কোস্টগার্ড ও বিজিবিতে প্রেষণে কর্মরত সমপদমর্যাদার কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

আরও পড়ুন  সেনাবাহিনীর ভুয়া পরিচয় পত্র (আইডি কার্ড) তৈরীর অভিযোগে বগুড়ায় আটক ৮

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই ক্ষমতা জারির দিন থেকে পরবর্তী ৬০ দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এর ফলে সেনাবাহিনীর এসব কর্মকর্তা দেশের বিভিন্ন স্থানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

সুনির্দিষ্টভাবে, ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ এবং ১৪২ ধারার অধীনে তারা এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এসব ধারা সাধারণত জননিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, অপরাধ প্রতিরোধ ও নিরসন, তল্লাশি এবং জনস্বার্থে বিভিন্ন তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক পদক্ষেপের সঙ্গে সম্পর্কিত।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের পদক্ষেপ জরুরি পরিস্থিতিতে সরকারের প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়াতে এবং সেনাবাহিনীর সদস্যদের আইনগত কাঠামোর মধ্যে এনে দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে।

সরকার পূর্বেও বিশেষ পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের এমন ক্ষমতা দিয়ে থাকলেও এবার তা আরও দুই মাসের জন্য বাড়ানো হলো, যা মাঠপর্যায়ে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেসির ক্ষমতা আরও ২ মাস বাড়াল সরকার

আপডেট সময় ০৬:০১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষমতা আরও দুই মাস বাড়ানো হয়েছে। রোববার (১৩ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর বিভিন্ন ধারা এবং দ্যা কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর ১৮৯৮ এর ১২(১) ও ১৭ ধারা অনুযায়ী সেনাবাহিনীতে কর্মরত ক্যাপ্টেন পদমর্যাদা ও তদূর্ধ্ব কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা দেশের যে কোনও স্থানে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এই সুবিধাটি কোস্টগার্ড ও বিজিবিতে প্রেষণে কর্মরত সমপদমর্যাদার কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

আরও পড়ুন  সংলাপে আলী রীয়াজ: সরকার কিংবা ঐকমত্য কমিশনের কোনো নির্দিষ্ট এজেন্ডা নেই

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই ক্ষমতা জারির দিন থেকে পরবর্তী ৬০ দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এর ফলে সেনাবাহিনীর এসব কর্মকর্তা দেশের বিভিন্ন স্থানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

সুনির্দিষ্টভাবে, ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ এবং ১৪২ ধারার অধীনে তারা এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এসব ধারা সাধারণত জননিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, অপরাধ প্রতিরোধ ও নিরসন, তল্লাশি এবং জনস্বার্থে বিভিন্ন তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক পদক্ষেপের সঙ্গে সম্পর্কিত।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের পদক্ষেপ জরুরি পরিস্থিতিতে সরকারের প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়াতে এবং সেনাবাহিনীর সদস্যদের আইনগত কাঠামোর মধ্যে এনে দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে।

সরকার পূর্বেও বিশেষ পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের এমন ক্ষমতা দিয়ে থাকলেও এবার তা আরও দুই মাসের জন্য বাড়ানো হলো, যা মাঠপর্যায়ে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।