ঢাকা ১২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সীতাকুণ্ডের সেই ছোট্ট শিশুটির সঙ্গে কী হয়েছিল? ঘাতকের রোমহর্ষক স্বীকারোক্তি ইরানে নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়, মোজতবা খামেনি সুপ্রিম লিডার নির্বাচিত ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ

ব্রহ্মপুত্র নদে নৌকাডুবি: নিখোঁজ আরও দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
  • / 159

ছবি সংগৃহীত

 

 

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার ব্রহ্মপুত্র নদে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২ জুলাই) সকালে ময়মনসিংহের পাগলা থানার টাংগাব ইউনিয়নের বাঁশিয়া এলাকায় নদে ভেসে থাকা অবস্থায় মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে একদিনের ব্যবধানে তিন শিক্ষার্থীর মরদেহই উদ্ধার হলো।

আরও পড়ুন  এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের কারণ জানাতে নির্দেশ দিল বোর্ড

নিহতরা হলেন পাকুন্দিয়া উপজেলার চরআলগী গ্রামের হাবিব মিয়ার ছেলে আবির (৭) এবং মুমতাজ উদ্দিনের ছেলে জুবায়েদ (৬)। তারা বিরুই নদীর পাড় দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১ জুলাই) শাপলা আক্তার (১৪) নামে আরেক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে একই উপজেলার চরআলগী গ্রামের মাইনুদ্দিনের মেয়ে।

বুধবার ভোরে নিখোঁজদের স্বজনরা নৌকা নিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে খুঁজতে বের হন। এক পর্যায়ে টাংগাব ইউনিয়নের বাঁশিয়া এলাকায় নদে দুটি মরদেহ ভেসে থাকতে দেখেন তারা। পরে মরদেহগুলো উদ্ধার করে পাড়ে তোলা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন চরফরাদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান।

জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ময়মনসিংহ জেলার পাগলা থানার দত্তের বাজার এলাকায় তিন শিক্ষার্থী মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে নৌকাডুবির শিকার হয়। ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সেদিনই শাপলা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাকি দুই শিশুর সন্ধান পাওয়া যায়নি।

কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মোফাজ্জল হোসেন জানান, খবর পাওয়ার পরই ডুবুরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা চালায়। অবশেষে বুধবার সকালে আবির ও জুবায়েদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা জানান, নদীর প্রবল স্রোত এবং দুর্বল নৌযান ব্যবহারের কারণে এমন দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে। তারা নৌপথে শিক্ষার্থীসহ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্রহ্মপুত্র নদে নৌকাডুবি: নিখোঁজ আরও দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ১২:১৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

 

 

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার ব্রহ্মপুত্র নদে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২ জুলাই) সকালে ময়মনসিংহের পাগলা থানার টাংগাব ইউনিয়নের বাঁশিয়া এলাকায় নদে ভেসে থাকা অবস্থায় মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে একদিনের ব্যবধানে তিন শিক্ষার্থীর মরদেহই উদ্ধার হলো।

আরও পড়ুন  আজ বাদ জুমা: সারা দেশে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের একযোগে বিক্ষোভ

নিহতরা হলেন পাকুন্দিয়া উপজেলার চরআলগী গ্রামের হাবিব মিয়ার ছেলে আবির (৭) এবং মুমতাজ উদ্দিনের ছেলে জুবায়েদ (৬)। তারা বিরুই নদীর পাড় দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১ জুলাই) শাপলা আক্তার (১৪) নামে আরেক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে একই উপজেলার চরআলগী গ্রামের মাইনুদ্দিনের মেয়ে।

বুধবার ভোরে নিখোঁজদের স্বজনরা নৌকা নিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে খুঁজতে বের হন। এক পর্যায়ে টাংগাব ইউনিয়নের বাঁশিয়া এলাকায় নদে দুটি মরদেহ ভেসে থাকতে দেখেন তারা। পরে মরদেহগুলো উদ্ধার করে পাড়ে তোলা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন চরফরাদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান।

জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ময়মনসিংহ জেলার পাগলা থানার দত্তের বাজার এলাকায় তিন শিক্ষার্থী মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে নৌকাডুবির শিকার হয়। ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সেদিনই শাপলা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাকি দুই শিশুর সন্ধান পাওয়া যায়নি।

কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মোফাজ্জল হোসেন জানান, খবর পাওয়ার পরই ডুবুরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা চালায়। অবশেষে বুধবার সকালে আবির ও জুবায়েদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা জানান, নদীর প্রবল স্রোত এবং দুর্বল নৌযান ব্যবহারের কারণে এমন দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে। তারা নৌপথে শিক্ষার্থীসহ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।